ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নাফ,নছিমন ও করিমন সিটের দুর্গন্ধে অতিষ্ট‍্যা যাত্রীরা

সোনারগাঁও হতে সাইনবোর্ড ও দাউদকান্দি হতে মোগরাপাড়া চৌরাস্তার সাধারণ জনগণের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হলো নাফ,নছিমন ও শিমরাইল পরিবহন।

লোকাল বাস হিসাবে খুব পরিচিত,কাছাকাছি যাতায়াতের জন্য যেমন সুবিধা রয়েছে আবার যাত্রীদের ভোগান্তি ও রয়েছে। গাড়িতে উঠলে প্রথমেই চোখে পড়ে অল্প বয়সের ড্রাইভার,যে কারণে ঘঠটে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা,হেলপার শিশু, সে বুজেই না কি ধরণের আচরণ করতে হয় যাত্রীদের সাথে, অতিমাত্রায় ভাড়া, সিটের দুর্গন্ধের কারণে বসা যায় না।

জনৈক যাত্রীর সাথে কথা বলে বুঝতে পারলাম ছয় (৬) মাস তো দুরের কথা ১/২ বছরেও সিট পরিস্কার করা হয় না। যেই সিটের কাপড়চোপড় প্রতি সাপ্তাহে এক (১) বার করে ধোঁয়া প্রয়োজন। যে কারণে যাত্রীদের শ্বাসকষ্ট সহ বিভিন্ন এজমা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা। দেখা যায় অনেক গাড়ীর বডি ফিটনেস ও রোড় পারমিট না থাকা সত্বেও যাত্রী আনা-নেওয়া চলতেছে।

এখনই যদি এই সমস্ত গাড়ীগুলো কে নজরধারীতে না আনা হয়। যাত্রীদের আরো ভোগান্তির শিকার হতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃহোসাইন।

চেয়ারম্যান আরো বলেন এখনই পরিবহন মালিকদের এই বিষয় সচেতন হতে হবে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরধারি বাড়াতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

নাফ,নছিমন ও করিমন সিটের দুর্গন্ধে অতিষ্ট‍্যা যাত্রীরা

আপডেট সময় ১০:১৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সোনারগাঁও হতে সাইনবোর্ড ও দাউদকান্দি হতে মোগরাপাড়া চৌরাস্তার সাধারণ জনগণের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হলো নাফ,নছিমন ও শিমরাইল পরিবহন।

লোকাল বাস হিসাবে খুব পরিচিত,কাছাকাছি যাতায়াতের জন্য যেমন সুবিধা রয়েছে আবার যাত্রীদের ভোগান্তি ও রয়েছে। গাড়িতে উঠলে প্রথমেই চোখে পড়ে অল্প বয়সের ড্রাইভার,যে কারণে ঘঠটে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা,হেলপার শিশু, সে বুজেই না কি ধরণের আচরণ করতে হয় যাত্রীদের সাথে, অতিমাত্রায় ভাড়া, সিটের দুর্গন্ধের কারণে বসা যায় না।

জনৈক যাত্রীর সাথে কথা বলে বুঝতে পারলাম ছয় (৬) মাস তো দুরের কথা ১/২ বছরেও সিট পরিস্কার করা হয় না। যেই সিটের কাপড়চোপড় প্রতি সাপ্তাহে এক (১) বার করে ধোঁয়া প্রয়োজন। যে কারণে যাত্রীদের শ্বাসকষ্ট সহ বিভিন্ন এজমা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা। দেখা যায় অনেক গাড়ীর বডি ফিটনেস ও রোড় পারমিট না থাকা সত্বেও যাত্রী আনা-নেওয়া চলতেছে।

এখনই যদি এই সমস্ত গাড়ীগুলো কে নজরধারীতে না আনা হয়। যাত্রীদের আরো ভোগান্তির শিকার হতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃহোসাইন।

চেয়ারম্যান আরো বলেন এখনই পরিবহন মালিকদের এই বিষয় সচেতন হতে হবে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরধারি বাড়াতে হবে।