ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুরে ২১টি পুরাতন ভবনের নিলামে প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের দুর্নীতি

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মিরপুর হাউজিং এস্টেটের ১৪ নম্বর সেকশনে অবস্থিত ২১টি চারতলা পুরাতন ভবনের নিলামকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মিরপুর গৃহসংস্থান বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনকারী দলিল হোসেনের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ৯ জুলাই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও একই দিন সকাল ১১টার মধ্যেই নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার আগ্রহী ব্যবসায়ীরা নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। তার দাবি, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ২১টি ভবনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি টাকা হলেও সেগুলো মাত্র আড়াই কোটি টাকায় নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন। অভিযোগকারী দাবি করেন, এ তথ্য সঠিক হলে সরকার প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ ঘটনায় নিলাম প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগকারী পুরো নিলাম বাতিল করে পুনরায় উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতে নিলাম আয়োজনের দাবি জানান।
একই সঙ্গে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে ২১টি পুরাতন ভবনের নিলামে প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের দুর্নীতি

আপডেট সময় ০৫:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মিরপুর হাউজিং এস্টেটের ১৪ নম্বর সেকশনে অবস্থিত ২১টি চারতলা পুরাতন ভবনের নিলামকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মিরপুর গৃহসংস্থান বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনকারী দলিল হোসেনের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ৯ জুলাই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও একই দিন সকাল ১১টার মধ্যেই নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার আগ্রহী ব্যবসায়ীরা নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। তার দাবি, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ২১টি ভবনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি টাকা হলেও সেগুলো মাত্র আড়াই কোটি টাকায় নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন। অভিযোগকারী দাবি করেন, এ তথ্য সঠিক হলে সরকার প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ ঘটনায় নিলাম প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগকারী পুরো নিলাম বাতিল করে পুনরায় উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতে নিলাম আয়োজনের দাবি জানান।
একই সঙ্গে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।