সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

হজে যাওয়া যাবে না যেসব রোগ নিয়ে

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কড়া নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা গুরুতর শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন, তারা এ বছর হজের পারমিট বা অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের জন্য বেশ কিছু টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, হজের কঠিন আনুষ্ঠানিকতা পালনে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম হতে পারেন, তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, যেসব শারীরিক অবস্থায় এবার হজ করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে, ১. কিডনির জটিলতা বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন অবস্থা। ২. হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ডের গুরুতর সমস্যা। ৩. লিভার সিরোসিস। ৪. জটিল মানসিক রোগ এবং স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া। ৫. বার্ধক্যজনিত চরম শারীরিক দুর্বলতা। ৬. অন্তঃসত্ত্বা নারী, যাদের গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাস চলছে।

কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, হজযাত্রীদের অবশ্যই এমন সুস্থ অবস্থায় থাকতে হবে যাতে তারা হজের প্রতিটি রোকন বা নিয়ম কোনো বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারেন।

স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, সব হজযাত্রীকে হজের অন্তত ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিস রোগের টিকা নিতে হবে। এ ছাড়া যারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন যেমন বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত রোগী এবং অন্তঃসত্ত্বা নারী তাদের জন্য করোনা ও সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যদি কারও আগের টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে থাকে তবে তাকে পুনরায় আপডেট ডোজ গ্রহণ করতে হবে। মূলত বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এবং পবিত্র মক্কায় সমবেত লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সৌদি সরকার প্রতি বছর এমন কঠোর স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করে থাকে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

হজে যাওয়া যাবে না যেসব রোগ নিয়ে

আপডেট সময় ০১:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কড়া নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা গুরুতর শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন, তারা এ বছর হজের পারমিট বা অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের জন্য বেশ কিছু টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, হজের কঠিন আনুষ্ঠানিকতা পালনে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম হতে পারেন, তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, যেসব শারীরিক অবস্থায় এবার হজ করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে, ১. কিডনির জটিলতা বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন অবস্থা। ২. হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ডের গুরুতর সমস্যা। ৩. লিভার সিরোসিস। ৪. জটিল মানসিক রোগ এবং স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া। ৫. বার্ধক্যজনিত চরম শারীরিক দুর্বলতা। ৬. অন্তঃসত্ত্বা নারী, যাদের গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাস চলছে।

কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, হজযাত্রীদের অবশ্যই এমন সুস্থ অবস্থায় থাকতে হবে যাতে তারা হজের প্রতিটি রোকন বা নিয়ম কোনো বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারেন।

স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, সব হজযাত্রীকে হজের অন্তত ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিস রোগের টিকা নিতে হবে। এ ছাড়া যারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন যেমন বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত রোগী এবং অন্তঃসত্ত্বা নারী তাদের জন্য করোনা ও সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যদি কারও আগের টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে থাকে তবে তাকে পুনরায় আপডেট ডোজ গ্রহণ করতে হবে। মূলত বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এবং পবিত্র মক্কায় সমবেত লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সৌদি সরকার প্রতি বছর এমন কঠোর স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করে থাকে।