ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বুমরাহ’র সবচেয়ে বাজে আইপিএল আসর, কারণ খুঁজছেন বিশ্লেষকরা পুরোনো ছবি দিয়ে অপপ্রচার, বাস্তবে ডুবে যায়নি চট্টগ্রাম: প্রতিমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলামে সংশোধন আনা হচ্ছে : ভিসি শেয়ার বাজারের ১ লাখ কোটি টাকা লুটকারীদের জবাবদিহি চান রুমিন ফারহানা ‘সব পরিস্থিতির মধ্যে ভালোটা খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করি’ ড্রেসিংরুমে ধূমপান করায় ভারতীয় ক্রিকেটারকে শাস্তি মালয়েশিয়ায় সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ বাড়লো ১ বছর ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপি নেতা স্ত্রীসহ ঢাকায় গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা সেতুতে টোল ফ্রি করার দাবীতে মানববন্ধন কালিয়াকৈরে তেল পাম্পে অনিয়ম, ভোগান্তিতে মানুষ

সুনামগঞ্জে রোদের দেখা মিললেও হাওরে কাটেনি বন্যার শঙ্কা

সুনামগঞ্জে প্রায় ৪ দিন পর সূর্যের দেখা পাওয়া গেছে। তবে এখন বন্যার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে বন্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

করচার হাওর, দেখার হাওরসহ বেশ কয়েকটি হাওরে সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে আকাশ মেঘলা থাকলেও বেলা ১১টা থেকে এই রোদের দেখা মিলেছে। আর সেই সুযোগে কাটা ধান শুকানোর চেষ্টা করছেন ‍কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি জমি থেকে যে ধান ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে কৃষকরা কেটে ঘরে তুলতে পারেননি সেগুলোও দ্রুত কেটে ঘরে তুলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

করচার হাওরের কৃষাণী মায়া বেগম বলেন, ৪ দিন পর রোদের দেখা মিলেছে তাই দ্রুত ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করছি।

হাওরের আরেকজন কৃষক মনির মিয়া বলেন, এক সপ্তাহ যদি রোদ থাকে তাহলে ধান শুকিয়ে ঘরে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি বাকি ধানগুলোও কাটা সম্ভব হবে।

দেখার হাওরের কৃষক শাহিন বলেন, রোদের দেখা পেয়ে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে হাওর এলাকায়। তাই যে ধানগুলো ঘরে তুলেছিলাম সেগুলো দ্রুত শুকিয়ে ঘরে তুলছি।

সুনামগঞ্জে রোদের দেখা মিললেও হাওরে কাটেনি বন্যার শঙ্কা

তবে এই জেলার রোদের দেখা মিললেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে এখনও বন্যার শঙ্কা কাটেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার বেড়েছে। ফলে বর্তমানে এ নদীর পানি ১.৬৯ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বুধবার এই জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবারে সেটি অনেকটা কমেছে। তবে বৃষ্টিপাত কিংবা নদীর পানি ধীর গতিতে বাড়লেও এই জেলায় এখনও বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, এই মুহূর্তে জেলায় রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ। তবে সেটা কতক্ষণ থাকবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে এখনও বৃষ্টিপাতের শঙ্কা আছে ও ভারতের মেঘালয়েও বৃষ্টি হবে। এতে নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুমরাহ’র সবচেয়ে বাজে আইপিএল আসর, কারণ খুঁজছেন বিশ্লেষকরা

সুনামগঞ্জে রোদের দেখা মিললেও হাওরে কাটেনি বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় ০২:১৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জে প্রায় ৪ দিন পর সূর্যের দেখা পাওয়া গেছে। তবে এখন বন্যার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে বন্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

করচার হাওর, দেখার হাওরসহ বেশ কয়েকটি হাওরে সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে আকাশ মেঘলা থাকলেও বেলা ১১টা থেকে এই রোদের দেখা মিলেছে। আর সেই সুযোগে কাটা ধান শুকানোর চেষ্টা করছেন ‍কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি জমি থেকে যে ধান ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে কৃষকরা কেটে ঘরে তুলতে পারেননি সেগুলোও দ্রুত কেটে ঘরে তুলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

করচার হাওরের কৃষাণী মায়া বেগম বলেন, ৪ দিন পর রোদের দেখা মিলেছে তাই দ্রুত ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করছি।

হাওরের আরেকজন কৃষক মনির মিয়া বলেন, এক সপ্তাহ যদি রোদ থাকে তাহলে ধান শুকিয়ে ঘরে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি বাকি ধানগুলোও কাটা সম্ভব হবে।

দেখার হাওরের কৃষক শাহিন বলেন, রোদের দেখা পেয়ে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে হাওর এলাকায়। তাই যে ধানগুলো ঘরে তুলেছিলাম সেগুলো দ্রুত শুকিয়ে ঘরে তুলছি।

সুনামগঞ্জে রোদের দেখা মিললেও হাওরে কাটেনি বন্যার শঙ্কা

তবে এই জেলার রোদের দেখা মিললেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে এখনও বন্যার শঙ্কা কাটেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার বেড়েছে। ফলে বর্তমানে এ নদীর পানি ১.৬৯ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বুধবার এই জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবারে সেটি অনেকটা কমেছে। তবে বৃষ্টিপাত কিংবা নদীর পানি ধীর গতিতে বাড়লেও এই জেলায় এখনও বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, এই মুহূর্তে জেলায় রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ। তবে সেটা কতক্ষণ থাকবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে এখনও বৃষ্টিপাতের শঙ্কা আছে ও ভারতের মেঘালয়েও বৃষ্টি হবে। এতে নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।