ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কর অঞ্চল-১২ এর সাবেক উপ কর কমিশনার হাফিজুলের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ মনাকষা সীমান্তে ৩৫ তরুণকে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার মোহাম্মদপুরের ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি রাজেশ প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারে বড় শিল্প গড়ার আহ্বান চট্টগ্রামের ডিসির ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ লিখে পোস্ট, প্রত্যাহার জামালগঞ্জের এসিল্যান্ড কৃষি সহায়তায় নয়ছয়: ডিএইর ঢাকা অঞ্চলের পিডি কাইয়ুমের অপকর্মের জালে কৃষকের হাহাকার পীরগঞ্জের ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ইয়ামাল, এমবাপে নাকি কেইন—ব্যালন ডি’অর জিতবেন কে? চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হলেন কট্টর ফিলিস্তিনপন্থি লুলা নিকি মিনাজকে দেখে ট্রাম্প বললেন, ‘এমন সুন্দর নিতম্ব আগে দেখিনি’

গুলশানের কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান, বিপুল অ্যালকোহল জব্দ

রাজধানীর গুলশানে কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চারটি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত দল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুলশানের প্লট-৩৩, রোড-৪৫-এ অবস্থিত কিং ফিশার রেস্টুরেন্ট লিমিটেডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ অভিযানে অবৈধ উৎস থেকে সংগ্রহ করা অ্যালকোহল মজুত ও বিক্রির মাধ্যমে শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, উচ্চ শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য, বিশেষত অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে সংগ্রহ ও বিক্রি করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এনবিআর জানায়, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ উৎস ও চোরাচালানের মাধ্যমে সংগৃহীত অ্যালকোহলের মজুত শনাক্ত করা, বিক্রির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে কি না, বিক্রয়লব্ধ অর্থ আয়কর নথিতে যথাযথভাবে দেখানো হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনে অর্থপাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা।

এনবিআরের নির্দেশনায় এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে অংশ নেয় সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (টিআইআইইউ) এবং মূল্য সংযোজন কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভিএআইআইডি)। অভিযানে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেয় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)।

এনবিআর জানায়, কাস্টমস আইন, ২০২৩, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ও আয়কর আইন, ২০২৩-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জব্দ করা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়ের পরিমাণ, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য, সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পর্কে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কর অঞ্চল-১২ এর সাবেক উপ কর কমিশনার হাফিজুলের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

গুলশানের কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান, বিপুল অ্যালকোহল জব্দ

আপডেট সময় ১২:২২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর গুলশানে কিং ফিশার রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চারটি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত দল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুলশানের প্লট-৩৩, রোড-৪৫-এ অবস্থিত কিং ফিশার রেস্টুরেন্ট লিমিটেডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ অভিযানে অবৈধ উৎস থেকে সংগ্রহ করা অ্যালকোহল মজুত ও বিক্রির মাধ্যমে শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, উচ্চ শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য, বিশেষত অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে সংগ্রহ ও বিক্রি করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এনবিআর জানায়, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ উৎস ও চোরাচালানের মাধ্যমে সংগৃহীত অ্যালকোহলের মজুত শনাক্ত করা, বিক্রির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে কি না, বিক্রয়লব্ধ অর্থ আয়কর নথিতে যথাযথভাবে দেখানো হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনে অর্থপাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা।

এনবিআরের নির্দেশনায় এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে অংশ নেয় সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (টিআইআইইউ) এবং মূল্য সংযোজন কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভিএআইআইডি)। অভিযানে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেয় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)।

এনবিআর জানায়, কাস্টমস আইন, ২০২৩, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ও আয়কর আইন, ২০২৩-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জব্দ করা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়ের পরিমাণ, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য, সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পর্কে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।