ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি কোনো হুমকি-ধমকিতে ভয় পায় না: মীর শাহে আলম অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের চীন-পাকিস্তান আমাদের চিকিৎসকদের জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর অবৈধ মালামালসহ আ.লীগের দুই কর্মী আটক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হাতীবান্ধায় ছেফাতিয়া কামিল মাদ্রাসার নিয়মিত গভর্নিং বডি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ কুমিল্লায় আন্তঃজেলা নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, ১৩ মোবাইল উদ্ধার দুদকের মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি, তবু স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর প্রধান নাছির বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হলো গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া: পবিপ্রবি উপাচার্য
‘হরিলুটে’ বেহাল ডিএই’র মাসরুম প্রকল্প, 

অভিযোগের কেন্দ্রে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক আকতার জাহান কাঁকন

নজির বিহীন দুনীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর ও লীগের সুবিধাভোগী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাসরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আকতার জাহান কাঁকনের বিরুদ্ধে। প্রকল্পের কার্যক্রম ও উদ্দেশ্য সফল না,হলেও পিডির আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে নিজের আখের গুছিয়ে লাগামহীন দুনীতির করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। প্রকল্প পরিচালক আকতার জাহান কাঁকনের দুনীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রকল্পের আওতায় সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড।

লুটপাটের মহোৎসব চলছে পিডি কাঁকনের নেতৃত্বে, ডিএইর কর্মকর্তা দের দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা জায়। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিবের একান্ত কাছের লোক নাকি পিডি কাঁকন বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রকাশ করে যাচ্ছেন দেদারসে তিনি বিভিন্ন কর্মকর্তা দের মাঝে। প্রকল্পের আওতায় মাসরুম সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তাঁর কোন মিল নেই।

সুত্রে যানা জায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের “মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ” প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, প্রদর্শনী বাবদ ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছে দের্দাচ্ছে। এ যেন দেখা’র কেউ নেই, প্রকল্পের আওতায় সকল কার্যক্রম ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে ভুরি ভুরি। তাঁর পরে-ও বহাল তবিয়তে আছেন পিডি কাঁকন। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এর আস্তা ভাজন হিসেবে সু পরিচিত ছিলেন ডিএইতে তিনি। লীগ পন্থী অনেক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক দের সরিয়ে বঞ্চিত, যোগ্য কমকর্তা দের বিভিন্ন প্রকল্পে ন্যাস্ত করা হলেও, পতিত লীগ সরকারের দোসর পিডি কাঁকনের বিষয়ে উল্টো চিত্র। কোন অদৃশ্য শক্তির বলে এখনো বহাল আছেন মাসরুম সম্প্রসারণ প্রকল্পের পিডি হিসেবে। যা নিয়ে ডিএই”তে, সাধারণ কর্মকর্তা দের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছ, প্রকল্পের আওতায় মাসরুম চাষ সম্প্রসারণ গবেষণার খাত দেখিয়ে প্রতিবছরের ১৫ লক্ষ টাকা করে ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন ঐ সকল অর্থ পিডি কাঁকন। বিভিন্ন সেমিনার ও আনুসাংঙ্গীক মালামাল ক্রয় সংক্রান্ত, অতিরিক্ত মালামাল গ্রহণ দেখিয়ে কারচুপি করেও কারসাজির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন পিডি ও তাঁর সিন্ডিকেট বাহীনি।

আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা কাটা সহ বিভিন্ন ভাবে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকা বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছ। প্রকল্পের কর্যক্রমের সবচেয়ে দুনীতি হয়েছে, নারী উদ্যোক্তাদের মাঠপর্যায়ে চাষিদের জন্য নির্ধারিত ভাতার টাকা কেটে রাখা এবং ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে।

অনিয়ম দুনীতির মহোৎসব চলছে পিডি কাঁকনের নেতৃত্বে, অনিয়ম সমূহ বরাদ্ধের বিপরীতে অর্থ আত্মসাৎ: কৃষকদের অনুকুলে বরাদ্দকৃত প্রদর্শনী ও উপকরণের টাকার পুরো অংশ না দিয়ে তা থেকে বড় অংকের টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে রাঙ্গামাটির সদরে, রাজস্থলী, বানিয়ারচর,ও বাঘাইছড়ি উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা/উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলেও নাম মাত্র প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়েছে বলে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত একাধিক কৃষি উদ্যোক্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান।

প্রকল্পের আওতায় সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ডের ভাবমূর্তি চরম ভাবে খুন্ন হচ্ছে পিডির আর্থিক অনিয়ম দুনীতি কারণে। কাজের স্থবিরতা,নির্ধারিত মেয়াদ ও সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া পিডির তদারকির অভাব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দের উদাসীনতা ও মাঠপর্যায়ে সঠিক তদারকি না থাকায় চাষিদের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়া শুফল ভুগীরা বঞ্চিত হচ্ছে শুধু মাত্র পিডির আর্থিক দুনীতি কারণে বলে জানা জায়। উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে পিডি কাঁকনের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না, করাইতে তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নী।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি কোনো হুমকি-ধমকিতে ভয় পায় না: মীর শাহে আলম

‘হরিলুটে’ বেহাল ডিএই’র মাসরুম প্রকল্প, 

অভিযোগের কেন্দ্রে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক আকতার জাহান কাঁকন

আপডেট সময় ০১:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

নজির বিহীন দুনীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর ও লীগের সুবিধাভোগী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাসরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আকতার জাহান কাঁকনের বিরুদ্ধে। প্রকল্পের কার্যক্রম ও উদ্দেশ্য সফল না,হলেও পিডির আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে নিজের আখের গুছিয়ে লাগামহীন দুনীতির করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। প্রকল্প পরিচালক আকতার জাহান কাঁকনের দুনীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রকল্পের আওতায় সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড।

লুটপাটের মহোৎসব চলছে পিডি কাঁকনের নেতৃত্বে, ডিএইর কর্মকর্তা দের দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা জায়। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিবের একান্ত কাছের লোক নাকি পিডি কাঁকন বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রকাশ করে যাচ্ছেন দেদারসে তিনি বিভিন্ন কর্মকর্তা দের মাঝে। প্রকল্পের আওতায় মাসরুম সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তাঁর কোন মিল নেই।

সুত্রে যানা জায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের “মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ” প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, প্রদর্শনী বাবদ ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছে দের্দাচ্ছে। এ যেন দেখা’র কেউ নেই, প্রকল্পের আওতায় সকল কার্যক্রম ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে ভুরি ভুরি। তাঁর পরে-ও বহাল তবিয়তে আছেন পিডি কাঁকন। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এর আস্তা ভাজন হিসেবে সু পরিচিত ছিলেন ডিএইতে তিনি। লীগ পন্থী অনেক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক দের সরিয়ে বঞ্চিত, যোগ্য কমকর্তা দের বিভিন্ন প্রকল্পে ন্যাস্ত করা হলেও, পতিত লীগ সরকারের দোসর পিডি কাঁকনের বিষয়ে উল্টো চিত্র। কোন অদৃশ্য শক্তির বলে এখনো বহাল আছেন মাসরুম সম্প্রসারণ প্রকল্পের পিডি হিসেবে। যা নিয়ে ডিএই”তে, সাধারণ কর্মকর্তা দের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছ, প্রকল্পের আওতায় মাসরুম চাষ সম্প্রসারণ গবেষণার খাত দেখিয়ে প্রতিবছরের ১৫ লক্ষ টাকা করে ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন ঐ সকল অর্থ পিডি কাঁকন। বিভিন্ন সেমিনার ও আনুসাংঙ্গীক মালামাল ক্রয় সংক্রান্ত, অতিরিক্ত মালামাল গ্রহণ দেখিয়ে কারচুপি করেও কারসাজির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন পিডি ও তাঁর সিন্ডিকেট বাহীনি।

আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা কাটা সহ বিভিন্ন ভাবে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকা বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছ। প্রকল্পের কর্যক্রমের সবচেয়ে দুনীতি হয়েছে, নারী উদ্যোক্তাদের মাঠপর্যায়ে চাষিদের জন্য নির্ধারিত ভাতার টাকা কেটে রাখা এবং ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে।

অনিয়ম দুনীতির মহোৎসব চলছে পিডি কাঁকনের নেতৃত্বে, অনিয়ম সমূহ বরাদ্ধের বিপরীতে অর্থ আত্মসাৎ: কৃষকদের অনুকুলে বরাদ্দকৃত প্রদর্শনী ও উপকরণের টাকার পুরো অংশ না দিয়ে তা থেকে বড় অংকের টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে রাঙ্গামাটির সদরে, রাজস্থলী, বানিয়ারচর,ও বাঘাইছড়ি উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা/উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলেও নাম মাত্র প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়েছে বলে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত একাধিক কৃষি উদ্যোক্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান।

প্রকল্পের আওতায় সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ডের ভাবমূর্তি চরম ভাবে খুন্ন হচ্ছে পিডির আর্থিক অনিয়ম দুনীতি কারণে। কাজের স্থবিরতা,নির্ধারিত মেয়াদ ও সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া পিডির তদারকির অভাব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দের উদাসীনতা ও মাঠপর্যায়ে সঠিক তদারকি না থাকায় চাষিদের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়া শুফল ভুগীরা বঞ্চিত হচ্ছে শুধু মাত্র পিডির আর্থিক দুনীতি কারণে বলে জানা জায়। উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে পিডি কাঁকনের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না, করাইতে তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নী।