ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আত্রাইয়ের শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন আসে-যায়, তবে ঘণ্টা বাজে না দেবিনগর-শাহাজাহানপুর সড়কে ১,৮০০ মিটার ব্রিজসহ ৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের অনুমোদন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নেশাজাতীয় সিরাপসহ আটক ১ কমলনগরে হাম প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু রাজশাহীতে সোনার বার সহ গ্রেপ্তার ২  আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ট্রাস্টের নীলফামারী জেলা কমিটি গঠন: সভাপতি রানা, সাধারণ সম্পাদক আলফেছানি কৃষি ভিসায় জরুরি ভিত্তিতে শ্রমিক নেবে অস্ট্রেলিয়া সরকারি ফির বাইরে ৮ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ ঢাকা কাস্টম হাউজের শুল্ক গুদামে নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা গাড়িচাপায় শ্রমিক হ’ত্যা’র পর আপস, দাফনে ১ লাখ–মা-বাবার জন্য ৮ লাখ

কৃষি ভিসায় জরুরি ভিত্তিতে শ্রমিক নেবে অস্ট্রেলিয়া

ফসল কাটার মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষি ভিসায় জরুরি ভিত্তিতে শ্রমিক নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কৃষি খাতে অস্থায়ী অভিবাসী শ্রমিক নেওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটির সরকার। এতে দেশটিতে হঠাৎ করে শ্রমিক সংকটের আশঙ্কা কেটে গেছে। ফলে অস্ট্রেলীয় কৃষক ও খামার মালিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে গ্রেইন প্রডিউসার্স অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ)। গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ অস্ট্রেলিয়া। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই তিন ফসলের সংগ্রহ শুরু হবে। এ সময় অনেক খামারই অস্থায়ী অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর নির্ভর করে।

জিপিএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকার বার্ষিক অভিবাসনের সংখ্যা কয়েক হাজার কমিয়ে আনার নীতি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যেই কৃষি খাতের সংগঠনগুলোর জরুরি কৃষিশ্রমিকদের ভিসার আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রক্রিয়াজাত করার প্রস্তাবে সরকার সম্মতি দিয়েছে।

জিপিএর চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, ‘এটি একটি সমাধান এবং পদক্ষেপ নেওয়ায় আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’ তবে তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, কতগুলো ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াজাত করা যাবে এবং দ্রুত অনুমোদনের নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ম্যাডেন আরও বলেন, ‘বাস্তবে প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, তা আমরা দেখব। তবে আশা করা যায়, এখন কৃষকদের কাছে ফসল কাটার জন্য প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসার একটি উপায় তৈরি হলো।’

অস্ট্রেলীয় সরকারের নতুন পদক্ষেপ অনুযায়ী, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াজাত করার সময়সীমা তিন মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ সীমিত করা হয়েছে।

কৃষি খাতের সংগঠনগুলো জানিয়েছে, ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে আগে যেখানে কয়েক দিন সময় লাগত, এখন সেখানে কয়েক মাস সময় লাগছে। খামার ও অন্যান্য গ্রামীণ ব্যবসায় এই ভিসা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

স্বরাষ্ট্র বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তারা ‘ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশন’-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কৃষি খাতে বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যারা ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, কৃষিকাজের জন্য কোনো নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় আসা প্রয়োজন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্রাইয়ের শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন আসে-যায়, তবে ঘণ্টা বাজে না

কৃষি ভিসায় জরুরি ভিত্তিতে শ্রমিক নেবে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ০১:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফসল কাটার মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষি ভিসায় জরুরি ভিত্তিতে শ্রমিক নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কৃষি খাতে অস্থায়ী অভিবাসী শ্রমিক নেওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটির সরকার। এতে দেশটিতে হঠাৎ করে শ্রমিক সংকটের আশঙ্কা কেটে গেছে। ফলে অস্ট্রেলীয় কৃষক ও খামার মালিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে গ্রেইন প্রডিউসার্স অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ)। গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ অস্ট্রেলিয়া। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই তিন ফসলের সংগ্রহ শুরু হবে। এ সময় অনেক খামারই অস্থায়ী অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর নির্ভর করে।

জিপিএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকার বার্ষিক অভিবাসনের সংখ্যা কয়েক হাজার কমিয়ে আনার নীতি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যেই কৃষি খাতের সংগঠনগুলোর জরুরি কৃষিশ্রমিকদের ভিসার আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রক্রিয়াজাত করার প্রস্তাবে সরকার সম্মতি দিয়েছে।

জিপিএর চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, ‘এটি একটি সমাধান এবং পদক্ষেপ নেওয়ায় আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’ তবে তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, কতগুলো ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াজাত করা যাবে এবং দ্রুত অনুমোদনের নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ম্যাডেন আরও বলেন, ‘বাস্তবে প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, তা আমরা দেখব। তবে আশা করা যায়, এখন কৃষকদের কাছে ফসল কাটার জন্য প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসার একটি উপায় তৈরি হলো।’

অস্ট্রেলীয় সরকারের নতুন পদক্ষেপ অনুযায়ী, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াজাত করার সময়সীমা তিন মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ সীমিত করা হয়েছে।

কৃষি খাতের সংগঠনগুলো জানিয়েছে, ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াজাত করতে আগে যেখানে কয়েক দিন সময় লাগত, এখন সেখানে কয়েক মাস সময় লাগছে। খামার ও অন্যান্য গ্রামীণ ব্যবসায় এই ভিসা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

স্বরাষ্ট্র বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তারা ‘ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশন’-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কৃষি খাতে বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যারা ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, কৃষিকাজের জন্য কোনো নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় আসা প্রয়োজন।