উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রাজধানীর মিরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের প্রত্যাশা করছেন। শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করতে চান ভোটাররা। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে প্রাথমিক স্তরে তিনজন এবং মাধ্যমিক স্তরে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই স্তর থেকে দুজন করে মোট চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। প্রাথমিক স্তরে ২৫৩ জন এবং মাধ্যমিক স্তরে ৮৮৫ জনসহ মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ১৩৮ জন।
নির্বাচনে প্রাথমিক স্তরে ছাতা প্রতীক নিয়ে মো. শহিদুল ইসলাম, ফুটবল প্রতীক নিয়ে আনিস মাহমুদ এবং দেয়ালঘড়ি প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ শাহীর খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মাধ্যমিক স্তরে চেয়ার প্রতীক নিয়ে রাবেয়া খাতুন মুনা, দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে মো. মামুন উদ্দিন এবং বই প্রতীক নিয়ে মো. জুয়েল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন চলাকালে একাধিক প্রার্থী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচন কমিশনার খুব সুন্দরভাবে নির্বাচন পরিচালনা করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে তাঁরা সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা প্রার্থীরা একে অপরের প্রতি আন্তরিক। কোনো বিশৃঙ্খলা হওয়ার সুযোগ নেই। যিনি জয়ী হবেন, তাঁর সঙ্গে এক হয়ে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করব। জয়ী হলে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখব।’
একাধিক ভোটার বলেন, ‘আজ আমাদের মিলনমেলা। সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে, খুবই ভালো লাগছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীই আমাদের আপনজন। সবাইকে তো জয়ী করতে পারব না। তবে যাঁরা জয়ী হবেন, তাঁরা সবাইকে নিয়ে বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান উন্নয়নে কাজ করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বিদ্যালয়ের সব সদস্যের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন, এটাই আমাদের কাম্য।’
আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নুরে আলম বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা একে অপরের পরিচিত। নির্বাচনের সব নিয়মকানুন মেনে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। সব প্রার্থীর এজেন্ট কেন্দ্রে উপস্থিত রয়েছেন। সকাল থেকেই ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোনো বিশৃঙ্খলা হওয়ার সুযোগ নেই। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।’
ফরহাদ হোসেন 





















