ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

এনজিও কর্মকর্তাকে ডেকে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রণজিৎ চন্দ্র বর্মন নামের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের (এসএফডিএফ) এক ম্যানেজারকে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামি দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সরিষাবাড়ী কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার দুজন হলেন- অনুপমা সূত্রধর ও তার ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকার।

মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী রণজিৎ চন্দ্র বর্মন বলেন, শুক্রবার সকালে অনুপমা সূত্রধর আমাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন অনুপমা, তার স্বামী ও ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকারসহ আরও কয়েকজন। তাদের বাড়িতে পৌঁছামাত্রই আমাকে ঘরের ভেতরে আটকে ফেলে তারা। এরপর হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ লাগিয়ে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় এবং ধারালো দা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে আমাকে উলঙ্গ করে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং পায়ুপথে মরিচের গুঁড়ো ঢুকিয়ে অমানবিক নির্যাতন করে তারা। নির্যাতনকারীরা আমার পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী রণজিৎ-এর স্ত্রী পুলিশকে খবর দিলে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত অনুপমা সূত্রধর ও তার ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকারকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি রাশেদুল হাসান কালবেলাকে বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়েছি। এ ঘটনায় অনুপমা সূত্রধর ও তার ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

এনজিও কর্মকর্তাকে ডেকে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন

আপডেট সময় ০৫:৫১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রণজিৎ চন্দ্র বর্মন নামের ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের (এসএফডিএফ) এক ম্যানেজারকে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামি দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সরিষাবাড়ী কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার দুজন হলেন- অনুপমা সূত্রধর ও তার ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকার।

মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী রণজিৎ চন্দ্র বর্মন বলেন, শুক্রবার সকালে অনুপমা সূত্রধর আমাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন অনুপমা, তার স্বামী ও ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকারসহ আরও কয়েকজন। তাদের বাড়িতে পৌঁছামাত্রই আমাকে ঘরের ভেতরে আটকে ফেলে তারা। এরপর হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ লাগিয়ে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় এবং ধারালো দা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে আমাকে উলঙ্গ করে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং পায়ুপথে মরিচের গুঁড়ো ঢুকিয়ে অমানবিক নির্যাতন করে তারা। নির্যাতনকারীরা আমার পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী রণজিৎ-এর স্ত্রী পুলিশকে খবর দিলে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত অনুপমা সূত্রধর ও তার ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকারকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি রাশেদুল হাসান কালবেলাকে বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়েছি। এ ঘটনায় অনুপমা সূত্রধর ও তার ছেলে প্রিন্স আদিত্য সরকারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।