ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদকবিরোধী ভূমিকার কুচক্রী মহলের নিশানায় ইঞ্জিনিয়ার শেখ রেজওয়ান নাশকতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে: গয়েশ্বর নেপাল ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক করল দূতাবাস চুল টেনে লাল কার্ড খেলেন দুই খেলোয়াড় হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কীটনাশক ও বালাইনাশক কোম্পানির ‘ইচ্ছামতো’ দামে দিশেহারা তাড়াইল উপজেলার কৃষক একটি দল বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: মীর শাহে আলম মিঠাপুকুর উপজেলার ১৩ নং গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি প্রকল্পের টাকা হরিলুট কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন ডিলান-বারবারা

হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০১:৩৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১২ বার পড়া হয়েছে

হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হলেও অনেক সময় সেই সচেতনতা বাস্তব জীবনে কার্যকর করে না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এ ধরনের অবহেলা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তা দেখা দিলে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও বলেন, শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক-সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

চিকিৎসকদের সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মানুষের দুঃসময়ে চিকিৎসকরাই সবার আগে পাশে দাঁড়ান। করোনাকালীন মহামারি, ডেঙ্গু এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তাদের মানবিকতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধ দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদিরসহ সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, বিএমইউ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতেও অংশ নেন তিনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী ভূমিকার কুচক্রী মহলের নিশানায় ইঞ্জিনিয়ার শেখ রেজওয়ান

হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৩৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হলেও অনেক সময় সেই সচেতনতা বাস্তব জীবনে কার্যকর করে না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এ ধরনের অবহেলা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তা দেখা দিলে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও বলেন, শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক-সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

চিকিৎসকদের সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মানুষের দুঃসময়ে চিকিৎসকরাই সবার আগে পাশে দাঁড়ান। করোনাকালীন মহামারি, ডেঙ্গু এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তাদের মানবিকতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধ দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদিরসহ সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, বিএমইউ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতেও অংশ নেন তিনি।