ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ নেত্রকোণায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ২০ জঙ্গলে ২৭ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরলেন নি‌খোঁজ মালয়েশিয়া প্রবাসী উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭ এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ সদস্য হলেন ২ এমপি গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী পটুয়াখালীতে এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় ৫৩৩ জন অনুপস্থিত বাংলাদেশি জাহাজকে কেন হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না ইরান? অপতথ্যের বিস্তার রোধে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূ‌তের ১০০ দিন : বাণিজ্য চুক্তিকে বললেন ‘ঐতিহাসিক’

ডিএসসিসি’র দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী

পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগি ও পলাতক সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ সহোচর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা(ডিসিআরও) শাহজাহান আলী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও দাপটের সাথে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
পলাতক সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে ডিএসসিসিতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানাভাবে লুটপাট করেছেন শাহজাহান আলী। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবার তাকে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর কর পরীবিক্ষণ শাখায় উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার (চ. দা.) দায়িত্ব দেওয়া হয়। অথচ ২০২২ সাল থেকেই তিনি এই পদবি ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কাছ থেকে আর্থিকসহ নানা অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। নিজের ইচ্ছামতো কর নির্ধারণ করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন।
মাসে শাহজাহান আলী’র সর্বসাকুল্যে বেতন ৯৫ হাজার ৯৩৫ টাকা। বেতনের থেকে ব্যাংকের কিস্তি জমা দেন বেশি। সাথে বাড়ির কেয়ারটেকার,গাড়িচালকদের বেতন ও মেইনটেইন্যান্স খরচ তো আছেই। সম্প্রতি শাহজাহান আলী তার বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রী সাবিয়া সুলতানা মলিকে মূল্যবান হীরার নেকলেস ও আংটি উপহার দেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর আর্মি গলফ ক্লাবে মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করেছেন।
রাজধানীর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৯ নম্বর রোডের ৯৭ নম্বরে ৩ কাঠার প্লটটি ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শাহজাহান আলী ও তার স্ত্রীর নামে দলিল রেজিস্ট্রি হয়। দলিলে রেজিস্ট্রি খরচ কমাতে ও আইনি ঝামেলা এড়াতে ৩ কাঠা জমির মূল্য মাত্র ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা দেখানো হয়। তবে সেখানে স্থানীয়ভাবে প্রতি কাঠা জমির দাম প্রায় কোটি টাকা। এই জমিতে নির্মাণ করেন ৭ তলা বাড়ি। এরমধ্যে তৃতীয় এবং চতুর্থ তলা ডুপ্লেক্স। তথ্য বলছে, বৃহৎ এই বাড়িটির জন্য শাহজাহান আলী বছরে হোল্ডিং ট্যাক্স দেন মাত্র ৩৩ হাজার টাকা। এছাড়াও শাহজাহান আলীর রয়েছে দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি।
উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা পদবি দেখে অনেকে তার কাছে অবৈধ কর সুবিধা নিতেন। তদবির করতেন বিভিন্ন কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠানের মালিক বা প্রতিনিধিরা। এভাবেই তিনি বাটা সু কোম্পানিতে প্রশাসন শাখায় নিজের মেয়েকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। তা ছাড়া শাহ সিমেন্ট কোম্পানিকে অনেকদিন আগে কর প্রদানের চিঠি দিলেও কোম্পানিটির কর ফাইল এখনো খোলা হয়নি।
মো. শাহজাহান আলী ডিএসসিসির অঞ্চল-২-এ কর কর্মকর্তা থাকাকালে রাজস্ব বিভাগের মাস্টার রোলে (দক্ষ) কাজ করা এক সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিয়ের জন্য শাহজাহান আলীকে চাপ দিতে থাকেন। শাহজাহান আলী বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে ওই নারী ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ শাহজাহান আলীকে বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান অঞ্চল-২ এর তৎকালীন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু নঈম তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ মে মো. শাহজাহান আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে অভিযোগনামা দাখিল করেন। এরপর শাহজাহান আলী মেয়র তাপসের এক দেহরক্ষীসহ বিভিন্ন লোকজন দিয়ে ওই নারীকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। একপর্যায়ে গর্ভে থাকা ভ্রূণ নষ্ট করে ওই নারী নিজের দোষ স্বীকার করে ২০১৭ সালের ১৮ অক্টোবর তিনশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আপসনামায় স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হন। এরপর ২০১৮ সালের ১১ জুলাই আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করে ডিএসসিসি। নতুন তদন্তে শাহজাহান আলীকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়। মেয়র তাপসের প্রভাব খাটিয়ে উল্টো ওই নারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এছাড়া, ডিএসসিসির একাধিক নারী কর্মকর্তার সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাবেক মেয়র তাপসের সঙ্গে যোগসাজশ করে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন শাহজাহান আলী। তাপস আদালতের আদেশের তোয়াক্কা না করে তাকে পদোন্নতি দিয়ে প্রথমে রাজস্ব কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব দেন। তবে পদোন্নতি হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত করা হয়। উচ্চ আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে ডিএসসিসি আপিল করে। আপিল আদালতও হাইকোর্টের স্থগিতের আদেশ বহাল রাখেন। এরপর ডিএসসিসি সুপিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করলে সেখানেও আগের আদালতের স্থগিত আদেশ বহাল রাখা হয়। তবে আদালতের এসব আদেশ উপেক্ষা করে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ মো. শাহজাহান আলীকে দুই দফা পদোন্নতি দেয়।
শাহজাহান আলীর দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর ও ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর দুটি নোটিশ দেন। নোটিশে তার কর্মকালীন খিলগাঁও-বাসাবো-তিলপাপাড়া এবং কলাবাগান ও ধানমন্ডি এলাকার বিভিন্ন বাড়ি, প্রতিষ্ঠান এবং মার্কেটের দোকানের কর নির্ধারণ-সংক্রান্ত রেকর্ডপত্রের ছায়ালিপি চাওয়া হয়। পরে অদৃশ্য কারণে বিষয়টি সেখানেই থমকে যায়। শাহজাহান আলীর দুর্নীতির বিষয়টিও ধামাচাপা পড়ে যায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ

ডিএসসিসি’র দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী

আপডেট সময় ০৯:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগি ও পলাতক সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ সহোচর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা(ডিসিআরও) শাহজাহান আলী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও দাপটের সাথে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
পলাতক সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে ডিএসসিসিতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানাভাবে লুটপাট করেছেন শাহজাহান আলী। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবার তাকে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর কর পরীবিক্ষণ শাখায় উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার (চ. দা.) দায়িত্ব দেওয়া হয়। অথচ ২০২২ সাল থেকেই তিনি এই পদবি ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কাছ থেকে আর্থিকসহ নানা অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। নিজের ইচ্ছামতো কর নির্ধারণ করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন।
মাসে শাহজাহান আলী’র সর্বসাকুল্যে বেতন ৯৫ হাজার ৯৩৫ টাকা। বেতনের থেকে ব্যাংকের কিস্তি জমা দেন বেশি। সাথে বাড়ির কেয়ারটেকার,গাড়িচালকদের বেতন ও মেইনটেইন্যান্স খরচ তো আছেই। সম্প্রতি শাহজাহান আলী তার বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রী সাবিয়া সুলতানা মলিকে মূল্যবান হীরার নেকলেস ও আংটি উপহার দেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর আর্মি গলফ ক্লাবে মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করেছেন।
রাজধানীর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৯ নম্বর রোডের ৯৭ নম্বরে ৩ কাঠার প্লটটি ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শাহজাহান আলী ও তার স্ত্রীর নামে দলিল রেজিস্ট্রি হয়। দলিলে রেজিস্ট্রি খরচ কমাতে ও আইনি ঝামেলা এড়াতে ৩ কাঠা জমির মূল্য মাত্র ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা দেখানো হয়। তবে সেখানে স্থানীয়ভাবে প্রতি কাঠা জমির দাম প্রায় কোটি টাকা। এই জমিতে নির্মাণ করেন ৭ তলা বাড়ি। এরমধ্যে তৃতীয় এবং চতুর্থ তলা ডুপ্লেক্স। তথ্য বলছে, বৃহৎ এই বাড়িটির জন্য শাহজাহান আলী বছরে হোল্ডিং ট্যাক্স দেন মাত্র ৩৩ হাজার টাকা। এছাড়াও শাহজাহান আলীর রয়েছে দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি।
উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা পদবি দেখে অনেকে তার কাছে অবৈধ কর সুবিধা নিতেন। তদবির করতেন বিভিন্ন কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠানের মালিক বা প্রতিনিধিরা। এভাবেই তিনি বাটা সু কোম্পানিতে প্রশাসন শাখায় নিজের মেয়েকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। তা ছাড়া শাহ সিমেন্ট কোম্পানিকে অনেকদিন আগে কর প্রদানের চিঠি দিলেও কোম্পানিটির কর ফাইল এখনো খোলা হয়নি।
মো. শাহজাহান আলী ডিএসসিসির অঞ্চল-২-এ কর কর্মকর্তা থাকাকালে রাজস্ব বিভাগের মাস্টার রোলে (দক্ষ) কাজ করা এক সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিয়ের জন্য শাহজাহান আলীকে চাপ দিতে থাকেন। শাহজাহান আলী বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে ওই নারী ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ শাহজাহান আলীকে বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান অঞ্চল-২ এর তৎকালীন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু নঈম তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ মে মো. শাহজাহান আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে অভিযোগনামা দাখিল করেন। এরপর শাহজাহান আলী মেয়র তাপসের এক দেহরক্ষীসহ বিভিন্ন লোকজন দিয়ে ওই নারীকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। একপর্যায়ে গর্ভে থাকা ভ্রূণ নষ্ট করে ওই নারী নিজের দোষ স্বীকার করে ২০১৭ সালের ১৮ অক্টোবর তিনশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আপসনামায় স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হন। এরপর ২০১৮ সালের ১১ জুলাই আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করে ডিএসসিসি। নতুন তদন্তে শাহজাহান আলীকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়। মেয়র তাপসের প্রভাব খাটিয়ে উল্টো ওই নারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এছাড়া, ডিএসসিসির একাধিক নারী কর্মকর্তার সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাবেক মেয়র তাপসের সঙ্গে যোগসাজশ করে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন শাহজাহান আলী। তাপস আদালতের আদেশের তোয়াক্কা না করে তাকে পদোন্নতি দিয়ে প্রথমে রাজস্ব কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব দেন। তবে পদোন্নতি হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত করা হয়। উচ্চ আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে ডিএসসিসি আপিল করে। আপিল আদালতও হাইকোর্টের স্থগিতের আদেশ বহাল রাখেন। এরপর ডিএসসিসি সুপিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করলে সেখানেও আগের আদালতের স্থগিত আদেশ বহাল রাখা হয়। তবে আদালতের এসব আদেশ উপেক্ষা করে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ মো. শাহজাহান আলীকে দুই দফা পদোন্নতি দেয়।
শাহজাহান আলীর দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর ও ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর দুটি নোটিশ দেন। নোটিশে তার কর্মকালীন খিলগাঁও-বাসাবো-তিলপাপাড়া এবং কলাবাগান ও ধানমন্ডি এলাকার বিভিন্ন বাড়ি, প্রতিষ্ঠান এবং মার্কেটের দোকানের কর নির্ধারণ-সংক্রান্ত রেকর্ডপত্রের ছায়ালিপি চাওয়া হয়। পরে অদৃশ্য কারণে বিষয়টি সেখানেই থমকে যায়। শাহজাহান আলীর দুর্নীতির বিষয়টিও ধামাচাপা পড়ে যায়।