সংবাদ শিরোনাম ::
ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান ফেনী আলিয়ার বিতর্কিত অধ্যক্ষ কারাগারে জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে রাতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী বড়লেখায় ৩২ হাজার শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাপসুল ‘বিয়ের কাগজ দেখাতে পারলে যা চাইবেন তা-ই করব’ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ববি সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে ‘ব্যর্থ’ বললেন নাহিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের বড় অভিযান: ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে দুই শিশুর মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন শরীয়তপুরের সখিপুরের আরশিনগর ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পে দুই সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন

ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, মূল আসামি গ্রেফতার

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বড়বালা এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার চার মাস পর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক জাকির হোসেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ মাদরাসাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনায় পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুখোশধারী ছয়-সাত জন ডাকাত বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের আবু রায়হান মো. মিজানুর রহমানের বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে।

পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের (৩২) স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, নগদ টাকাসহ সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাধা দিলে মোর্শেদাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন মিজানুর বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। মামলার ছয় দিনের মাথায় হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত দুই আসামি এবং পরবর্তীতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও হত্যার মূলহোতা হিসেবে জাকিরের নাম উল্লেখ করেছিল তারা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর থেকে জাকিরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে সে। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থানায় চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের ১২টি মামলা রয়েছে। বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, মূল আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৫০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বড়বালা এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার চার মাস পর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক জাকির হোসেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ মাদরাসাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনায় পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুখোশধারী ছয়-সাত জন ডাকাত বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের আবু রায়হান মো. মিজানুর রহমানের বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে।

পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের (৩২) স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, নগদ টাকাসহ সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাধা দিলে মোর্শেদাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন মিজানুর বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। মামলার ছয় দিনের মাথায় হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত দুই আসামি এবং পরবর্তীতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও হত্যার মূলহোতা হিসেবে জাকিরের নাম উল্লেখ করেছিল তারা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর থেকে জাকিরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে সে। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থানায় চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের ১২টি মামলা রয়েছে। বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’