ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

গোয়ালন্দে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আরও ২ জন গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ইমাম মাহদি দাবি করা নুরুল হক ওরফে নুরু পাগলার দরবারে ভাঙচুরের সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত এই মামলার মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—গোয়ালন্দ উপজেলার দিরাজতূল্লাহ মৃধা ডাঙ্গী গ্রামের মৃত মকলেছুর রহমান মৃধার ছেলে মো. হায়াত আলী মৃধা (২৯) ও নতুন পাড়া (মাল্লাপট্টি) এলাকার মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার (২২)।

এ ছাড়া, এই মামলায় মো. শাফিন সরদার (১৮), উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ মৃধা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা, এনামুল হক জনি (৩২) ও কাজী অপুকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, পুলিশের ওপর হামল ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অজ্ঞাত ৩৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজ দুপুরে এই মামলার দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে, গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত এই মামলার মোট সাতজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কাজী অপু পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, মাজার ভাঙচুর ও মরদেহ উত্তলনের বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাতে পুলিশের সরকারি কাজে বাঁধা, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বাদি হয়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নুরাল পাগলার দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় নুরাল পাগলার ভক্তদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয় হামলাকারীরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

গোয়ালন্দে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আরও ২ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৩০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ইমাম মাহদি দাবি করা নুরুল হক ওরফে নুরু পাগলার দরবারে ভাঙচুরের সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত এই মামলার মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—গোয়ালন্দ উপজেলার দিরাজতূল্লাহ মৃধা ডাঙ্গী গ্রামের মৃত মকলেছুর রহমান মৃধার ছেলে মো. হায়াত আলী মৃধা (২৯) ও নতুন পাড়া (মাল্লাপট্টি) এলাকার মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার (২২)।

এ ছাড়া, এই মামলায় মো. শাফিন সরদার (১৮), উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ মৃধা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা, এনামুল হক জনি (৩২) ও কাজী অপুকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, পুলিশের ওপর হামল ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অজ্ঞাত ৩৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজ দুপুরে এই মামলার দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে, গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত এই মামলার মোট সাতজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কাজী অপু পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, মাজার ভাঙচুর ও মরদেহ উত্তলনের বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাতে পুলিশের সরকারি কাজে বাঁধা, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বাদি হয়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নুরাল পাগলার দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় নুরাল পাগলার ভক্তদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয় হামলাকারীরা।