ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার ভোলাহাটে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধনী উপলক্ষে র‍্যালী আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত! রাজনীতি শিখতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমার বাসায় আসতে চান: মেঘনা আলম স্ত্রীর দুই মামলায় জামিন পেলেন টিকটকার প্রিন্স মামুন শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রেমের বিচ্ছেদ সহ্য করতে না পেরে প্রেমিকাসহ ৪ জনকে হত্যা! ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত আমির বাংলাদেশকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা আত্রাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত

আফগানিস্তানে প্রকাশ্যে চারজনের হাত কর্তন

আফগানিস্তানের বর্তমান শাসক তালেবান কান্দাহারের আহমেদ শাহী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ডাকাতি ও সমকামিতার অভিযোগে ৯ জনকে বিভিন্ন অপরাধে চাবুক মেরেছে। সাবেক এক আফগান মন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে ৪ জনের হাতও কর্তন করা হয়েছে।

আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ টুইটে এ ঘটনা সম্পর্কে বলেছে, ‘সুপ্রিম কোর্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কান্দাহারের আহমেদ শাহী স্টেডিয়ামে ৯ জনকে ডাকাতি ও সমকাতিমার অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা এবং কান্দাহারের সাধারণ মানুষ ওই সময় উপস্থিত ছিলেন। কান্দাহারের গভর্নর হাজি জাইদ বলেছেন, ‘অভিযুক্তদের ৩৫-৩৯ বার চাবুক মারা হয়েছে।’

এরমধ্যে সাবেক আফগান মন্ত্রী শবনম নাসিমী জানিয়েছেন, কান্দাহারের ফুটবল স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে চারজনের হাতও কর্তন করেছে তালেবান। টুইটে শবনম লিখেছেন, ‘কান্দাহারে সবার সামনে চার ব্যক্তির হাত কর্তন করা হয়েছে। তারা চুরির দায়ে অভিযুক্ত। আফগানিস্তানে অঙ্গচ্ছেদ, হত্যা ও চাবুক মারা হচ্ছে, কোনো ন্যায্য বিচার ছাড়াই। এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’

এদিকে ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত আশরাফ গনি সরকারকে হটিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতা দখল করে তালেবান। গত বছরের শেষ দিকে আফগানিস্তানের বিচার ব্যবস্থায় শরিয়া আইন ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় তারা। এরপর প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বেত্রাঘাত এবং অঙ্গচ্ছেদ করেছে সশস্ত্র এ গোষ্ঠী।

জাতিসংঘ এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে, সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত  ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে প্রকাশ্যে চাবুক মেরে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ই রয়েছেন।

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ফারাহ শহরে তালেবান প্রথম প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তালেবান। যদিও তারা জানিয়েছিল, তারা কোনো ধরনের কঠোর নীতি অবলম্বন করবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আফগানিস্তানে প্রকাশ্যে চারজনের হাত কর্তন

আপডেট সময় ১২:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩

আফগানিস্তানের বর্তমান শাসক তালেবান কান্দাহারের আহমেদ শাহী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ডাকাতি ও সমকামিতার অভিযোগে ৯ জনকে বিভিন্ন অপরাধে চাবুক মেরেছে। সাবেক এক আফগান মন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে ৪ জনের হাতও কর্তন করা হয়েছে।

আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ টুইটে এ ঘটনা সম্পর্কে বলেছে, ‘সুপ্রিম কোর্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কান্দাহারের আহমেদ শাহী স্টেডিয়ামে ৯ জনকে ডাকাতি ও সমকাতিমার অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা এবং কান্দাহারের সাধারণ মানুষ ওই সময় উপস্থিত ছিলেন। কান্দাহারের গভর্নর হাজি জাইদ বলেছেন, ‘অভিযুক্তদের ৩৫-৩৯ বার চাবুক মারা হয়েছে।’

এরমধ্যে সাবেক আফগান মন্ত্রী শবনম নাসিমী জানিয়েছেন, কান্দাহারের ফুটবল স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে চারজনের হাতও কর্তন করেছে তালেবান। টুইটে শবনম লিখেছেন, ‘কান্দাহারে সবার সামনে চার ব্যক্তির হাত কর্তন করা হয়েছে। তারা চুরির দায়ে অভিযুক্ত। আফগানিস্তানে অঙ্গচ্ছেদ, হত্যা ও চাবুক মারা হচ্ছে, কোনো ন্যায্য বিচার ছাড়াই। এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’

এদিকে ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত আশরাফ গনি সরকারকে হটিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতা দখল করে তালেবান। গত বছরের শেষ দিকে আফগানিস্তানের বিচার ব্যবস্থায় শরিয়া আইন ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয় তারা। এরপর প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বেত্রাঘাত এবং অঙ্গচ্ছেদ করেছে সশস্ত্র এ গোষ্ঠী।

জাতিসংঘ এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে, সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত  ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে প্রকাশ্যে চাবুক মেরে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ই রয়েছেন।

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ফারাহ শহরে তালেবান প্রথম প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তালেবান। যদিও তারা জানিয়েছিল, তারা কোনো ধরনের কঠোর নীতি অবলম্বন করবে না।