কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের পৃথক বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত, পরোয়ানাভুক্ত ও ডাকাতির মামলার আসামিসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও নিয়মিত মামলার আসামি এবং সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে মাদকসেবী আসামি রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. বাবুল হোসেনকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। অন্য এক অভিযানে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রতন কুমার মল্লিক সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. আশরাফুলকে (২৮) গ্রেপ্তার করেন।
এ ছাড়া এএসআই মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকী উপজেলার গঙ্গানগর এলাকা থেকে একই ব্যক্তির নামে দুটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. ফারুক আহম্মেদ ওরফে রকেলকে (৩৯) এবং এএসআই মো. নুর আল-আহসান অপর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. ফরিদকে (৬৫) গ্রেপ্তার করেন।
পৃথক একটি বিশেষ অভিযানে এসআই রূপম কুমার সরকার পেনাল কোডের ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার (মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০৪/২০২৬) তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. বাবুল হোসেনকে (২৯) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, এসআই মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন একটি নিয়মিত মামলার (মামলা নং-৪১, তারিখ-২৫/০৯/২০২৬) এজাহারনামীয় আসামি মো. আবুল হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেন।
একই দিনে পরিচালিত অপর এক অভিযানে এসআই মো. রফিকুল ইসলাম, এসআই মো. শামীম হোসেন, এসআই রূপম কুমার সরকার, এএসআই লিংকন কুমার নাথ ও এএসআই রতন কুমার মল্লিকের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম মাদক সেবনের অপরাধে পাঁচজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন—মো. জালাল (৫০), মো. ইসমাইল (২২), মো. মোশারফ হোসেন (২১), আল-আমিন (৩৮) এবং মো. মনির হোসেন (৩৮)। তাঁদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পারভেজ আলম, ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 


















