ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প মরণফাঁদে কুমিল্লা সদরের রঘুপুর সড়ক, দুর্দশায় ১৩ হাজার মানুষ লং মার্চের নামে বিরোধী দল জ্বালানি অপচয় করছে : মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী দেশ গঠনে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি তারেক রহমানের চার বিশেষ আহ্বান রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে ডা. জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন পর্যটকের কাছ থেকে ৫০ টাকা আদায়, ৫ টাকার নির্দেশনা উপেক্ষা; ক্ষোভে দ্বীপবাসী সামান্য ভুলেও ১৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ মির্জাপুর ভূমি অফিসে রিনা রানীর দাপট, ঘুষ-নথি জালিয়াতির অভিযোগ ডেমরা রেজিস্ট্রি অফিসে তুহিন-সাজুর দাপট, প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় অনিয়মের অভিযোগ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা বিএনপি নেতা

যশোরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন হারুন অর রশিদ খান নামে এক বিএনপি নেতা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার শাখারীগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক হারুন খান শাখারীগাতি গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত ইসহাক খানের ছেলে। তিনি নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক এবং শাখারীগাতি এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও শাখারীগাতী এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য হারুন অর রশিদ হারুন খান ৩১ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই গ্রামের উত্তরপাড়ার এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন। সন্দেহ হলে কিছুক্ষণ পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন। মুহূর্তেই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে গণধোলাই দেয়।

খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় হারুন-অর-রশিদকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। রাতেই তাকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে পুলিশ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। তবে আটক হারুন খান বলেছেন, পাওনা টাকা আনতে গেলে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কবির হোসেন জানিয়েছেন, হারুন অর রশিদকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটকের পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে দিয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসীর পরিবার থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ না দেওয়ায় শুক্রবার সন্দেহমূলক ১৫১ ধারায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ১২:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

যশোরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন হারুন অর রশিদ খান নামে এক বিএনপি নেতা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার শাখারীগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক হারুন খান শাখারীগাতি গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত ইসহাক খানের ছেলে। তিনি নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক এবং শাখারীগাতি এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও শাখারীগাতী এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য হারুন অর রশিদ হারুন খান ৩১ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই গ্রামের উত্তরপাড়ার এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন। সন্দেহ হলে কিছুক্ষণ পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন। মুহূর্তেই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে গণধোলাই দেয়।

খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় হারুন-অর-রশিদকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। রাতেই তাকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে পুলিশ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। তবে আটক হারুন খান বলেছেন, পাওনা টাকা আনতে গেলে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কবির হোসেন জানিয়েছেন, হারুন অর রশিদকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটকের পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে দিয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসীর পরিবার থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ না দেওয়ায় শুক্রবার সন্দেহমূলক ১৫১ ধারায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।