ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প মরণফাঁদে কুমিল্লা সদরের রঘুপুর সড়ক, দুর্দশায় ১৩ হাজার মানুষ লং মার্চের নামে বিরোধী দল জ্বালানি অপচয় করছে : মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী দেশ গঠনে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি তারেক রহমানের চার বিশেষ আহ্বান রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে ডা. জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন পর্যটকের কাছ থেকে ৫০ টাকা আদায়, ৫ টাকার নির্দেশনা উপেক্ষা; ক্ষোভে দ্বীপবাসী সামান্য ভুলেও ১৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ মির্জাপুর ভূমি অফিসে রিনা রানীর দাপট, ঘুষ-নথি জালিয়াতির অভিযোগ ডেমরা রেজিস্ট্রি অফিসে তুহিন-সাজুর দাপট, প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় অনিয়মের অভিযোগ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন ও প্রতিবাদ

গত ৩১ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রী ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলামের নিকট কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করে। স্মারকলিপি গ্রহণকালে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় কম্বাইন্ড ডিগ্রির উপযোগিতা ও বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদের উন্নয়নকল্পে বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেন এবং এই সংবাদটি দেশের অধিকাংশ জাতীয় পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্যের একটি অর্থবহ অংশ “কম্বাইন্ড ডিগ্রি হওয়া এখন সময়ের দাবি, তোমাদের দাবি যৌক্তিক” – এই উক্তি সম্বলিত একটি ফটোকার্ড বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উনার ফেইসবুক ওয়ালে দিয়ে বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা ভেটেরিনারিয়ান, গবেষক ও শিক্ষাবিদ এবং পবিপ্রবি’র বর্তমান ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ এবং হুমকি সম্বলিত মন্তব্য করেন (“রফিক ভাই, আপনিও ……………… নিচের লোক। মনে রইলো”)। শত শত শহীদ ও আহতদের ত্যাগের বিনিময়ে জুলাই অভ্যুত্থানের একটি অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দেশ গঠনে সকলেই নির্দ্বিধায় ও নিঃসংকোচে মতামত প্রকাশ করবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো শিক্ষকতার মতো একটি মহান পেশায় নিযুক্ত থেকেও দেশের আরেকজন সম্মানিত শিক্ষক সম্বন্ধে যে অশোভন ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা সভ্য সমাজে অগ্রহণযোগ্য।

আমরা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এএনএসভিএম অনুষদের ভেটেরিনারি ডিসিপ্লিনের শিক্ষকমন্ডলী উক্ত শিক্ষকের এমন অশোভনীয় পোষ্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত মন্তব্য শুধুমাত্র ঔদ্ধত্য ও কুরুচিপূর্ণই নয়, এটি মানহানিকরও বটে।

আমরা বিশ্বাস করি, প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে এক পেশা, এক ডিগ্রি (কম্বাইন্ড) চালু হলে বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং পেশার স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকবে। আসুন, দেশ তথা প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে কম্বাইন্ড ডিগ্রি বাস্তবায়নে সকল ষ্টেকহোল্ডারদের নিয়ে দ্রুত সময়ে একটি সুষ্ঠু সমাধানে ঐক্যবদ্ধ হই।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প

তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন ও প্রতিবাদ

আপডেট সময় ১২:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

গত ৩১ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রী ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলামের নিকট কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করে। স্মারকলিপি গ্রহণকালে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় কম্বাইন্ড ডিগ্রির উপযোগিতা ও বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদের উন্নয়নকল্পে বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেন এবং এই সংবাদটি দেশের অধিকাংশ জাতীয় পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্যের একটি অর্থবহ অংশ “কম্বাইন্ড ডিগ্রি হওয়া এখন সময়ের দাবি, তোমাদের দাবি যৌক্তিক” – এই উক্তি সম্বলিত একটি ফটোকার্ড বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উনার ফেইসবুক ওয়ালে দিয়ে বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা ভেটেরিনারিয়ান, গবেষক ও শিক্ষাবিদ এবং পবিপ্রবি’র বর্তমান ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ এবং হুমকি সম্বলিত মন্তব্য করেন (“রফিক ভাই, আপনিও ……………… নিচের লোক। মনে রইলো”)। শত শত শহীদ ও আহতদের ত্যাগের বিনিময়ে জুলাই অভ্যুত্থানের একটি অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দেশ গঠনে সকলেই নির্দ্বিধায় ও নিঃসংকোচে মতামত প্রকাশ করবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো শিক্ষকতার মতো একটি মহান পেশায় নিযুক্ত থেকেও দেশের আরেকজন সম্মানিত শিক্ষক সম্বন্ধে যে অশোভন ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা সভ্য সমাজে অগ্রহণযোগ্য।

আমরা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এএনএসভিএম অনুষদের ভেটেরিনারি ডিসিপ্লিনের শিক্ষকমন্ডলী উক্ত শিক্ষকের এমন অশোভনীয় পোষ্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত মন্তব্য শুধুমাত্র ঔদ্ধত্য ও কুরুচিপূর্ণই নয়, এটি মানহানিকরও বটে।

আমরা বিশ্বাস করি, প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে এক পেশা, এক ডিগ্রি (কম্বাইন্ড) চালু হলে বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং পেশার স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকবে। আসুন, দেশ তথা প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে কম্বাইন্ড ডিগ্রি বাস্তবায়নে সকল ষ্টেকহোল্ডারদের নিয়ে দ্রুত সময়ে একটি সুষ্ঠু সমাধানে ঐক্যবদ্ধ হই।