ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

হলদিয়া বন্দর : সাগরেই জাহাজের পণ্য খালাস

বিশাল দুটি জাহাজ কার্গো নিয়ে এসেছে ভারতের হলদিয়া বন্দরে। জাহাজ দু’টি নোঙর করা হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এই জাহাজ দুটি দিয়েই ইতিহাসে নাম লেখাল হলদিয়া বন্দর। কারণ, বন্দরে প্রবেশ না করেই সাগরেই ভামসান ক্রেনের সাহায্যে জাহাজ দুটির পণ্য খালাস করা হচ্ছে।  

বঙ্গোপসাগরে নোঙর করা দুটি কেপ সাইজের জাহাজের একটি এম ভি স্কারলেট। জাহাজটি এতটাই বিশাল যে হলদিয়া বন্দরে নোঙর করা সম্ভব ছিল না। ফলে বন্দর থেকে ২৮ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরের কাছে সাগরে সেটি নোঙর করানো হয়। সেখানেই ভাসমান ক্রেনের সাহায্যে ছোট ভেসেলে পণ্য বন্দরে নেওয়া হচ্ছে।

এম ভি স্কারলেটে রয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা। ওই জাহাজটি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা আরেক জাহাজ এম ভি গোল্ডেনেও রয়েছে স্টিম কয়লা। এতে রয়েছে ৪৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কয়লা।

এর আগে কেপ সাইজের মতো বড় জাহাজ হলদিয়া বন্দর থেকে ১৫o কিলোমিটার দূরে স্যান্ডহেডে আসতো। সেখানে পানির গভীরতা ৫০ মিটার। কিন্তু স্যান্ডহেডে পানির রোলিং তীব্র থাকায় সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে পণ্য খালাসে সাগর হতে পারে ‘গেম চেঞ্জার’। এমনই মনে করা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

হলদিয়া বন্দর : সাগরেই জাহাজের পণ্য খালাস

আপডেট সময় ০১:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

বিশাল দুটি জাহাজ কার্গো নিয়ে এসেছে ভারতের হলদিয়া বন্দরে। জাহাজ দু’টি নোঙর করা হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এই জাহাজ দুটি দিয়েই ইতিহাসে নাম লেখাল হলদিয়া বন্দর। কারণ, বন্দরে প্রবেশ না করেই সাগরেই ভামসান ক্রেনের সাহায্যে জাহাজ দুটির পণ্য খালাস করা হচ্ছে।  

বঙ্গোপসাগরে নোঙর করা দুটি কেপ সাইজের জাহাজের একটি এম ভি স্কারলেট। জাহাজটি এতটাই বিশাল যে হলদিয়া বন্দরে নোঙর করা সম্ভব ছিল না। ফলে বন্দর থেকে ২৮ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরের কাছে সাগরে সেটি নোঙর করানো হয়। সেখানেই ভাসমান ক্রেনের সাহায্যে ছোট ভেসেলে পণ্য বন্দরে নেওয়া হচ্ছে।

এম ভি স্কারলেটে রয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা। ওই জাহাজটি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা আরেক জাহাজ এম ভি গোল্ডেনেও রয়েছে স্টিম কয়লা। এতে রয়েছে ৪৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কয়লা।

এর আগে কেপ সাইজের মতো বড় জাহাজ হলদিয়া বন্দর থেকে ১৫o কিলোমিটার দূরে স্যান্ডহেডে আসতো। সেখানে পানির গভীরতা ৫০ মিটার। কিন্তু স্যান্ডহেডে পানির রোলিং তীব্র থাকায় সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে পণ্য খালাসে সাগর হতে পারে ‘গেম চেঞ্জার’। এমনই মনে করা হচ্ছে।