ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম’ প্রকল্পে দুর্নীতি : দুদকে অভিযোগ আহতদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ইশরাক হোসেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ পিনাকী-ইলিয়াস জামায়াতের হয়ে টাকার বিনিময়ে গুজব ছড়ান: প্রতিমন্ত্রী নুর বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ স্বজনদের, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের জাজিরা থানার ওসি মোঃ সালেহ আহাম্মদ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত কালুখালীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে চুরি-ছিনতাই ও কিশোরগ্যাং আতঙ্ক, জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আবারও

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৫১ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন

লিবিয়ার আটকে পড়া ১৫১ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে সাতটায় তাদের বহনকারী বিমানটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিপদগ্রস্ত এসব বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়ার বেনগাজি শহরের গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রচেষ্টায় দেশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশি অভিবাসীদের বেনগাজির বেনিনা বিমানবন্দরে বিদায় জানান লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসান মোহাম্মদ খায়রুল বাশার। এসময় তিনি জানান, “আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় ডিটেনশন সেন্টার লিবিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের উদ্ধার করে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

লিবিয়ার বিমান বন্দরে তিনি প্রবাসী কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন। বিশেষ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের ওপর প্রণোদনা প্রদান এবং প্রবাসীদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার বিষয়টি তাদেরকে জানান।

এছাড়াও রাষ্ট্রদূত অবৈধ অভিবাসনের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ তুলে ধরে তাদেরকে ভবিষ্যতে এমন রাস্তা ত্যাগ না করার পরামর্শ দেন। দেশে ফিরে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশগ্রহণের জন্যও তিনি এসব বাংলাদেশিকে অনুরোধ করেন।

দূতাবাস থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার জন্য আগ্রহী প্রবাসীদের নিবন্ধন করে পর্যায়ক্রমে তাদেরকে আইওএম’র সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

অপরদিকে, ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের অনুকূলে ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে আইওএম’র সহযোগিতায় তাদেরকে বিনা খরচে পাঠানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম’ প্রকল্পে দুর্নীতি : দুদকে অভিযোগ

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৫১ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন

আপডেট সময় ১১:২২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

লিবিয়ার আটকে পড়া ১৫১ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে সাতটায় তাদের বহনকারী বিমানটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিপদগ্রস্ত এসব বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়ার বেনগাজি শহরের গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রচেষ্টায় দেশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশি অভিবাসীদের বেনগাজির বেনিনা বিমানবন্দরে বিদায় জানান লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসান মোহাম্মদ খায়রুল বাশার। এসময় তিনি জানান, “আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় ডিটেনশন সেন্টার লিবিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের উদ্ধার করে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

লিবিয়ার বিমান বন্দরে তিনি প্রবাসী কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন। বিশেষ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের ওপর প্রণোদনা প্রদান এবং প্রবাসীদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার বিষয়টি তাদেরকে জানান।

এছাড়াও রাষ্ট্রদূত অবৈধ অভিবাসনের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ তুলে ধরে তাদেরকে ভবিষ্যতে এমন রাস্তা ত্যাগ না করার পরামর্শ দেন। দেশে ফিরে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশগ্রহণের জন্যও তিনি এসব বাংলাদেশিকে অনুরোধ করেন।

দূতাবাস থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার জন্য আগ্রহী প্রবাসীদের নিবন্ধন করে পর্যায়ক্রমে তাদেরকে আইওএম’র সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

অপরদিকে, ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের অনুকূলে ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে আইওএম’র সহযোগিতায় তাদেরকে বিনা খরচে পাঠানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে।