ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রাখতে হবে: ড. মঈন খান সওজের প্রকৌশলী শাহনুর রশিদকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বিরোধী দল: রিজভী পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন: পুলিশ সুপার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ময়লার বিল থেকে বছরে ৩১৭ কোটি টাকা আদায়, সিটি করপোরেশন পায় ১২ কোটি-বাকি টাকা যায় কোথায়? সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ কালিয়াকৈরে ইবনে সিনার কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযানে ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

তদন্ত করলে প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার নামে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে : প্রতিমন্ত্রী নুর

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ, মহানগর দক্ষিণের কর্মিসভায় বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু একজন উপদেষ্টা নয়, এই তথাকথিত ছাত্র উপদেষ্টা যারা ছিল, তাদের যদি সঠিক এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়, তবে প্রত্যেকের অন্তত শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে যেভাবে কাজ করার কথা ছিল, তা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের ভূমিকা দায়ী।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে দল-মতনির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন ছিল। কিন্তু সেই ঐক্য রক্ষা করা যায়নি।’
তিনি বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে সামনে আসা এই ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছেন। বিপ্লবের আড়ালে তারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সুবিধাবাদী মহলের সাথে আঁতাত করেছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘তরুণদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের ছিল, তা ছাত্র উপদেষ্টাদের কার্যকলাপে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি সঠিক পথে এগোতে পারেনি।’

বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস পূর্ণ হওয়া প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘ছয় মাস দায়িত্বে আছি, যে যত কথাই বলুক- স্পেসিফিকভাবে কেউ কোনো দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ করতে পারবে না। যেদিন প্রমাণ করবে, আমরা বলেছি সেদিন আমরা দায়িত্ব ছেড়ে দেব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

তদন্ত করলে প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার নামে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে : প্রতিমন্ত্রী নুর

আপডেট সময় ১২:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ, মহানগর দক্ষিণের কর্মিসভায় বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু একজন উপদেষ্টা নয়, এই তথাকথিত ছাত্র উপদেষ্টা যারা ছিল, তাদের যদি সঠিক এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়, তবে প্রত্যেকের অন্তত শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে যেভাবে কাজ করার কথা ছিল, তা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের ভূমিকা দায়ী।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে দল-মতনির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন ছিল। কিন্তু সেই ঐক্য রক্ষা করা যায়নি।’
তিনি বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে সামনে আসা এই ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছেন। বিপ্লবের আড়ালে তারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সুবিধাবাদী মহলের সাথে আঁতাত করেছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘তরুণদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের ছিল, তা ছাত্র উপদেষ্টাদের কার্যকলাপে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি সঠিক পথে এগোতে পারেনি।’

বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস পূর্ণ হওয়া প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘ছয় মাস দায়িত্বে আছি, যে যত কথাই বলুক- স্পেসিফিকভাবে কেউ কোনো দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ করতে পারবে না। যেদিন প্রমাণ করবে, আমরা বলেছি সেদিন আমরা দায়িত্ব ছেড়ে দেব।