ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম কারাগারে ‘মুক্তি বাণিজ্যর’ অভিযোগ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে দেশ ও জনগণের স্বার্থে যত আন্দোলন হয়েছে, তার বিরোধিতা করেছে জামায়াত: রিজভী আমদানি পণ্য আনলোডের নামে বছরে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ কূপ খনন করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা টাঙ্গাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ বিপিএম-সেবা পদক পেলেন ডিআইজি আবদুল মাবুদ দুলাল জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের নারীদের গোলাপি বাসে আয় তলানিতে, দিনে ৫০ হাজার টাকা ভর্তুকি নওগাঁর মান্দায় ভ্যান ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত অপ্রতিম হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবিতে কুবিতে শিক্ষার্থীদের মৌন মিছিল

ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, মূল আসামি গ্রেফতার

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বড়বালা এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার চার মাস পর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক জাকির হোসেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ মাদরাসাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনায় পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুখোশধারী ছয়-সাত জন ডাকাত বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের আবু রায়হান মো. মিজানুর রহমানের বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে।

পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের (৩২) স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, নগদ টাকাসহ সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাধা দিলে মোর্শেদাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন মিজানুর বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। মামলার ছয় দিনের মাথায় হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত দুই আসামি এবং পরবর্তীতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও হত্যার মূলহোতা হিসেবে জাকিরের নাম উল্লেখ করেছিল তারা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর থেকে জাকিরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে সে। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থানায় চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের ১২টি মামলা রয়েছে। বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম কারাগারে ‘মুক্তি বাণিজ্যর’ অভিযোগ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে

ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, মূল আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৫০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বড়বালা এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার চার মাস পর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক জাকির হোসেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ মাদরাসাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনায় পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুখোশধারী ছয়-সাত জন ডাকাত বড়বালা ইউনিয়নের শালিকাদহ গ্রামের আবু রায়হান মো. মিজানুর রহমানের বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে ঢোকে।

পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিজানুর ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের (৩২) স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, নগদ টাকাসহ সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুট করে। এতে বাধা দিলে মোর্শেদাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন মিজানুর বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। মামলার ছয় দিনের মাথায় হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত দুই আসামি এবং পরবর্তীতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও হত্যার মূলহোতা হিসেবে জাকিরের নাম উল্লেখ করেছিল তারা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর থেকে জাকিরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে সে। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থানায় চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের ১২টি মামলা রয়েছে। বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’