ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তুরাগে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ তারার টেকের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হৃদয় গ্রেপ্তার ফেনীতে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, হামলায় নারীসহ আহত ২; মামলা না নেওয়ার অভিযোগ লালদিয়া টার্মিনাল বন্দরের সক্ষমতা ২৩% বাড়ানোর পরিকল্পনা এপিএম টার্মিনালসের আজ গার্লফ্রেন্ড দিবস, শেষ মুহূর্তেও চমকে দিন এই ৬ উপহারে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি যেন মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত হয়েছে প্যান্টের নিচে কোটি টাকার সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খাল খনন কর্মসূচি শেষ হবে: কৃষিমন্ত্রী

ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টুর সম্পদ ৫০৭ কোটি টাকা

মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করার প্রমাণ দাখিল ও নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও হেভিওয়েট প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী নেতার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি।

রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক যাচাই-বাছাই শেষে তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন।

শুনানিকালে ফেনী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিম বিএনপির এই প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আপত্তি তোলেন। এর জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আবদুল আউয়াল মিন্টু গত ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তার মার্কিন নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন এবং এ সংক্রান্ত দালিলিক প্রমাণ জমা দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা থাকে না। তাই তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘‘আমার অন্তত ১৫টি ব্যাংকে ঋণ এবং বিভিন্ন স্থানে স্থাবর সম্পত্তি থাকায় কাগজপত্র ছিল বেশ জটিল। কর্মকর্তারা ধৈর্যসহকারে সেসব যাচাই-বাছাই করে আমাকে বৈধ ঘোষণা করায় আমি কৃতজ্ঞ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘জীবনের শেষ সময়ে এসে ফেনীর মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যেই আমি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি।’’

হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। গত অর্থবছরে দেশের অভ্যন্তরে তার বার্ষিক আয় ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

এদিকে, ফেনী-৩ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে মিন্টুসহ ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৪ জনের বাতিল হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন: জাতীয় পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সাইফ উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু নাছের, বাসদের আবদুল মালেক এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী।

বাতিল হলো যাদের:
সরকারি পাওনা পরিশোধ না করায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. হাসান আহমদ, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আলী এবং ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল (মৃত ভোটার) ও সরকারি কাজের কার্যাদেশ থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ মাহমুদ ও মাহবুবুল হক রিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল

ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টুর সম্পদ ৫০৭ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৪:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করার প্রমাণ দাখিল ও নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও হেভিওয়েট প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী নেতার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি।

রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক যাচাই-বাছাই শেষে তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন।

শুনানিকালে ফেনী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিম বিএনপির এই প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আপত্তি তোলেন। এর জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আবদুল আউয়াল মিন্টু গত ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তার মার্কিন নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন এবং এ সংক্রান্ত দালিলিক প্রমাণ জমা দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা থাকে না। তাই তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘‘আমার অন্তত ১৫টি ব্যাংকে ঋণ এবং বিভিন্ন স্থানে স্থাবর সম্পত্তি থাকায় কাগজপত্র ছিল বেশ জটিল। কর্মকর্তারা ধৈর্যসহকারে সেসব যাচাই-বাছাই করে আমাকে বৈধ ঘোষণা করায় আমি কৃতজ্ঞ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘জীবনের শেষ সময়ে এসে ফেনীর মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যেই আমি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি।’’

হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। গত অর্থবছরে দেশের অভ্যন্তরে তার বার্ষিক আয় ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

এদিকে, ফেনী-৩ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে মিন্টুসহ ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৪ জনের বাতিল হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন: জাতীয় পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সাইফ উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু নাছের, বাসদের আবদুল মালেক এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী।

বাতিল হলো যাদের:
সরকারি পাওনা পরিশোধ না করায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. হাসান আহমদ, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আলী এবং ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল (মৃত ভোটার) ও সরকারি কাজের কার্যাদেশ থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ মাহমুদ ও মাহবুবুল হক রিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।