ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষাখাতে পাঁচ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতসহ ১০ দেশ বিশ্বমানের মানবসম্পদ গড়তে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মুরাদনগরে বোন-ভাতিজা হ’ত্যা, ট্রেন থেকে মূল আসামি গ্রেপ্তার ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ছাদের প্লাস্টার ভেঙে ৫ জন আহত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিককে ডেকে হেনস্তার অভিযোগ সিটিসিআরপি প্রকল্পে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ, দায়িত্বে বহাল পিডি সাজ্জাদ কবির নোয়াখালীসহ ফেনী-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কে জোরদার নিরাপত্তা, সক্রিয় এসআরবি-১১ আত্রাইয়ে রাজস্ব খাতের আওতায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে: মাহ্দী আমিন

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতসহ ১০ দেশ

ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার উদ্দেশ্যে এ বিষয়ে একটি বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে এগিয়েছে।

বুধবার বিলটির চূড়ান্ত ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের বিলটি গতকাল মঙ্গলবার প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ পার হয়। দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেওয়ায় বিলটি এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব পাস হয়। গত মাসে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি পাস হয়।

প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে সহায়তাকারী ‘ছায়া বহর’-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া, বিলটিতে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, প্রতিনিধি পরিষদের নথিতে জমা দেওয়া একটি সংশোধনীতে ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বিলটির বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস। তাঁর দাবি, এতে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, যার ওপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থ জোগাতে সহায়তা করছে।

এদিকে ওয়াশিংটনে ইউক্রেনপন্থি সংগঠনগুলো আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। ইউক্রেন অ্যাকশন সামিটে কিয়েভকে অব্যাহত সমর্থনের পক্ষে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে প্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার পর বিলটি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাখাতে পাঁচ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতসহ ১০ দেশ

আপডেট সময় ০৫:০২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার উদ্দেশ্যে এ বিষয়ে একটি বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে এগিয়েছে।

বুধবার বিলটির চূড়ান্ত ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের বিলটি গতকাল মঙ্গলবার প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ পার হয়। দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেওয়ায় বিলটি এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব পাস হয়। গত মাসে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি পাস হয়।

প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে সহায়তাকারী ‘ছায়া বহর’-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া, বিলটিতে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, প্রতিনিধি পরিষদের নথিতে জমা দেওয়া একটি সংশোধনীতে ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বিলটির বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস। তাঁর দাবি, এতে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, যার ওপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থ জোগাতে সহায়তা করছে।

এদিকে ওয়াশিংটনে ইউক্রেনপন্থি সংগঠনগুলো আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। ইউক্রেন অ্যাকশন সামিটে কিয়েভকে অব্যাহত সমর্থনের পক্ষে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে প্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার পর বিলটি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে।