ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত

লটকনের বাম্পার ফলন ভাল দামে হাসি বেলাবোর লটকন চাষিদের

বর্তমানে সারাদেশে খুব জনপ্রিয় এক ফলের নাম লটকন। সাধারণত নরসিংদী জেলার বেলাবো ও শিবপুরে প্রচুর পরিমাণে ফলন হয় এই সুস্বাদু ফল। নরসিংদী জেলার লটকন লটকন চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর লটকনের বাম্পার ফলন হয়েছে সেই সঙ্গে বেরেছে দাম ও।তাই অধিক ফলন ও বাড়তি দামে লটকন চাষীদের মুখে ফটেছে হাসি। বর্তমানে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা কেজিতে ও লটকন বিক্রি হচ্ছে।বেলাবো তবে গ্ৰামে গ্ৰামে দেখা যাচ্ছে লটকনের পাইকার। তাছাড়া বিভিন্ন উপজেলা থেকে ও মানুষ এসে এখন লটকন কিনে নিচ্ছে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ও রপ্তানি হচ্ছে নরসিংদীর বেলাবো লটকন।ফলে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন লটকন চাষীরা এবং প্রতি বছরই বাড়ছে বাগানের সংখ্যা। অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এ অঞ্জলের চাষীরা ঝুঁকে পড়েছে লটকন চাষের প্রতি। নতুন প্রজন্মের কাছে রসালো ফল মানেই লটকন।আর লটকন মানেই নরসিংদী জেলার বিভিন্ন উপজেলা। নরসিংদীর উঁচু আর লাল মাটির টিলা লটকন চাষের জন্য বেশ উপযোগী। লটকন চাষের রোগ বালাইয়ের তেমন কোন ঝামেলা নেই এবং খরচ ও কম হয়।চারা রোপণের ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যেই ফলন হয় এবং ফল দেয় টানা ২০ থেকে ৩০ বছর। তাছাড়া লটকন বিক্রি নিয়ে ও কোনোরকম চিন্তা নেই কারণ পাইকাররা বাগান থেকেই লটকন কিনে নিয়ে যায়। বেলাব উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,বেলাবো ছাড়া ও শিবপুর, রায়পুরা, মনোহরদী উপজেলায়

লটকন চাষ হয।এসব লটকন বাড়ির আঙিনায় ও পতিত জমিতে চাষ করা হয়।

বর্তমানে এ উপজেলার শত শত চাষি লটকন চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য পেয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল লটকন। অনেকেই লটকন চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। সরকার লটকন চাষীদের প্রতি গুরুত্ব দিলে এই এলাকায় লটকন উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু

লটকনের বাম্পার ফলন ভাল দামে হাসি বেলাবোর লটকন চাষিদের

আপডেট সময় ০৪:০৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪

বর্তমানে সারাদেশে খুব জনপ্রিয় এক ফলের নাম লটকন। সাধারণত নরসিংদী জেলার বেলাবো ও শিবপুরে প্রচুর পরিমাণে ফলন হয় এই সুস্বাদু ফল। নরসিংদী জেলার লটকন লটকন চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর লটকনের বাম্পার ফলন হয়েছে সেই সঙ্গে বেরেছে দাম ও।তাই অধিক ফলন ও বাড়তি দামে লটকন চাষীদের মুখে ফটেছে হাসি। বর্তমানে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা কেজিতে ও লটকন বিক্রি হচ্ছে।বেলাবো তবে গ্ৰামে গ্ৰামে দেখা যাচ্ছে লটকনের পাইকার। তাছাড়া বিভিন্ন উপজেলা থেকে ও মানুষ এসে এখন লটকন কিনে নিচ্ছে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ও রপ্তানি হচ্ছে নরসিংদীর বেলাবো লটকন।ফলে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন লটকন চাষীরা এবং প্রতি বছরই বাড়ছে বাগানের সংখ্যা। অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এ অঞ্জলের চাষীরা ঝুঁকে পড়েছে লটকন চাষের প্রতি। নতুন প্রজন্মের কাছে রসালো ফল মানেই লটকন।আর লটকন মানেই নরসিংদী জেলার বিভিন্ন উপজেলা। নরসিংদীর উঁচু আর লাল মাটির টিলা লটকন চাষের জন্য বেশ উপযোগী। লটকন চাষের রোগ বালাইয়ের তেমন কোন ঝামেলা নেই এবং খরচ ও কম হয়।চারা রোপণের ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যেই ফলন হয় এবং ফল দেয় টানা ২০ থেকে ৩০ বছর। তাছাড়া লটকন বিক্রি নিয়ে ও কোনোরকম চিন্তা নেই কারণ পাইকাররা বাগান থেকেই লটকন কিনে নিয়ে যায়। বেলাব উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,বেলাবো ছাড়া ও শিবপুর, রায়পুরা, মনোহরদী উপজেলায়

লটকন চাষ হয।এসব লটকন বাড়ির আঙিনায় ও পতিত জমিতে চাষ করা হয়।

বর্তমানে এ উপজেলার শত শত চাষি লটকন চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য পেয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল লটকন। অনেকেই লটকন চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। সরকার লটকন চাষীদের প্রতি গুরুত্ব দিলে এই এলাকায় লটকন উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে