ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ৫০ ভিক্ষুক পরিবারের পুনর্বাসনে ২৪ লাখ টাকার বকনা গরু বিতরণ জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার ফেনী পাসপোর্ট অফিসের এডি জাহাঙ্গীরকে ঘিরে দালাল সিন্ডিকেটের অভিযোগ সিলেটে দল বদলেছে, দখল বদলায়নি; চাঁদাবাজি চলছে আগের মতোই ডিএনসিসি প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ এর এমপির ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ রায়পুরায় মোমেন মিয়া কে গুলি করে হত্যা, আহত ৩ বরগুনায় ডিবির অভিযানে ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- নিজে আমল না করে অন্যকে উপদেশ দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গর্হিত কাজ। যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না। ইসলামে কথা ও কাজের মিল থাকা মুমিনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। আমরা অনেক সময় অন্যকে ভালো কাজের পরামর্শ দেই, কিন্তু নিজের জীবনে তার প্রতিফলন থাকে না। এই দ্বিমুখী আচরণ শুধু সামাজিকভাবেই লজ্জাজনক নয়, বরং মহান আল্লাহর কাছেও অত্যন্ত অপছন্দনীয় এবং নিজের আমলশূন্য উপদেশ আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়।

পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- আপনি যদি নিজে মিথ্যা বলেন আর অন্যকে সত্য বলতে উৎসাহিত করেন, তবে আপনার কথা কারো হৃদয়ে স্পর্শ করবে না। উপদেশের কার্যকারিতা নির্ভর করে ব্যক্তির ‘ইখলাস’ বা নিষ্ঠার ওপর। যখন কেউ নিজে আমল করে অন্যকে বলে, তখন সেই কথার মধ্যে এক ধরণের তা’ছীর তথা প্রভাব তৈরি হয়। আবার অন্যকে সংশোধন করার আগে নিজের নফস বা আত্মাকে সংশোধন করা জরুরি। আপনি যখন কোনো একটি ভালো কাজ নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করবেন, তখন সেটি নিয়ে অন্যকে বলার এক ধরণের নৈতিক সাহস ও অধিকার আপনার তৈরি হবে। এসবের মূল কারণ হলো আমাদের কথা ও কাজের অমিল। তাই আসুন, আমরা অন্যকে কোনো ভালো কাজের বা নেক আমলের কথা অথবা দাওয়াত দেওয়ার আগে সেটি নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করি।

১০ মে রবিবার রাজধানী ঢাকার অদূরে তুরাগ থানাধীন নিশাতনগর ভাটুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়েজিত ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলেচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

বাদ আছর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না

আপডেট সময় ০৭:২২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- নিজে আমল না করে অন্যকে উপদেশ দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গর্হিত কাজ। যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না। ইসলামে কথা ও কাজের মিল থাকা মুমিনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। আমরা অনেক সময় অন্যকে ভালো কাজের পরামর্শ দেই, কিন্তু নিজের জীবনে তার প্রতিফলন থাকে না। এই দ্বিমুখী আচরণ শুধু সামাজিকভাবেই লজ্জাজনক নয়, বরং মহান আল্লাহর কাছেও অত্যন্ত অপছন্দনীয় এবং নিজের আমলশূন্য উপদেশ আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়।

পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- আপনি যদি নিজে মিথ্যা বলেন আর অন্যকে সত্য বলতে উৎসাহিত করেন, তবে আপনার কথা কারো হৃদয়ে স্পর্শ করবে না। উপদেশের কার্যকারিতা নির্ভর করে ব্যক্তির ‘ইখলাস’ বা নিষ্ঠার ওপর। যখন কেউ নিজে আমল করে অন্যকে বলে, তখন সেই কথার মধ্যে এক ধরণের তা’ছীর তথা প্রভাব তৈরি হয়। আবার অন্যকে সংশোধন করার আগে নিজের নফস বা আত্মাকে সংশোধন করা জরুরি। আপনি যখন কোনো একটি ভালো কাজ নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করবেন, তখন সেটি নিয়ে অন্যকে বলার এক ধরণের নৈতিক সাহস ও অধিকার আপনার তৈরি হবে। এসবের মূল কারণ হলো আমাদের কথা ও কাজের অমিল। তাই আসুন, আমরা অন্যকে কোনো ভালো কাজের বা নেক আমলের কথা অথবা দাওয়াত দেওয়ার আগে সেটি নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করি।

১০ মে রবিবার রাজধানী ঢাকার অদূরে তুরাগ থানাধীন নিশাতনগর ভাটুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়েজিত ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলেচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

বাদ আছর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।