ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিআরডিবির মাঠ সংগঠক সাইদুরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনবিআর কর কমিশনার রাকিবের বিরুদ্ধে ৩২৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দুদকের মামলার পরও বহাল এএসপি, জানেন না এসপি-ডিআইজি মুকসুদপুরে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের পরিবারের নামে ১৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ দুবাইয়ে এইচবিএম ইকবালের ৭ বিলাসবহুল সম্পত্তি নিয়ে এনবিআরের অনুসন্ধান বরগুনার বেতাগীতে সেই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, যুবককে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন পাঁচ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন বড়লেখায় সিন্ডিকেট ভাঙায় হাকালুকির ‘হাওরখাল’ বিল পুনঃনিলামে, রাজস্ব বাড়ল ৩৮ লাখ

ডলার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের সুযোগ

ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াই টাকায় আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন বিদেশি ব্যাংকের নামে পরিচালিত নন-রেসিডেন্ট টাকা অ্যাকাউন্ট (এনআরটিএ) বা ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানির অর্থ টাকায় নিষ্পত্তি করা যাবে। বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন ব্যবস্থায় আমদানিকারকের কাছ থেকে পাওয়া টাকা সংশ্লিষ্ট ভোস্ট্রো হিসাবে জমা হবে। পরে ওই হিসাব থেকে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকের অনুকূলে অর্থ পরিশোধ করা হবে। এলসি, চুক্তি ও ইনভয়েস আগের মতোই অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রায় করা হবে। তবে প্রচলিত বিনিময় হার অনুযায়ী সেই অর্থ টাকায় রূপান্তর করে লেনদেন নিষ্পত্তি করা যাবে।

এ ছাড়া টাকায় রপ্তানি আয় গ্রহণকারী রপ্তানিকারকেরা বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবেন। এসব অর্থ কাঁচামাল আমদানি, ইডিএফ ঋণ পরিশোধসহ অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রার দায় মেটাতে ব্যবহার করা যাবে।

ভোস্ট্রো হিসাবে জমা থাকা অতিরিক্ত অর্থ এফডিআই, বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ, বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল ও ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা যাবে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও তা ব্যবহার করা যাবে।

এক্সচেঞ্জ হাউসের রেমিট্যান্স জমবে বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে

একই দিনে পৃথক নির্দেশনায় এক্সচেঞ্জ হাউস ও আইএমটিওর মাধ্যমে আসা বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রাইভেট ফরেন কারেন্সি (পিএফসি) ও নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (এনএফসিডি) হিসাবে জমা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে এসব লেনদেনে কেওয়াইসি, এএমএল/সিএফটি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও রিপোর্টিংয়ের শর্ত মানতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআরডিবির মাঠ সংগঠক সাইদুরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ডলার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের সুযোগ

আপডেট সময় ০৮:২৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াই টাকায় আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন বিদেশি ব্যাংকের নামে পরিচালিত নন-রেসিডেন্ট টাকা অ্যাকাউন্ট (এনআরটিএ) বা ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানির অর্থ টাকায় নিষ্পত্তি করা যাবে। বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন ব্যবস্থায় আমদানিকারকের কাছ থেকে পাওয়া টাকা সংশ্লিষ্ট ভোস্ট্রো হিসাবে জমা হবে। পরে ওই হিসাব থেকে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকের অনুকূলে অর্থ পরিশোধ করা হবে। এলসি, চুক্তি ও ইনভয়েস আগের মতোই অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রায় করা হবে। তবে প্রচলিত বিনিময় হার অনুযায়ী সেই অর্থ টাকায় রূপান্তর করে লেনদেন নিষ্পত্তি করা যাবে।

এ ছাড়া টাকায় রপ্তানি আয় গ্রহণকারী রপ্তানিকারকেরা বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবেন। এসব অর্থ কাঁচামাল আমদানি, ইডিএফ ঋণ পরিশোধসহ অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রার দায় মেটাতে ব্যবহার করা যাবে।

ভোস্ট্রো হিসাবে জমা থাকা অতিরিক্ত অর্থ এফডিআই, বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ, বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল ও ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা যাবে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও তা ব্যবহার করা যাবে।

এক্সচেঞ্জ হাউসের রেমিট্যান্স জমবে বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে

একই দিনে পৃথক নির্দেশনায় এক্সচেঞ্জ হাউস ও আইএমটিওর মাধ্যমে আসা বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রাইভেট ফরেন কারেন্সি (পিএফসি) ও নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (এনএফসিডি) হিসাবে জমা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে এসব লেনদেনে কেওয়াইসি, এএমএল/সিএফটি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও রিপোর্টিংয়ের শর্ত মানতে হবে।