ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭ এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ সদস্য হলেন ২ এমপি গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী পটুয়াখালীতে এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় ৫৩৩ জন অনুপস্থিত বাংলাদেশি জাহাজকে কেন হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না ইরান? অপতথ্যের বিস্তার রোধে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূ‌তের ১০০ দিন : বাণিজ্য চুক্তিকে বললেন ‘ঐতিহাসিক’ নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা, সিরাজগঞ্জে প্রভাষক সাময়িক বরখাস্ত ১৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস সাভারে খাদ্য অধিদপ্তরের ৩৬১ বস্তা চাল জব্দ, আটক ৩

মেহেরপুর সমবায় ব্যাংকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের দুর্নীতি অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা করছে তদন্ত কর্মকর্তারা

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৯:২২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৭৫ বার পড়া হয়েছে

মেয়েরপুর সমবায় ব্যাংকে আরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এস এম ফয়েজ মেহেরপুর সমবায় ব্যাংক লিঃ এর দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে গত ২৯/০৭/২০২৫ তারিখে যুগ্ম নিবন্ধক, সমবায় কার্যলয়, খুলনা বরাবর অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেহেরপুর জেলা সমবায় অফিসার মোঃ এনামুল কে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ এনামুল তার ও তার অফিণস্থ্য কর্মচারী মেহেরপুর সমবায় ব্যাংকে আরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান এর দূর্নীতি আড়াল করে অভিযোগকারীকে বেইতী করার পরিকল্পনা করেন। অভিযোগকারী বিষয়টা জানতে পেরে গত ০৪/০৯/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে আবারো যুগ্ম নিবন্ধক, সমবায় কার্যলয়, দুলনা বরাবর অভিযোগ করেন। দ্বিতীয় অভিযোগ করার পর খুলনা যুগ্ম নিবন্ধক, সমধায় কার্যলয়ের উপ নিবন্ধক (সমিতি ব্যবস্থাপনা), বন্দকার মনিরুল ইসলাম কে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেন। অদন্ত কর্মকর্তা ১৮/০৯/২০২৫ তারিখে মেহেরপুর জেলা সমবায় কার্যলয়ে বসে তদন্ত করার জন্য আসলেন বসলেন কিন্তু গল্প করে তদন্ত কর্মকর্তা চলেও গেলেন। কিন্তু ব্যাংকের দূর্নীতি অনিয়ম করা না করার বিষয়ে ব্যাংকে অরপ্রাপ্ত কর্মকর্তী নুরুজ্জামান কে কিছু না বলে খুনলায় চলে গেলেন। বিধি অনুযায়ী অভিযোগকারী তদন্ত কর্মকর্তা কে একটি লিখিত জবাব দেন। জবাবে অভিযোগকারী যে তথ্য প্রমাণ দিয়েছে সেই তথ্য প্রমাণ গুলো হুবুহু তুলে ধরা হলো। অভিযোগকারী তদন্ত কর্মকর্তা কে লিখিত ভাবে বলেন যে, আপনি তদন্ত করার জন্য মেহেরপুর জেলা সমবায় কার্যলয় স্থান নির্ধারণ করেছেন। যেখানে তদন্ত করার জন্য আসছেন ঐ স্থানে আমি স্বশরীলে উপস্থিত হইয়া প্রকৃত সত্য তথ্য প্রমাণাদি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে যাতে তুলে ধরতে না পারি এর জন্য মণ সৃষ্টি করার জন্য দূর্নীতি অনিয়মকারী ইউও/ ডিসিও পদলোভী কর্মকর্তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তাই স্বপরিরীলে উপস্থিত না হয়ে লিখিত তথ্য প্রমাণাদি তুলে ধরেন। মেহেরপুর সমবায় ব্যাংক লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং হলে সদস্যরা ৫০০ টাকা সম্মানি ও সর্বচ্চো ২০-৩০ টাকার নাস্তা বাবদ ব্যাংকের ফান্ড থেকে ব্যায় করে থাকে। একই সাথে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো প্রকার সম্মানি নেওয়া বা ব্যাংকে দেওয়ার বিধান না থাকলেও ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেনে বুঝে প্রতি মিটিং এ ১২০০-১৫০০ টাকা নাস্তার খ্যায় দেখিয়ে অনিয়ম করে ৫০০-১০০০ টাকা নিয়ে থাকে। প্রতিটা ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং এর ব্যায় বিবরণী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে নিলে এর সব তথ্য প্রমাণ পাবেন। আমি যতটুকু জানি বিধি মোতাবেক ব্যাংক ও কর্মকর্তা চাইলে এই অনিয়মটা করতে পারে না। মেহেরপুর সমবায় ব্যাংক লিঃ ১০৬ বছরের এই পুরোনো ব্যাংকটি পরিচালনা শুরু থেকে মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা, ৬ টি ইউনিয়ন, ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ‘ক’ ব্লকে মেহেরপুর সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরকার কর্তৃক ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকেন। এই বছরে ‘ক’ ব্লক থেকে নির্বাচিত ৩ জন ও সরকারি কর্মকর্তা ১ জন সহ মোট ৪ জন, এই ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকছেন। গাংনী উপজেলায় ১ টি ইউনিয়ন, ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ‘খ’ ব্লকে গাংনী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরকার কর্তৃক ব্যবস্থাপনা কমিটিতে একজন থাকেন। এই বছরে ‘খ’ ব্লক থেকে নির্বাচিত ১ জন ও সরকারি কর্মকর্তা ১ জন সহ মোট ২ জন নিয়ম অনুযায়ী থাকার কথা। ১০৬ বছরের পুরোনো নিয়মনীতি ভেঙ্গে গাংনী উপজেলার সরকারি কর্মকর্তার পরিবর্তে ‘ক’ ব্লকের মুজিবনগর উপজেলা সমবায় অফিসার কে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে আনার জন্য ‘ক’ বুক থেকে নির্বাচিত ব্যাংকের সভাপতি, সহ সভাপতি, একজন সদস্য, ব্যাংকের আরাপ্ত কর্মকর্তা ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা ওঠে পড়ে লেগেছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি করার। ক্ষেত্রে স্বজলপ্রীতি বরার বিষয় স্পষ্ট। মুজিবনগর সমবায় কর্মকর্তাকে ব্যাংকের সদস্য করার উদ্দেশ্য হলো উপরোক্ত ব্যাক্তিদের আত্মীয় ও দলীয় লোক। আগামী তে মার্কেট করার সময় দলীয় প্রভাব বিস্তার করে একক ভাবে দুর্নীতি অনিয়ম করার নীলনকশা তৈরি করছে। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তৈরি করা আরো অনিয়ম গুলো হলো ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন ও এজিএম হলে ডিসিও কে সন্তুষ্ট করার জন্য ১০-১৫টা খাবারের প্যাকেট দিয়ে থাকেন এতে ব্যাংকের ৩-৪ হাজার টাকা বাড়তি ব্যায় হয়ে থাকে। এজিএম এ প্রতিটা সমিতি থেকে ১জন সদস্য থাকার কথা থাকলেও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যারা আছেন তাদের সমিতি থেকে ২জন করে নিয়ে থাকেন। আমি যতটুকু জানি বিধি মোতাবেক ব্যাংক ও কর্মকর্তা চাইলে এই অনিয়মটা করতে পারে না। বিষয়টি ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন ও এজিএম এর ব্যায় বিবরণী ব্যাংক থেকে নিলে এর প্রমাণ পেয়ে যাবেন। কিছুদিন আগে নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে ভোটারদের নগদ ৫০০ টাকা ও ২৩০ টাকা খাবার বাবদে বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রতিটা ভোটার কে ৫০০ টাকা করে দিয়েছে কিন্তু অর্ধেক ভোটারদের খাবারের প্যাকেট দেয়নি। যে সব ভোটারদের খাবারের প্যাকেট দেয়নি ঐ সব ভোটারদের খাবারের টাকা ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৌশলে আসাত করেছে এবং পূর্বের মতো ডিসিও কে সন্তুষ্ট করার জন্য ১০-১৫টা খাবারের প্যাকেট দিয়েছে এতে ব্যাংকের ৩-৪ হাজার টাকা ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যায় হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তাকে লিখিত জবাব দিয়েছে। এরপরেও প্রদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত মেহেরপুর সমবায় ব্যাংকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তী নুরুজ্জামান কে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭

মেহেরপুর সমবায় ব্যাংকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের দুর্নীতি অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা করছে তদন্ত কর্মকর্তারা

আপডেট সময় ০৯:২২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মেয়েরপুর সমবায় ব্যাংকে আরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এস এম ফয়েজ মেহেরপুর সমবায় ব্যাংক লিঃ এর দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে গত ২৯/০৭/২০২৫ তারিখে যুগ্ম নিবন্ধক, সমবায় কার্যলয়, খুলনা বরাবর অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেহেরপুর জেলা সমবায় অফিসার মোঃ এনামুল কে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ এনামুল তার ও তার অফিণস্থ্য কর্মচারী মেহেরপুর সমবায় ব্যাংকে আরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান এর দূর্নীতি আড়াল করে অভিযোগকারীকে বেইতী করার পরিকল্পনা করেন। অভিযোগকারী বিষয়টা জানতে পেরে গত ০৪/০৯/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে আবারো যুগ্ম নিবন্ধক, সমবায় কার্যলয়, দুলনা বরাবর অভিযোগ করেন। দ্বিতীয় অভিযোগ করার পর খুলনা যুগ্ম নিবন্ধক, সমধায় কার্যলয়ের উপ নিবন্ধক (সমিতি ব্যবস্থাপনা), বন্দকার মনিরুল ইসলাম কে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেন। অদন্ত কর্মকর্তা ১৮/০৯/২০২৫ তারিখে মেহেরপুর জেলা সমবায় কার্যলয়ে বসে তদন্ত করার জন্য আসলেন বসলেন কিন্তু গল্প করে তদন্ত কর্মকর্তা চলেও গেলেন। কিন্তু ব্যাংকের দূর্নীতি অনিয়ম করা না করার বিষয়ে ব্যাংকে অরপ্রাপ্ত কর্মকর্তী নুরুজ্জামান কে কিছু না বলে খুনলায় চলে গেলেন। বিধি অনুযায়ী অভিযোগকারী তদন্ত কর্মকর্তা কে একটি লিখিত জবাব দেন। জবাবে অভিযোগকারী যে তথ্য প্রমাণ দিয়েছে সেই তথ্য প্রমাণ গুলো হুবুহু তুলে ধরা হলো। অভিযোগকারী তদন্ত কর্মকর্তা কে লিখিত ভাবে বলেন যে, আপনি তদন্ত করার জন্য মেহেরপুর জেলা সমবায় কার্যলয় স্থান নির্ধারণ করেছেন। যেখানে তদন্ত করার জন্য আসছেন ঐ স্থানে আমি স্বশরীলে উপস্থিত হইয়া প্রকৃত সত্য তথ্য প্রমাণাদি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে যাতে তুলে ধরতে না পারি এর জন্য মণ সৃষ্টি করার জন্য দূর্নীতি অনিয়মকারী ইউও/ ডিসিও পদলোভী কর্মকর্তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তাই স্বপরিরীলে উপস্থিত না হয়ে লিখিত তথ্য প্রমাণাদি তুলে ধরেন। মেহেরপুর সমবায় ব্যাংক লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং হলে সদস্যরা ৫০০ টাকা সম্মানি ও সর্বচ্চো ২০-৩০ টাকার নাস্তা বাবদ ব্যাংকের ফান্ড থেকে ব্যায় করে থাকে। একই সাথে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো প্রকার সম্মানি নেওয়া বা ব্যাংকে দেওয়ার বিধান না থাকলেও ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেনে বুঝে প্রতি মিটিং এ ১২০০-১৫০০ টাকা নাস্তার খ্যায় দেখিয়ে অনিয়ম করে ৫০০-১০০০ টাকা নিয়ে থাকে। প্রতিটা ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং এর ব্যায় বিবরণী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে নিলে এর সব তথ্য প্রমাণ পাবেন। আমি যতটুকু জানি বিধি মোতাবেক ব্যাংক ও কর্মকর্তা চাইলে এই অনিয়মটা করতে পারে না। মেহেরপুর সমবায় ব্যাংক লিঃ ১০৬ বছরের এই পুরোনো ব্যাংকটি পরিচালনা শুরু থেকে মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা, ৬ টি ইউনিয়ন, ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ‘ক’ ব্লকে মেহেরপুর সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরকার কর্তৃক ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকেন। এই বছরে ‘ক’ ব্লক থেকে নির্বাচিত ৩ জন ও সরকারি কর্মকর্তা ১ জন সহ মোট ৪ জন, এই ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকছেন। গাংনী উপজেলায় ১ টি ইউনিয়ন, ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ‘খ’ ব্লকে গাংনী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরকার কর্তৃক ব্যবস্থাপনা কমিটিতে একজন থাকেন। এই বছরে ‘খ’ ব্লক থেকে নির্বাচিত ১ জন ও সরকারি কর্মকর্তা ১ জন সহ মোট ২ জন নিয়ম অনুযায়ী থাকার কথা। ১০৬ বছরের পুরোনো নিয়মনীতি ভেঙ্গে গাংনী উপজেলার সরকারি কর্মকর্তার পরিবর্তে ‘ক’ ব্লকের মুজিবনগর উপজেলা সমবায় অফিসার কে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে আনার জন্য ‘ক’ বুক থেকে নির্বাচিত ব্যাংকের সভাপতি, সহ সভাপতি, একজন সদস্য, ব্যাংকের আরাপ্ত কর্মকর্তা ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা ওঠে পড়ে লেগেছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি করার। ক্ষেত্রে স্বজলপ্রীতি বরার বিষয় স্পষ্ট। মুজিবনগর সমবায় কর্মকর্তাকে ব্যাংকের সদস্য করার উদ্দেশ্য হলো উপরোক্ত ব্যাক্তিদের আত্মীয় ও দলীয় লোক। আগামী তে মার্কেট করার সময় দলীয় প্রভাব বিস্তার করে একক ভাবে দুর্নীতি অনিয়ম করার নীলনকশা তৈরি করছে। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তৈরি করা আরো অনিয়ম গুলো হলো ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন ও এজিএম হলে ডিসিও কে সন্তুষ্ট করার জন্য ১০-১৫টা খাবারের প্যাকেট দিয়ে থাকেন এতে ব্যাংকের ৩-৪ হাজার টাকা বাড়তি ব্যায় হয়ে থাকে। এজিএম এ প্রতিটা সমিতি থেকে ১জন সদস্য থাকার কথা থাকলেও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যারা আছেন তাদের সমিতি থেকে ২জন করে নিয়ে থাকেন। আমি যতটুকু জানি বিধি মোতাবেক ব্যাংক ও কর্মকর্তা চাইলে এই অনিয়মটা করতে পারে না। বিষয়টি ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন ও এজিএম এর ব্যায় বিবরণী ব্যাংক থেকে নিলে এর প্রমাণ পেয়ে যাবেন। কিছুদিন আগে নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে ভোটারদের নগদ ৫০০ টাকা ও ২৩০ টাকা খাবার বাবদে বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রতিটা ভোটার কে ৫০০ টাকা করে দিয়েছে কিন্তু অর্ধেক ভোটারদের খাবারের প্যাকেট দেয়নি। যে সব ভোটারদের খাবারের প্যাকেট দেয়নি ঐ সব ভোটারদের খাবারের টাকা ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৌশলে আসাত করেছে এবং পূর্বের মতো ডিসিও কে সন্তুষ্ট করার জন্য ১০-১৫টা খাবারের প্যাকেট দিয়েছে এতে ব্যাংকের ৩-৪ হাজার টাকা ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যায় হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তাকে লিখিত জবাব দিয়েছে। এরপরেও প্রদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত মেহেরপুর সমবায় ব্যাংকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তী নুরুজ্জামান কে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে।