ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ৫০ ভিক্ষুক পরিবারের পুনর্বাসনে ২৪ লাখ টাকার বকনা গরু বিতরণ জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার ফেনী পাসপোর্ট অফিসের এডি জাহাঙ্গীরকে ঘিরে দালাল সিন্ডিকেটের অভিযোগ সিলেটে দল বদলেছে, দখল বদলায়নি; চাঁদাবাজি চলছে আগের মতোই ডিএনসিসি প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ এর এমপির ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ রায়পুরায় মোমেন মিয়া কে গুলি করে হত্যা, আহত ৩ বরগুনায় ডিবির অভিযানে ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, নিয়ন্ত্রণকক্ষ আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ করবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

সারবিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো। ফোন নম্বর ব্যস্ত থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ফোন নম্বর কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান শেখ বদিউল আলম, ০১৭১৩৫৯৩৪৮৭, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নূরুন্নবী ০১৭১৬৪৬২২৭৭, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সার) আমিনুল ইসলাম, ০১৭২৪২৪৫৩৫৪ এবং অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খন্দকার রাশেদ ইফতেখার ০১৮১৪ ৯৪৭০৫৪।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে (২৫ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৫৬ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন ও ডিএপি ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আমন মৌসুমে (আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত) সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ৬ লাখ ১৯ হাজার টন, টিএসপি ১ লাখ ১৯ হাজার টন, ডিএপি ২ লাখ ২৫ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৩৭ হাজার টন।

বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও সারের বর্তমান মজুত বেশি। বিগত বছরে এ সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৫ লাখ ৮৯ হাজার টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৫৬ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৯৬ হাজার টন। বিসিআইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছর ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৯ টন, যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২ হাজার ৬০০ টন বেশি। বিগত বছর এ সময়ে ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছিল ৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৯ টন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু

আপডেট সময় ০৪:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, নিয়ন্ত্রণকক্ষ আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ করবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

সারবিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো। ফোন নম্বর ব্যস্ত থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ফোন নম্বর কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান শেখ বদিউল আলম, ০১৭১৩৫৯৩৪৮৭, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নূরুন্নবী ০১৭১৬৪৬২২৭৭, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সার) আমিনুল ইসলাম, ০১৭২৪২৪৫৩৫৪ এবং অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খন্দকার রাশেদ ইফতেখার ০১৮১৪ ৯৪৭০৫৪।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে (২৫ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৫৬ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন ও ডিএপি ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আমন মৌসুমে (আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত) সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ৬ লাখ ১৯ হাজার টন, টিএসপি ১ লাখ ১৯ হাজার টন, ডিএপি ২ লাখ ২৫ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৩৭ হাজার টন।

বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও সারের বর্তমান মজুত বেশি। বিগত বছরে এ সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৫ লাখ ৮৯ হাজার টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৫৬ হাজার টন ও এমওপি ১ লাখ ৯৬ হাজার টন। বিসিআইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছর ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৯ টন, যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২ হাজার ৬০০ টন বেশি। বিগত বছর এ সময়ে ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছিল ৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৯ টন।