ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৫ সন্ত্রাসী নিহত জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের সম্পদের হিসাব চায় দুদক কমলনগরে টর্চের আলোয় চলছে চিকিৎসাসেবা, বন্ধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ভারতের কাছে ১১৪ রানে হার, ৮১ রানেই অলআউট বাংলাদেশ নড়াইলে আদালতে হাজিরা দিতে এসে অস্ত্রসহ ১১ জন আটক ইবনে সিনা ফার্মা এমডির বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে হত্যা, পুরো ঘটনার বর্ণনা পুলিশ সুপার শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মোটরসাইকেল জব্দ, পালাল মাদক কারবারি বড়লেখার পিআইও মিজানুরের বিরুদ্ধে ১২% কমিশনের অভিযোগ, বাদ যায়নি মসজিদ-মন্দিরও ৬০০ কোটি টাকার জমি ৭১ লাখে! তেজগাঁওয়ের দুই প্লট ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ

যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- নিজে আমল না করে অন্যকে উপদেশ দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গর্হিত কাজ। যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না। ইসলামে কথা ও কাজের মিল থাকা মুমিনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। আমরা অনেক সময় অন্যকে ভালো কাজের পরামর্শ দেই, কিন্তু নিজের জীবনে তার প্রতিফলন থাকে না। এই দ্বিমুখী আচরণ শুধু সামাজিকভাবেই লজ্জাজনক নয়, বরং মহান আল্লাহর কাছেও অত্যন্ত অপছন্দনীয় এবং নিজের আমলশূন্য উপদেশ আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়।

পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- আপনি যদি নিজে মিথ্যা বলেন আর অন্যকে সত্য বলতে উৎসাহিত করেন, তবে আপনার কথা কারো হৃদয়ে স্পর্শ করবে না। উপদেশের কার্যকারিতা নির্ভর করে ব্যক্তির ‘ইখলাস’ বা নিষ্ঠার ওপর। যখন কেউ নিজে আমল করে অন্যকে বলে, তখন সেই কথার মধ্যে এক ধরণের তা’ছীর তথা প্রভাব তৈরি হয়। আবার অন্যকে সংশোধন করার আগে নিজের নফস বা আত্মাকে সংশোধন করা জরুরি। আপনি যখন কোনো একটি ভালো কাজ নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করবেন, তখন সেটি নিয়ে অন্যকে বলার এক ধরণের নৈতিক সাহস ও অধিকার আপনার তৈরি হবে। এসবের মূল কারণ হলো আমাদের কথা ও কাজের অমিল। তাই আসুন, আমরা অন্যকে কোনো ভালো কাজের বা নেক আমলের কথা অথবা দাওয়াত দেওয়ার আগে সেটি নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করি।

১০ মে রবিবার রাজধানী ঢাকার অদূরে তুরাগ থানাধীন নিশাতনগর ভাটুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়েজিত ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলেচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

বাদ আছর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৫ সন্ত্রাসী নিহত

যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না

আপডেট সময় ০৭:২২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- নিজে আমল না করে অন্যকে উপদেশ দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গর্হিত কাজ। যে আমল আপনার ভিতরে নাই, সে আমল অন্য কাউকে করতে বলবেন না। ইসলামে কথা ও কাজের মিল থাকা মুমিনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। আমরা অনেক সময় অন্যকে ভালো কাজের পরামর্শ দেই, কিন্তু নিজের জীবনে তার প্রতিফলন থাকে না। এই দ্বিমুখী আচরণ শুধু সামাজিকভাবেই লজ্জাজনক নয়, বরং মহান আল্লাহর কাছেও অত্যন্ত অপছন্দনীয় এবং নিজের আমলশূন্য উপদেশ আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়।

পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- আপনি যদি নিজে মিথ্যা বলেন আর অন্যকে সত্য বলতে উৎসাহিত করেন, তবে আপনার কথা কারো হৃদয়ে স্পর্শ করবে না। উপদেশের কার্যকারিতা নির্ভর করে ব্যক্তির ‘ইখলাস’ বা নিষ্ঠার ওপর। যখন কেউ নিজে আমল করে অন্যকে বলে, তখন সেই কথার মধ্যে এক ধরণের তা’ছীর তথা প্রভাব তৈরি হয়। আবার অন্যকে সংশোধন করার আগে নিজের নফস বা আত্মাকে সংশোধন করা জরুরি। আপনি যখন কোনো একটি ভালো কাজ নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করবেন, তখন সেটি নিয়ে অন্যকে বলার এক ধরণের নৈতিক সাহস ও অধিকার আপনার তৈরি হবে। এসবের মূল কারণ হলো আমাদের কথা ও কাজের অমিল। তাই আসুন, আমরা অন্যকে কোনো ভালো কাজের বা নেক আমলের কথা অথবা দাওয়াত দেওয়ার আগে সেটি নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করি।

১০ মে রবিবার রাজধানী ঢাকার অদূরে তুরাগ থানাধীন নিশাতনগর ভাটুলিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়েজিত ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলেচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

বাদ আছর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।