ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

ঢাকা মেডিকেলের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে রোগী আহত

  • ঢামেক প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৮:০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদের একাংশের পলেস্তারা খসে পড়ে সালমা বেগম (৩৮) নামে এক রোগী আহত হয়েছেন। তিনি নাক কান গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত নারী সালমা বেগম বলেন, আমার কানের পর্দা ফেটে যায় গত মঙ্গলবার নাক কান গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হই। ওই ওয়ার্ডের সিট না থাকায় আমি বারান্দায় পাটি বিছিয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছিলাম। আজ সকালে হঠাৎ আমার ওপরে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়লে আমার ডান পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা পাই। আমাদের বাসা চকবাজার থানার নাজিম উদ্দিন রোড এলাকায়।

আহত সালমা বেগমের মেয়ে মনি বলেন, আমি সকালে খবর পাই আমার মায়ের ওপর ছাদের পলেস্তারা ভেঙে পড়ছে। আমার মা প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছেন।

পাশের বেডের রোগীর স্বজন ইয়াসিন আলী জানান, আমার বেডের পাশেই সালমা বেগম নামে ওই রোগী চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আমি সকালে ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে ওই নারী আহত হন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানান, সকালে আমি ডিউটিতে এসে দেখি ছাদের পলেস্তারা ভেঙে রোগীর ওপর পড়েছে। ওই রোগী পায়ে অনেক ব্যথা পেয়েছেন। এই ভবনটি ১৯৪৬ সালের তৈরি করা হয়েছে। এর আগেও এই ওয়ার্ডে রোগীর ওপরে পলেস্তারা ভেঙে পড়ে রোগী আহতের ঘটনা ঘটেছিল।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কেবিন ব্লকের ওয়ার্ড মাস্টার আব্দুল গফুর বলেন, ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডের নাক কান গলা বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খুলে পড়ে কেউ আহত হয়েছে কি-না বিষয়টি আমার জানা নেই।

ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিকার মুঠো ফোনে ফোন দিলেও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ফোন ধরেননি এবং তাকে মেসেজ দেওয়া হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

ঢাকা মেডিকেলের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে রোগী আহত

আপডেট সময় ০৮:০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদের একাংশের পলেস্তারা খসে পড়ে সালমা বেগম (৩৮) নামে এক রোগী আহত হয়েছেন। তিনি নাক কান গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত নারী সালমা বেগম বলেন, আমার কানের পর্দা ফেটে যায় গত মঙ্গলবার নাক কান গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হই। ওই ওয়ার্ডের সিট না থাকায় আমি বারান্দায় পাটি বিছিয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছিলাম। আজ সকালে হঠাৎ আমার ওপরে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়লে আমার ডান পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা পাই। আমাদের বাসা চকবাজার থানার নাজিম উদ্দিন রোড এলাকায়।

আহত সালমা বেগমের মেয়ে মনি বলেন, আমি সকালে খবর পাই আমার মায়ের ওপর ছাদের পলেস্তারা ভেঙে পড়ছে। আমার মা প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছেন।

পাশের বেডের রোগীর স্বজন ইয়াসিন আলী জানান, আমার বেডের পাশেই সালমা বেগম নামে ওই রোগী চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আমি সকালে ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে ওই নারী আহত হন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানান, সকালে আমি ডিউটিতে এসে দেখি ছাদের পলেস্তারা ভেঙে রোগীর ওপর পড়েছে। ওই রোগী পায়ে অনেক ব্যথা পেয়েছেন। এই ভবনটি ১৯৪৬ সালের তৈরি করা হয়েছে। এর আগেও এই ওয়ার্ডে রোগীর ওপরে পলেস্তারা ভেঙে পড়ে রোগী আহতের ঘটনা ঘটেছিল।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কেবিন ব্লকের ওয়ার্ড মাস্টার আব্দুল গফুর বলেন, ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডের নাক কান গলা বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খুলে পড়ে কেউ আহত হয়েছে কি-না বিষয়টি আমার জানা নেই।

ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিকার মুঠো ফোনে ফোন দিলেও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ফোন ধরেননি এবং তাকে মেসেজ দেওয়া হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।