ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘কোনো হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না। ‘১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠাণ্ডা’ এদিন আমরা ৫ আগস্টে শেষ করে এসেছি। বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছিল যার পিছনে যত গুন্ডা, সে তত বড় নেতা। কিন্তু নেতৃত্ব ব্যাপারটা ভিন্ন। হোন্ডা-গুন্ডা দিয়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সময় শেষ হয়ে গেছে। নেতৃত্ব তৈরি হবে নেতার গুণাবলি থেকে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এনসিপির ‘উঠানে নতুন সংবিধান’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবীদ্বার উপজেলার বড়কামতা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এনসিপি হল ইনসাফের পক্ষে। আপনি যদি ইনসাফের পক্ষে থাকেন তাহলে ধরে নিবো আপনি এনসিপির পক্ষের লোক। এসিপি করে বেইনসাফি কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এনসিপির নেতা হয়ে বেইনসাফি কাজ করে প্রোগ্রামে হাজার হাজার লোক নিয়ে আসেন সেটা আমাদের দরকার নেই।’

তিনি বলেন, ‘সত্যের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিটা গ্রাম মহল্লা ইউনিয়ন ভিত্তিক সবাইকে এক হয়ে অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। অবিচার অনাচারের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এনসিপি সর্বদা সত্যের পক্ষে আছে। আপনারা সত্যের পথে থাকলে ন্যায়ের পথে থাকলে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহ সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবো। অপরাধ করতে শক্তির প্রয়োজন। রাজনৈতিক ব্যাকআপ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নেতাকর্মীরা অপরাধী হয়ে ওঠে। গ্রাম পর্যায়ে মানুষজন যদি অন্যায়ের বিপক্ষে সংঘবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায় তখন অপরাধীরা আর সাহস পাবে না।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যারা অপরাধ দমন করবে তাদেরই অপরাধীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক। অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে থানায় যাবেন গিয়ে দেখবেন সেই অপরাধী পুলিশের সঙ্গে চা খায়। আপনি থানায় ঢুকতে পারবেন না। পুলিশের ও দোষ নেই, স্থানীয় এমপির কথা না শুনলে পুলিশকে খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি ট্রান্সফারের ভয় দেখায়।’

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক মো. আরমান হোসাইন, দেবীদ্বার উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী জামাল মোহাম্মদ কবিরসহ দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘কোনো হোন্ডা-গুণ্ডার রাজনীতি আর চলবে না। ‘১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠাণ্ডা’ এদিন আমরা ৫ আগস্টে শেষ করে এসেছি। বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছিল যার পিছনে যত গুন্ডা, সে তত বড় নেতা। কিন্তু নেতৃত্ব ব্যাপারটা ভিন্ন। হোন্ডা-গুন্ডা দিয়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সময় শেষ হয়ে গেছে। নেতৃত্ব তৈরি হবে নেতার গুণাবলি থেকে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এনসিপির ‘উঠানে নতুন সংবিধান’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবীদ্বার উপজেলার বড়কামতা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এনসিপি হল ইনসাফের পক্ষে। আপনি যদি ইনসাফের পক্ষে থাকেন তাহলে ধরে নিবো আপনি এনসিপির পক্ষের লোক। এসিপি করে বেইনসাফি কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এনসিপির নেতা হয়ে বেইনসাফি কাজ করে প্রোগ্রামে হাজার হাজার লোক নিয়ে আসেন সেটা আমাদের দরকার নেই।’

তিনি বলেন, ‘সত্যের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিটা গ্রাম মহল্লা ইউনিয়ন ভিত্তিক সবাইকে এক হয়ে অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। অবিচার অনাচারের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এনসিপি সর্বদা সত্যের পক্ষে আছে। আপনারা সত্যের পথে থাকলে ন্যায়ের পথে থাকলে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহ সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবো। অপরাধ করতে শক্তির প্রয়োজন। রাজনৈতিক ব্যাকআপ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নেতাকর্মীরা অপরাধী হয়ে ওঠে। গ্রাম পর্যায়ে মানুষজন যদি অন্যায়ের বিপক্ষে সংঘবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায় তখন অপরাধীরা আর সাহস পাবে না।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যারা অপরাধ দমন করবে তাদেরই অপরাধীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক। অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে থানায় যাবেন গিয়ে দেখবেন সেই অপরাধী পুলিশের সঙ্গে চা খায়। আপনি থানায় ঢুকতে পারবেন না। পুলিশের ও দোষ নেই, স্থানীয় এমপির কথা না শুনলে পুলিশকে খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি ট্রান্সফারের ভয় দেখায়।’

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক মো. আরমান হোসাইন, দেবীদ্বার উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী জামাল মোহাম্মদ কবিরসহ দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।