ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাত্রদলের পরিচয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ, বেপরোয়া জহির গং সিন্ডিকেট স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বাগেরহাটের রামপালে ইতু হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামি গ্রেপ্তার তাড়াইলে কলেরা টিকার দ্বিতীয় রাউন্ড নিয়ে পরিকল্পনা ও অ্যাডভোকেসি সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ, ১,৩২৪ রোগী; মেঝেতেও চিকিৎসা কমলনগরে এক রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, টিনের চাল কেটে তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরি কালিহাতীতে প্রটেকটিভ ইসলামী লাইফ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ, ১,৩২৪ রোগী; মেঝেতেও চিকিৎসা

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ১ হাজার ৩২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কীটতাত্ত্বিক জরিপে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৩৬ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। জরিপে এডিস মশার ঘনত্বকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ১ হাজার ৩২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। তবে গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ৮১ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে রেফার করা রোগীদের মধ্যে মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে, সে তথ্য স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে নেই।

এদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগের কীটতাত্ত্বিক জরিপে পৌর এলাকার ১৫০টি বাড়ির মধ্যে ৫৪টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অর্থাৎ ৩৬ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার প্রজননস্থল পাওয়া গেছে। শহরের মসজিদপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, নিউ ইসলামপুর, উদয় সংঘের মোড় ও চরজোতপ্রতাপসহ কয়েকটি এলাকায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালেও চাপ বেড়েছে। রোববার হাসপাতালে ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগের দিন ভর্তি ছিলেন ৭৮ জন। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতালে ৫০টি শয্যা নির্ধারিত থাকলেও অতিরিক্ত রোগীদের সাধারণ মেডিসিন ওয়ার্ড এবং মেঝেতে জায়গা করে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুব হাসান বলেন, রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালে এখনো অতিরিক্ত জনবল দেওয়া হয়নি। জায়গা সংকটের কারণে সাধারণ মেডিসিন ওয়ার্ড ও মেঝেতেও রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। ‘আমরা কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দিতে পারি না’ বলেও জানান তিনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের পরিচয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ, বেপরোয়া জহির গং সিন্ডিকেট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ, ১,৩২৪ রোগী; মেঝেতেও চিকিৎসা

আপডেট সময় ০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ১ হাজার ৩২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কীটতাত্ত্বিক জরিপে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৩৬ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। জরিপে এডিস মশার ঘনত্বকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ১ হাজার ৩২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। তবে গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ৮১ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে রেফার করা রোগীদের মধ্যে মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে, সে তথ্য স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে নেই।

এদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগের কীটতাত্ত্বিক জরিপে পৌর এলাকার ১৫০টি বাড়ির মধ্যে ৫৪টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অর্থাৎ ৩৬ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার প্রজননস্থল পাওয়া গেছে। শহরের মসজিদপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, নিউ ইসলামপুর, উদয় সংঘের মোড় ও চরজোতপ্রতাপসহ কয়েকটি এলাকায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালেও চাপ বেড়েছে। রোববার হাসপাতালে ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগের দিন ভর্তি ছিলেন ৭৮ জন। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতালে ৫০টি শয্যা নির্ধারিত থাকলেও অতিরিক্ত রোগীদের সাধারণ মেডিসিন ওয়ার্ড এবং মেঝেতে জায়গা করে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুব হাসান বলেন, রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালে এখনো অতিরিক্ত জনবল দেওয়া হয়নি। জায়গা সংকটের কারণে সাধারণ মেডিসিন ওয়ার্ড ও মেঝেতেও রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। ‘আমরা কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দিতে পারি না’ বলেও জানান তিনি।