ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন  গোদাগাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে জখম  পীরগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষককে তুলে এনে মারধরের অভিযোগ, অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রস্তুতিমূলক সভা  অপপ্রচার নয়-পুরো বক্তব্য শুনেই বিচার করুন-এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে প্রতিবাদ দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানকে ঘিরে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিলে ৯৮২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেল দুদক অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে অগ্রণী ব্যাংক!

সারা বিশ্বের তুলনায় ইউরোপের তাপমাত্রা বাড়ছে দ্বিগুণ হারে

গত তিন দশকে যে হারে বিশ্বের তাপমাত্রা বেড়েছে সে তুলনায় ইউরোপের তাপমাত্রা দ্বিগুণ হারে বেড়েছে এবং অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় ইউরোপেই তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে । জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে এমন তথ্য।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোপার্নিকাস আবহাওয়া পরিবর্তন সেবার প্রকাশিত যৌথ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি দশকে গড়ে ইউরোপিয়ান অঞ্চলগুলোর তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (০.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।

ইউরোপে গত কয়েক বছরে কয়েকবার তাপমাত্রার সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলটি তাপপ্রবাহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে আলপিন হিমবাহের পুরুত্ব কমেছে ৩০ মিটার (১০০ ফুট থেকে একটু কম)। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ডের বরফ চাদর দ্রুত গলে যাচ্ছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। আর আবহাওয়ার এ পরিবর্তনের কারণে গত বছর ইউরোপে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ইউরোপজুড়ে তাপমাত্রা সম্ভবত বাড়তেই থাকবে। ইউরোপের বড় একটি অংশ সাব-আর্কটিক এবং আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত, যেটি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল উষ্ণায়ন অঞ্চল।

১৯৯০ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাত্রা ৩১ ভাগ কমিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এ মাত্রা ৫৫ কমিয়ে ফেলা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বৈশ্বিক জলবায়ু মোকাবেলায় আন্তঃসীমান্ত কার্যক্রমে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে ইউরোপই।

এদিকে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন সিওপি ২৭ শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলো। ৬ নভেম্বর মিশরে শুরু হবে এ সম্মেলন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ইউরোপিয়ান কমিশনের চেয়ারম্যান উরসুলা ভন দার লিয়েনের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। কিভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা কমিয়ে আনা যায় এ নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের ৯৬তম জন্মদিন 

সারা বিশ্বের তুলনায় ইউরোপের তাপমাত্রা বাড়ছে দ্বিগুণ হারে

আপডেট সময় ১১:৫৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

গত তিন দশকে যে হারে বিশ্বের তাপমাত্রা বেড়েছে সে তুলনায় ইউরোপের তাপমাত্রা দ্বিগুণ হারে বেড়েছে এবং অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় ইউরোপেই তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে । জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে এমন তথ্য।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোপার্নিকাস আবহাওয়া পরিবর্তন সেবার প্রকাশিত যৌথ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি দশকে গড়ে ইউরোপিয়ান অঞ্চলগুলোর তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (০.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।

ইউরোপে গত কয়েক বছরে কয়েকবার তাপমাত্রার সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলটি তাপপ্রবাহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে আলপিন হিমবাহের পুরুত্ব কমেছে ৩০ মিটার (১০০ ফুট থেকে একটু কম)। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ডের বরফ চাদর দ্রুত গলে যাচ্ছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। আর আবহাওয়ার এ পরিবর্তনের কারণে গত বছর ইউরোপে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ইউরোপজুড়ে তাপমাত্রা সম্ভবত বাড়তেই থাকবে। ইউরোপের বড় একটি অংশ সাব-আর্কটিক এবং আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত, যেটি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল উষ্ণায়ন অঞ্চল।

১৯৯০ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাত্রা ৩১ ভাগ কমিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এ মাত্রা ৫৫ কমিয়ে ফেলা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বৈশ্বিক জলবায়ু মোকাবেলায় আন্তঃসীমান্ত কার্যক্রমে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে ইউরোপই।

এদিকে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন সিওপি ২৭ শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলো। ৬ নভেম্বর মিশরে শুরু হবে এ সম্মেলন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ইউরোপিয়ান কমিশনের চেয়ারম্যান উরসুলা ভন দার লিয়েনের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। কিভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা কমিয়ে আনা যায় এ নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।