ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

টেকনাফে ‘প্রাণ জুস’ খেয়ে জ্ঞান হারালেন ৯ অতিথি

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রাণ জুস খেয়ে এক বাড়ির ৯ অতিথি জ্ঞান হারিয়েছেন। রবিবার (৫ ফ্রেবুয়ারি) রাতে টেকনাফের হ্নীলা পশ্চিত সিকদার পাড়া এলাকার বক্করের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় মেলেনি। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা বক্করের বাড়িতে কিছু অতিথি বেড়াতে আসেন। তাদের আপ্যায়ন করার জন্য হ্নীলা বাজার থেকে প্রাণ কোম্পানির এক লিটারের জুস এনে পরিবেশন করেন।

কিন্তু অতিথিরা জুস খাওয়ার প্রায় আধাঘণ্টার মাথায় জ্ঞান হারান। তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার পর বক্কর ও তার পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে আমাকে জানায় এবং সাথে সাথে অতিথিদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান।

পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, আমার কাছে এরকম কোন খবর আসেনি, তবে বিষয়টি দেখছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

টেকনাফে ‘প্রাণ জুস’ খেয়ে জ্ঞান হারালেন ৯ অতিথি

আপডেট সময় ০৯:৫০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রাণ জুস খেয়ে এক বাড়ির ৯ অতিথি জ্ঞান হারিয়েছেন। রবিবার (৫ ফ্রেবুয়ারি) রাতে টেকনাফের হ্নীলা পশ্চিত সিকদার পাড়া এলাকার বক্করের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় মেলেনি। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা বক্করের বাড়িতে কিছু অতিথি বেড়াতে আসেন। তাদের আপ্যায়ন করার জন্য হ্নীলা বাজার থেকে প্রাণ কোম্পানির এক লিটারের জুস এনে পরিবেশন করেন।

কিন্তু অতিথিরা জুস খাওয়ার প্রায় আধাঘণ্টার মাথায় জ্ঞান হারান। তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার পর বক্কর ও তার পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে আমাকে জানায় এবং সাথে সাথে অতিথিদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান।

পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, আমার কাছে এরকম কোন খবর আসেনি, তবে বিষয়টি দেখছি।