ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, মূল আসামি গ্রেফতার

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বড়বালা এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার চার মাস পর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক জাকির হোসেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ মাদরাসাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনায় পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুখোশধারী ছয়-সাত জন ডাকাত বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের আবু রায়হান মো. মিজানুর রহমানের বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে।

পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের (৩২) স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, নগদ টাকাসহ সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাধা দিলে মোর্শেদাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন মিজানুর বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। মামলার ছয় দিনের মাথায় হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত দুই আসামি এবং পরবর্তীতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও হত্যার মূলহোতা হিসেবে জাকিরের নাম উল্লেখ করেছিল তারা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর থেকে জাকিরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে সে। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থানায় চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের ১২টি মামলা রয়েছে। বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, মূল আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৫০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বড়বালা এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার চার মাস পর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক জাকির হোসেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ মাদরাসাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনায় পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুখোশধারী ছয়-সাত জন ডাকাত বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের আবু রায়হান মো. মিজানুর রহমানের বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে।

পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের (৩২) স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, নগদ টাকাসহ সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাধা দিলে মোর্শেদাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন মিজানুর বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। মামলার ছয় দিনের মাথায় হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত দুই আসামি এবং পরবর্তীতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও হত্যার মূলহোতা হিসেবে জাকিরের নাম উল্লেখ করেছিল তারা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর থেকে জাকিরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে সে। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থানায় চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের ১২টি মামলা রয়েছে। বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’