ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক রাজৈরে  কালের স্বাক্ষী রাজা রাম মন্দির পরিদর্শন

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের প্রাচীন ভাস্কর্য শিল্পের নিদর্শন খালিয়া রাজা রাম মন্দিরটি, মহাকালকে উপেক্ষা করে আজও মন্দিরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, কালের স্বাক্ষী হয়ে। আর এটিই মাদারীপুর জেলার একমাত্র প্রাচীন মন্দির, যা তৎকালীন জমিদার কালী সাধক রাজা রাম রায় চৌধুরী নির্মাণ করেছিলেন। এলাকাবাসীর কাছে বর্তমানে এটি রাজা রামের মন্দির হিসেবেই পরিচিত।

রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের শান্তি কেন্দ্রের ভেতরেই অবস্থিত এই মন্দিরটি। কোনো রাস্তাঘাট না থাকায় সহজে মন্দিরের পথ খুঁজে পাওয়া যায় না। আনুমানিক সপ্তদশ শতাব্দীতে মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়।
বিভিন্ন জেলার দর্শনার্থী ও পর্যটকদের  চলাচলের রাস্তা না থাকায় বসত বাড়ি বাঁশ ঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে‌ ।

এর নির্মাণ শৈলী বেশ চমৎকার। তৎকালীন জমিদার রাজা রাম নিজের পূজা অর্চনা করার জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করেন। মন্দিরের টেরাকোটায় ফুটিয়ে তোলা হয় রামায়ণ মহাভারতের বিভিন্ন দৃশ্য। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন পশুপাখি, ফুল-লতা-পাতা, দেব-দেবীর ছবি। দুই তলা বিশিষ্ঠ মন্দিরটি দেখতে চৌচালা ঘরের মতো, যার মধ্যে ৬টি কক্ষ রয়েছে। ২৩ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত মন্দিরের দৈর্ঘ্য ২০ ফুট, প্রস্থ ১৬ ফুট এবং উচ্চতা ৪৭ ফুট। দক্ষ শিল্পীদের নিপুণ হাতের কারুকাজ যা শত শত বছর পরও মানুষের মন কাড়ে।
(৬) সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মোছাঃ ইয়াছমিন আক্তার সরজমিনে মন্দির টি পরিদর্শন করে । সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুল হক, খালিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান বাবু নিহার চন্দ্র,ও জেলা প্রশাসকের মেহমান গন।
মন্দিরের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে, দেয়ালে বট গাছ, শেওলা জমে গেছে। কোথাও চুন সুরকি খসে পড়ছে। উপরের তলায় ভেতরের দিকে ফাটল ধরেছে। যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মন্দিরে যাতায়াত করার মত কোন রাস্তাও নাই ।
এলাকাবাসীর দাবি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সুদৃষ্টি কামনা করে ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক রাজৈরে  কালের স্বাক্ষী রাজা রাম মন্দির পরিদর্শন

আপডেট সময় ০৫:০১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের প্রাচীন ভাস্কর্য শিল্পের নিদর্শন খালিয়া রাজা রাম মন্দিরটি, মহাকালকে উপেক্ষা করে আজও মন্দিরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, কালের স্বাক্ষী হয়ে। আর এটিই মাদারীপুর জেলার একমাত্র প্রাচীন মন্দির, যা তৎকালীন জমিদার কালী সাধক রাজা রাম রায় চৌধুরী নির্মাণ করেছিলেন। এলাকাবাসীর কাছে বর্তমানে এটি রাজা রামের মন্দির হিসেবেই পরিচিত।

রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের শান্তি কেন্দ্রের ভেতরেই অবস্থিত এই মন্দিরটি। কোনো রাস্তাঘাট না থাকায় সহজে মন্দিরের পথ খুঁজে পাওয়া যায় না। আনুমানিক সপ্তদশ শতাব্দীতে মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়।
বিভিন্ন জেলার দর্শনার্থী ও পর্যটকদের  চলাচলের রাস্তা না থাকায় বসত বাড়ি বাঁশ ঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে‌ ।

এর নির্মাণ শৈলী বেশ চমৎকার। তৎকালীন জমিদার রাজা রাম নিজের পূজা অর্চনা করার জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করেন। মন্দিরের টেরাকোটায় ফুটিয়ে তোলা হয় রামায়ণ মহাভারতের বিভিন্ন দৃশ্য। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন পশুপাখি, ফুল-লতা-পাতা, দেব-দেবীর ছবি। দুই তলা বিশিষ্ঠ মন্দিরটি দেখতে চৌচালা ঘরের মতো, যার মধ্যে ৬টি কক্ষ রয়েছে। ২৩ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত মন্দিরের দৈর্ঘ্য ২০ ফুট, প্রস্থ ১৬ ফুট এবং উচ্চতা ৪৭ ফুট। দক্ষ শিল্পীদের নিপুণ হাতের কারুকাজ যা শত শত বছর পরও মানুষের মন কাড়ে।
(৬) সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মোছাঃ ইয়াছমিন আক্তার সরজমিনে মন্দির টি পরিদর্শন করে । সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুল হক, খালিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান বাবু নিহার চন্দ্র,ও জেলা প্রশাসকের মেহমান গন।
মন্দিরের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে, দেয়ালে বট গাছ, শেওলা জমে গেছে। কোথাও চুন সুরকি খসে পড়ছে। উপরের তলায় ভেতরের দিকে ফাটল ধরেছে। যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মন্দিরে যাতায়াত করার মত কোন রাস্তাও নাই ।
এলাকাবাসীর দাবি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সুদৃষ্টি কামনা করে ।