ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দায়িত্ব বাড়ল দুই মন্ত্রীর নেত্রকোনায় জুয়ার আসর থেকে ৮ জুয়াড়ি আটক মায়ের কোলে শিশু যেমন নিরাপদ, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষও তেমন নিরাপদ : চরমোনাই পীর নোয়াখালীতে সাবেক রেলওয়ে প্রকৌশলী শাহ আলমের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল কোটালীপাড়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ: বিবাহিত ও অবিবাহিত দল গোলে ড্র শিবগঞ্জে রাতের আঁধারে কবরস্থানের ১৪০ মেহগনি গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযানে ৯ জন গ্রেপ্তার, সাড়ে ২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার ময়নাতদন্ত ও থানায় অভিযোগ ছাড়াই সোহাগের লাশ দাফন: রহস্য আরও ঘনীভূত হাই-টেক পার্কে আনোয়ার-শফিকের কোটি টাকার অনিয়ম, নিয়োগ-বাণিজ্য, টেন্ডারের তথ্য পাচার ও ওএসএস ঘিরে অভিযোগ দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ময়নাতদন্ত ও থানায় অভিযোগ ছাড়াই সোহাগের লাশ দাফন: রহস্য আরও ঘনীভূত

ঢাকার আশুলিয়ায় উদীয়মান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সোহাগের (২৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা ও প্রশ্ন। গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আশুলিয়ার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের পর কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া, ময়নাতদন্ত কিংবা থানায় প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই নিজ গ্রাম নীলফামারীর জলঢাকায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
মৃত্যুর পূর্বে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আবেগঘন বার্তা, পরবর্তীতে বন্ধু সায়েমের মাধ্যমে ফাঁস হওয়া স্ত্রী ও শাশুড়ির সাথে দ্বন্দ্বের বিস্ফোরক অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি যখন নানা আলোচনা ও গুঞ্জনের জন্ম দিচ্ছে, ঠিক তখনই আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে তড়িঘড়ি করে দাফনের সিদ্ধান্ত আর সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
সোহাগ উত্তরাঞ্চলের জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ‘তালেব ভাইজান’ খ্যাত তালেব আলীর ভাতিজা হিসেবে পরিচিত। ঘটনা সম্পর্কে চাচা তালেব আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে স্পষ্টভাবেই এই পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে রাখেন। নিরপেক্ষ অবস্থান ব্যক্ত করে তিনি জানান, সোহাগের পরিবারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত বা আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং এ নিয়ে পরিবারের কাউকে প্রশ্নও করেননি।
বিষয়টির সুরাহা ও সার্বিক বিষয়ে জানতে সোহাগের বড় চাচার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোনে কোনো বক্তব্য বা মন্তব্য দিতে রাজি হননি। ফোনে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও তথ্য প্রদানের জন্য
জাতীয় দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির প্রতিনিধি (আল মিজান কে ) সরাসরি দেখা করতে হবে তাবেই না তিনি বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
স্ত্রীকে নিয়ে আত্মহত্যার আগের চাঞ্চল্যকর দাবিগুলো যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেখানে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করা এবং পরিবারের প্রধান অভিভাবকদের ফোনে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করা—পুরো বিষয়টিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।
স্বজনরা কি পারিবারিক সম্মান রক্ষায় নীরবতা অবলম্বন করছেন.? নাকি কোনো জটিল চাপের কারণে প্রথাগত আইনি তদন্ত এড়িয়ে গেছেন—তা নিয়ে প্রশ্ন। সোহাগের বড় চাচার সঙ্গে প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎকার এবং থানা পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই মৃত্যুর পেছনের আসল চিত্র প্রকাশ্যে আসতে পারে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দায়িত্ব বাড়ল দুই মন্ত্রীর

ময়নাতদন্ত ও থানায় অভিযোগ ছাড়াই সোহাগের লাশ দাফন: রহস্য আরও ঘনীভূত

আপডেট সময় ০৭:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার আশুলিয়ায় উদীয়মান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সোহাগের (২৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা ও প্রশ্ন। গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আশুলিয়ার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের পর কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া, ময়নাতদন্ত কিংবা থানায় প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই নিজ গ্রাম নীলফামারীর জলঢাকায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
মৃত্যুর পূর্বে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আবেগঘন বার্তা, পরবর্তীতে বন্ধু সায়েমের মাধ্যমে ফাঁস হওয়া স্ত্রী ও শাশুড়ির সাথে দ্বন্দ্বের বিস্ফোরক অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি যখন নানা আলোচনা ও গুঞ্জনের জন্ম দিচ্ছে, ঠিক তখনই আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে তড়িঘড়ি করে দাফনের সিদ্ধান্ত আর সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
সোহাগ উত্তরাঞ্চলের জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ‘তালেব ভাইজান’ খ্যাত তালেব আলীর ভাতিজা হিসেবে পরিচিত। ঘটনা সম্পর্কে চাচা তালেব আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে স্পষ্টভাবেই এই পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে রাখেন। নিরপেক্ষ অবস্থান ব্যক্ত করে তিনি জানান, সোহাগের পরিবারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত বা আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং এ নিয়ে পরিবারের কাউকে প্রশ্নও করেননি।
বিষয়টির সুরাহা ও সার্বিক বিষয়ে জানতে সোহাগের বড় চাচার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোনে কোনো বক্তব্য বা মন্তব্য দিতে রাজি হননি। ফোনে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও তথ্য প্রদানের জন্য
জাতীয় দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির প্রতিনিধি (আল মিজান কে ) সরাসরি দেখা করতে হবে তাবেই না তিনি বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
স্ত্রীকে নিয়ে আত্মহত্যার আগের চাঞ্চল্যকর দাবিগুলো যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেখানে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করা এবং পরিবারের প্রধান অভিভাবকদের ফোনে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করা—পুরো বিষয়টিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।
স্বজনরা কি পারিবারিক সম্মান রক্ষায় নীরবতা অবলম্বন করছেন.? নাকি কোনো জটিল চাপের কারণে প্রথাগত আইনি তদন্ত এড়িয়ে গেছেন—তা নিয়ে প্রশ্ন। সোহাগের বড় চাচার সঙ্গে প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎকার এবং থানা পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই মৃত্যুর পেছনের আসল চিত্র প্রকাশ্যে আসতে পারে।