প্রথমে জিম্বাবুয়ে, এরপর শ্রীলঙ্কা। দল দুটির কাছে টানা পরাজয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে অস্ট্রেলিয়া। মানসিকভাবে তারা বিধ্বস্ত ও মর্মাহত। ম্যাচের পর অধিনায়ক মিচেল মার্শ বললেন, অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্য এখন ঈশ্বরের হাতে।
পাল্লেকেলেতে ১৮ ওভারে শ্রীলঙ্কা ১৮২ রানের লক্ষ্য পূরণ করে। এখন গ্রুপে জিম্বাবুয়ের বাকি দুটি ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের এবং সুপার এইটে ওঠার ক্ষীণ সম্ভাবনা টিকে রাখতে উড়িয়ে দিতে হবে ওমানকে। তাদের সামনে সমীকরণ— জিম্বাবুয়েকে আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা দুটি ম্যাচেই হারতে হবে। তারপর জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলতে হলে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকতে হবে। বর্তমানে জিম্বাবুয়ে ভালো অবস্থানে।
আট উইকেটে হারের পর অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মার্শ বললেন, ‘পুরো দলটি এখন বেশ বিধ্বস্ত। এটি একটি শোকাতুর দল এবং আমরা এখন ঈশ্বরের কোলে। এই মুহূর্তে ড্রেসিংরুমে অনেক আবেগ কাজ করছে। আমরা আমাদের সেরা ফর্মে ছিলাম না।’
জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ থাকবে মার্শদের, ‘আমি নিশ্চিত যে আমরা সবাই আগামীকালকের ম্যাচটি (জিম্বাবুয়ে বনাম আয়ারল্যান্ড) দেখব। সবাই একসাথে দেখব কি না তা সময়ই বলে দেবে। আপনারা কী বলেন? আইরিশদের ভাগ্য বলা যায়?’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আট ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯৭ রান করেছিল। কিন্তু বাকি ১২ ওভারের মধ্যে ১০ উইকেটের সবগুলো হারাল তারা। এই সময়ে তাদের রান রেট ছিল মাত্র সাত। তার আগে যেখানে ছিল ১২-এর বেশি। অস্ট্রেলিয়ার হারের জন্য এই সময়টুকুকে দায় দিলেন মার্শ।
তিনি বলেন, ‘সম্ভবত পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন না করতে পারাই আজ রাতে আমাদের ডুবিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এই পূর্ণ শক্তির ব্যাটিং লাইনে-আপে স্পিনের বিরুদ্ধে সেরা কিছু খেলোয়াড় রয়েছে। আমার মনে হয় শ্রীলঙ্কা চমৎকারভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিল এবং শুরুতে আমরা যে ছন্দ পেয়েছিলাম সেই তুলনায় শেষে আমাদের সংগ্রহ কিছুটা কম ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে যাওয়ার আগে সম্ভবত আমাদের ওই রানগুলোর প্রয়োজন ছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে আমরা কাজটা শেষ করতে পারব, কিন্তু আমরা তাদের কাছে পরাস্ত হয়েছি।’
নিজেদের ব্যর্থতা নিয়ে মার্শের কথা, ‘আমি মনে করি আমরা কখনোই জানতে পারব না যে ২২০ রান করলে কী হতো, তবে আমি আগেই বলেছি, আমাদের কাছে একটি ভালো ভিত্তি ছিল। কিন্তু ইনিংসের শেষ দিকে আমরা তা কাজে লাগাতে পারিনি। আমি জানি যে এই কন্ডিশনে পার্টনারশিপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদ্বোধনী জুটি ছাড়া, আমরা ইনিংসটিকে পুনরায় এগিয়ে নেওয়ার জন্য আর কোনো জুটি তৈরি করতে পারিনি।’
ক্রীড়া প্রতিবেদক 
























