ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পবিপ্রবির নতুন ট্রেজারার হলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান দুই দফা সময় বাড়িয়েও শেষ হয়নি হাসনাবাদ সেতুর নির্মাণকাজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ হাসনাবাদ–কদমতলি ব্রিজ: হাজারো মানুষের স্বপ্ন পূরণে মাননীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রতি একটি খোলা চিঠি তালতলীতে ৬৯ গ্রাম পুলিশের মাঝে পোশাক ও বাইসাইকেল বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ‘আজকের শিশুরাই আগামীর রাষ্ট্রনায়ক : হাফিজ ইব্রাহিম দিনাজপুর বীরগঞ্জে মডেল প্রেসক্লাবের প্রথম ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নাটোরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চারা বিতরণ ভোলাহাটে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটিসহ বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠিত! আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বছরে নষ্ট হচ্ছে ৪৫ কোটি টাকার আম

রংপুরে সঠিকভাবে আম সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর আমের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যার বাজারমূল্য ৪৫ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া কাঁঠাল ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ, কলা ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, লিচু ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, আনারস ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ ও পেঁপে ২৫ থেকে ৩৯ শতাংশ সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় প্রতিবছর। দীর্ঘদিন থেকে রংপুরে একটি ফল সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবি উঠলেও বিষয়টি আমলে নেয়নি সরকার। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। তাই দ্রুত রংপুর ও মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপনের দাবি করেছেন তারা।

তবে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জানান, মিঠাপুকুরে আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত হিমাগার করা হবে। তাই আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। সেইসঙ্গে ন্যায্যমূল্যও পাবেন বলে তারা আশাবাদী।

স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, রংপুরে সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে এবং বিভিন্নভাবে অপচয়ের কারণে প্রতিবছর আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফল নষ্ট হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মৌসুমের সময় দেশের অনেক ফল ও সবজি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়। অধিক উৎপাদনের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া কৃষকরা সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

চলতি বছরে রংপুর জেলায় আমের উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। আড়াইশ কোটি টাকার বেশি আম বিক্রির আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিপ্রবির নতুন ট্রেজারার হলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান

বছরে নষ্ট হচ্ছে ৪৫ কোটি টাকার আম

আপডেট সময় ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

রংপুরে সঠিকভাবে আম সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর আমের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যার বাজারমূল্য ৪৫ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া কাঁঠাল ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ, কলা ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, লিচু ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, আনারস ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ ও পেঁপে ২৫ থেকে ৩৯ শতাংশ সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় প্রতিবছর। দীর্ঘদিন থেকে রংপুরে একটি ফল সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবি উঠলেও বিষয়টি আমলে নেয়নি সরকার। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। তাই দ্রুত রংপুর ও মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপনের দাবি করেছেন তারা।

তবে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জানান, মিঠাপুকুরে আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত হিমাগার করা হবে। তাই আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। সেইসঙ্গে ন্যায্যমূল্যও পাবেন বলে তারা আশাবাদী।

স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, রংপুরে সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে এবং বিভিন্নভাবে অপচয়ের কারণে প্রতিবছর আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফল নষ্ট হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মৌসুমের সময় দেশের অনেক ফল ও সবজি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়। অধিক উৎপাদনের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া কৃষকরা সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

চলতি বছরে রংপুর জেলায় আমের উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। আড়াইশ কোটি টাকার বেশি আম বিক্রির আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।