ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দুই দিনে তুরস্কের দুই স্কুলে বন্দুক হামলায় ৮ শিক্ষার্থী নিহত বেরোবিতে চার দিনব্যাপী শহিদ আবু সাঈদ বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত ১০ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভিক্ষা চাই, রাস্তাটা করে দিন ফেনীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সফল করতে এএইএফআইওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত ফেনীতে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষায় জরুরি সভা অনুষ্ঠিত চার সিটিতে লক্ষ্যমাত্রার ৯২ শতাংশ শিশুর টিকা সম্পন্ন ৩ কোটি টাকা দিয়ে বদলি! এক বছরে ২০ কোটির সম্পদের অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের বিরুদ্ধে হয়তোবা আরো ৩ বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতাম : রুবেল ট্রাম্পের চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না যুক্তরাজ্য

খুনি-মাদক কারবারীদের ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠাচ্ছেন ‍পুতিন

ইউক্রেনে কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনায় এখন জেলফেরত খুনি ও মাদক কারবারীদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এমন খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সামরিক অভিযান চালাতে গত ফেব্রুয়ারিতে নিজের সেনাদের ইউক্রেনে পাঠান পুতিন। এরপর কেটে গেছে প্রায় সাড়ে আট মাস। কিন্তু এখনো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামেনি।

বিবিসি বলেছে, অপরাধীদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করতে প্রেসিডেন্ট পুতিন আইন সংশোধন করেছেন। সংশোধিত আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদেরও সেনাবাহিনীতে (রিজার্ভ ফোর্সে) যুক্ত করার বিষয়টি রাখা হয়েছে। তবে জঙ্গিবাদ ও শিশু যৌন নির্যাতনের অপরাধে জেলখাটাদের এ আইনের বাইরে রাখা হয়েছে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের গঠিত একটি কমিশন জানায়, রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে বেসামরিকদের হত্যা এবং যৌন নির্যাতন। ইউক্রেনও দাবি করেছে, রুশ সেনারা হাজার হাজার যুদ্ধাপরাধ করেছে। এখন দণ্ডপ্রাপ্তদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোয় এ ধরনের অপরাধ আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বরেই খবর বের হয় রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ জেলবন্দিদের ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করছে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল ওয়াগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভগিনি প্রিগোজিন জেলবন্দিদের প্রস্তাব দিচ্ছেন- যদি তারা ছয় মাস ইউক্রেনে যুদ্ধ করে তাহলে তাদের সাজা মওকুফ করে দেওয়া হবে।

আগে ওয়াগনার গ্রুপ গোপনে তাদের কার্যক্রম চালালেও এখন প্রকাশ্যে তারা সদস্য সংগ্রহ করছে। এ শুক্রবারই সেন্ট পিটার্সবার্গে নিজেদের অফিস খুলেছে ওয়াগনার।

এদিকে এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন । এরপর পুরো রাশিয়াজুড়ে সেনা সমাবেশের কার্যক্রম চলে। সেপ্টেম্বরের শেষে এ কার্যক্রম শেষ হয়।

প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে যেসব সেনা সমাবেশ করা হয়েছিল তার মধ্যে ইতিমধ্যে ৪৯ হাজার সেনা ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে চলে গেছে।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছিলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সেনা সমাবেশের ঘোষণা দেওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

খুনি-মাদক কারবারীদের ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠাচ্ছেন ‍পুতিন

আপডেট সময় ১০:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২

ইউক্রেনে কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনায় এখন জেলফেরত খুনি ও মাদক কারবারীদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এমন খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সামরিক অভিযান চালাতে গত ফেব্রুয়ারিতে নিজের সেনাদের ইউক্রেনে পাঠান পুতিন। এরপর কেটে গেছে প্রায় সাড়ে আট মাস। কিন্তু এখনো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামেনি।

বিবিসি বলেছে, অপরাধীদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করতে প্রেসিডেন্ট পুতিন আইন সংশোধন করেছেন। সংশোধিত আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদেরও সেনাবাহিনীতে (রিজার্ভ ফোর্সে) যুক্ত করার বিষয়টি রাখা হয়েছে। তবে জঙ্গিবাদ ও শিশু যৌন নির্যাতনের অপরাধে জেলখাটাদের এ আইনের বাইরে রাখা হয়েছে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের গঠিত একটি কমিশন জানায়, রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে বেসামরিকদের হত্যা এবং যৌন নির্যাতন। ইউক্রেনও দাবি করেছে, রুশ সেনারা হাজার হাজার যুদ্ধাপরাধ করেছে। এখন দণ্ডপ্রাপ্তদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোয় এ ধরনের অপরাধ আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বরেই খবর বের হয় রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ জেলবন্দিদের ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করছে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল ওয়াগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভগিনি প্রিগোজিন জেলবন্দিদের প্রস্তাব দিচ্ছেন- যদি তারা ছয় মাস ইউক্রেনে যুদ্ধ করে তাহলে তাদের সাজা মওকুফ করে দেওয়া হবে।

আগে ওয়াগনার গ্রুপ গোপনে তাদের কার্যক্রম চালালেও এখন প্রকাশ্যে তারা সদস্য সংগ্রহ করছে। এ শুক্রবারই সেন্ট পিটার্সবার্গে নিজেদের অফিস খুলেছে ওয়াগনার।

এদিকে এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন । এরপর পুরো রাশিয়াজুড়ে সেনা সমাবেশের কার্যক্রম চলে। সেপ্টেম্বরের শেষে এ কার্যক্রম শেষ হয়।

প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে যেসব সেনা সমাবেশ করা হয়েছিল তার মধ্যে ইতিমধ্যে ৪৯ হাজার সেনা ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে চলে গেছে।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছিলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সেনা সমাবেশের ঘোষণা দেওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত