ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কারও মৃত্যু হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৬৭ কোটি টাকার ঋণ, ১৩৩ কোটি টাকা সুদ মওকুফ চান প্রশাসক ফজলুল হক ছাত্রদলের পরিচয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ, বেপরোয়া জহির গং সিন্ডিকেট স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বাগেরহাটের রামপালে ইতু হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামি গ্রেপ্তার তাড়াইলে কলেরা টিকার দ্বিতীয় রাউন্ড নিয়ে পরিকল্পনা ও অ্যাডভোকেসি সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ, ১,৩২৪ রোগী; মেঝেতেও চিকিৎসা কমলনগরে এক রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, টিনের চাল কেটে তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরি কালিহাতীতে প্রটেকটিভ ইসলামী লাইফ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ

স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মঙ্গলবার স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করে আসছে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।

স্পিকার বলেন, বিগত সরকারের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতি এ দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

স্পিকার বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে আমাদের দেশকে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি এ সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ করেছে।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বর্তমানে এ দেশে আরও মাঝারি ও ছোট প্রকল্পে বিনিয়োগ বিদ্যমান রয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে এই অঞ্চলে পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। আইসিটিসহ বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর স্থাপন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’কে সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও এ সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীকে সমর্থন জানাতে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কারও মৃত্যু হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৪:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মঙ্গলবার স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করে আসছে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।

স্পিকার বলেন, বিগত সরকারের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতি এ দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

স্পিকার বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে আমাদের দেশকে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি এ সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ করেছে।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বর্তমানে এ দেশে আরও মাঝারি ও ছোট প্রকল্পে বিনিয়োগ বিদ্যমান রয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে এই অঞ্চলে পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। আইসিটিসহ বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর স্থাপন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’কে সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও এ সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীকে সমর্থন জানাতে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।