ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিরুত্তাপ ভোটে আওয়ামী লীগ ছাড়া তেমন কারও আগ্রহ নেই

  • রিয়াজ ফরাজি
  • আপডেট সময় ১২:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪
  • ৫৬১ বার পড়া হয়েছে

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোলার বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখাঁন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২১মে। দুই উপজেলাতেই চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী আছেন। এরপরও ভোট নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উত্তাপ-উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে না। নিরুত্তাপ ভোটে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মী ছাড়া কারও তেমন কোনো আগ্রহ নেই।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছে নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করা বিএনপি ও সঙ্গী দলগুলো। ফলে সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা নির্বাচনও আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে লড়াই হতে যাচ্ছে। বিএনপি ও সমমনা দলগুলো নির্বাচনে না আসায় নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে আওয়ামী লীগ এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছে না।

ভোলার বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখাঁনে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী আছেন ৮জন। এর মধ্যে ৭জনই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতা। এ ছাড়া দুই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭জন প্রার্থী হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সবাই আওয়ামী লীগের নেতা।

বিগত উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবার উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ভোটের আগে সাধারণ ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করত। এবার ভোটে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা প্রার্থী না হওয়ায় ভোটারদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ কম।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ করেছেন। মাইকে চলেছে প্রচারণা। নির্বাচনী এলাকায় শোভা পাচ্ছে ব্যানার-পোস্টার। তবে এসব তৎপরতাও ভোটারদের মধ্যে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে মনে করছেন স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা।

বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বাসিন্দা আব্দুল মান্নান বলেন, এখন আর নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ পাই না। যা হচ্ছে খালি দেখে যাই। আমি আমার এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী ছাড়া এলাকার কারও মধ্যে ভোট নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই। এবারের নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছে, সবাই আওয়ামী লীগের। যে-ই জিতুক, আওয়ামী লীগেরই একজন জিতবে। ভোট দেওয়ার আগ্রহই হারিয়ে গেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরুত্তাপ ভোটে আওয়ামী লীগ ছাড়া তেমন কারও আগ্রহ নেই

আপডেট সময় ১২:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোলার বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখাঁন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২১মে। দুই উপজেলাতেই চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী আছেন। এরপরও ভোট নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উত্তাপ-উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে না। নিরুত্তাপ ভোটে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মী ছাড়া কারও তেমন কোনো আগ্রহ নেই।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছে নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করা বিএনপি ও সঙ্গী দলগুলো। ফলে সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা নির্বাচনও আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে লড়াই হতে যাচ্ছে। বিএনপি ও সমমনা দলগুলো নির্বাচনে না আসায় নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে আওয়ামী লীগ এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছে না।

ভোলার বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখাঁনে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী আছেন ৮জন। এর মধ্যে ৭জনই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতা। এ ছাড়া দুই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭জন প্রার্থী হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সবাই আওয়ামী লীগের নেতা।

বিগত উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবার উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ভোটের আগে সাধারণ ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করত। এবার ভোটে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা প্রার্থী না হওয়ায় ভোটারদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ কম।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ করেছেন। মাইকে চলেছে প্রচারণা। নির্বাচনী এলাকায় শোভা পাচ্ছে ব্যানার-পোস্টার। তবে এসব তৎপরতাও ভোটারদের মধ্যে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে মনে করছেন স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা।

বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বাসিন্দা আব্দুল মান্নান বলেন, এখন আর নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ পাই না। যা হচ্ছে খালি দেখে যাই। আমি আমার এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী ছাড়া এলাকার কারও মধ্যে ভোট নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই। এবারের নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছে, সবাই আওয়ামী লীগের। যে-ই জিতুক, আওয়ামী লীগেরই একজন জিতবে। ভোট দেওয়ার আগ্রহই হারিয়ে গেছে।