জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে পদায়ন কি যোগ্যতার নিরিখে হবে, নাকি পেছনের দরজার চেনা সিন্ডিকেটের হাত ধরেই নির্ধারিত হবে? গত জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রশাসনিক অঙ্গনে যে স্বচ্ছতা ও কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) সর্বোচ্চ পদ ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সেই আশায় জল ঢেলে দিচ্ছে। অভিযোগ উঠছে, বিগত আওয়ামী শাসনের সুফলভোগী একটি ক্ষমতাধর চক্র নিজেদের কবজা বজায় রাখতে পছন্দের কর্মকর্তাকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে বসানোর চক্রান্তে নেমেছে। আলোচনার তুঙ্গে থাকা এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে অবস্থান করছেন সংস্থাটির এনওসিএস নর্থ জোনের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ তারিকুল হক।
পরিবর্তনের হাওয়ায় পুরোনো বলয়ের অটুট কর্তৃত্ব: প্রশাসনিক সম্পদকে যখন গোষ্ঠীস্বার্থ হাসিলের মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়, তখন প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সরকারি তহবিলের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ চরম হুমকির মুখে পড়ে। রাজনৈতিক ক্ষমতার রদবদল ঘটার পরও যদি পুরোনো প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে কোনো চিড় না ধরে, তবে কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগগুলো কেবল দাপ্তরিক কাগজেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম প্রধান সংস্থা ডিপিডিসির শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে সম্প্রতি যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে এই বলয়কেন্দ্রিক রাজনীতি। ওয়াকিফহাল মহলের দাবি, বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের আমলে গড়ে ওঠা কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের কতিপয় সুবিধাভোগী ব্যক্তিবর্গ এখনো নিজ নিজ অবস্থানে বহাল তবিয়তে আছেন। সরকার পরিবর্তনের পরেও তাঁদের একক প্রভাব কমেনি; বরং নিজেদের আজ্ঞাবহ কাউকে এমডি চেয়ারে বসিয়ে আগের মতোই কর্তৃত্ব অব্যাহত রাখার পাঁয়তারা চলছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠন ‘অ্যাব’-এর শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
বিতর্কিত কর্মকর্তার পদায়নে দুদকের তদন্তের মুখে প্রশ্ন: প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ তারিকুল হককে এমডি হিসেবে অধিষ্ঠিত করতে ওই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী জোর তৎপরতা চালাচ্ছি। অথচ তাঁর অতীতের বিভিন্ন বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাপ্তরিক অভিযোগ পেশ করা হয়েছে। দাখিলকৃত অভিযোগে মেগা প্রকল্পে অনিয়ম, ঠিকাদারদের অনৈতিক সুবিধা প্রদান, পারফরম্যান্স গ্যারান্টির টাকা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ফেরত, বিভাগীয় তদন্ত বাধাগ্রস্ত করা এবং দুর্নীতির সিন্ডিকেটে যুক্ত থাকার মতো গুরুতর বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দুদক সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে, এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। এমতাবস্থায় অনুসন্ধানের চূড়ান্ত সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে এমন সংবেদনশীল পদের দায়িত্বে বসানোর আইনি ও নৈতিক যৌক্তিকতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
দাপ্তরিক আবেদনের উধাও হওয়া নিয়ে প্রশাসনিক ধোঁয়াশা: দুদকে জমাকৃত অভিযোগপত্র বিশ্লেষণ করে জানা যায়, আবেদনের প্রতিলিপি একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিবের দপ্তরেও পাঠানো হয়েছিল। বিস্ময়কর বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে অনুসন্ধানের পর ওই চিঠির কোনো দাপ্তরিক প্রাপ্তি স্বীকার কিংবা নথির সন্ধান মিলছে না। শীর্ষপদে নিয়োগের সময় কোনো পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির আবেদন জমা পড়লে তা যথাযথ নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা ও যাচাই করা স্বাভাবিক প্রশাসনিক রীতি। কিন্তু আবেদন পাঠানোর সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকা সত্ত্বেও দপ্তরগুলোতে নথি না থাকা স্বাভাবিক অব্যবস্থাপনা নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে গায়েব করার নজির—তা খতিয়ে দেখা দরকার। নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো দাবি করছে, নিয়োগের পথে আইনি বাধা দূর করতেই একটি অসাধু চক্র কৌশলগতভাবে এসব নথি গায়েব করে দিয়েছে। ফলে নথি আড়ালের এই বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে।
সাবেক আওয়ামী এমপির সঙ্গে বিতর্কিত সখ্য ও প্রকল্পের অনিয়ম: অভিযোগপত্রে প্রকৌশলী তারিকুল হকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর মধ্যে পদ্মা রেলসেতুসংক্রান্ত একটি বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তর প্রকল্পের আর্থিক অনিয়ম সবচেয়ে আশঙ্কাজনক। অভিযোগে প্রকাশ, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সাবেক শীর্ষ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুরের সঙ্গে তারিকুল হকের ঘনিষ্ঠ সখ্য গড়ে ওঠে। এমনকি সোনার তৈরি একটি বিশেষ নৌকা উপহার দেওয়ার মাধ্যমে এই অসাধু আঁতাত আরও মজবুত হয়। পরবর্তী সময়ে পদের অপব্যবহার করে ওই আওয়ামী নেতার মালিকানাধীন ‘এমএএস কনসোর্টিয়াম’ নামক প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ৩৫ কোটি টাকা বাজেটের “Shifting of 33kv & 11/0.4 kv line and Distribution transformer for Padma Railway Bridge Area of Dhaka-Narayangonj Highway Road Under NOCS Motijheel, Maniknagor, Swamibag, Postogola, Jurain, Shampur & Fatullah” কাজটি উক্ত সংস্থাকে পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল।
কাজ না করেই সরকারি অর্থ উত্তোলন ও মালামাল আত্মসাৎ: দরপত্র প্রক্রিয়ায় কারচুপির বাইরেও প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যায় নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে। পিডি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন তারিকুল হক ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়াই সম্পূর্ণ বিল তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। শুধু তা-ই নয়, প্রকল্প এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত পুরোনো ও নতুন যন্ত্রাংশ বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও সেখানে করা হয়েছে। এসব অনিয়মের সঠিক চিত্র তুলে আনতে প্রকল্পের মালামালের তালিকা, অর্থ ছাড়ের ফাইল এবং প্রকৃত কাজের ভৌত পরীক্ষা জরুরি হয়ে পড়েছে। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, এই মালামালের সঠিক হিসাব চেয়ে ডিপিডিসি ও বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে বারবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তারিকুল হক কোনো উত্তর দেননি। দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতেই যে এই নীরবতা পালন করা হয়েছিল, তা স্পষ্ট।
পিজি নগদায়ন না করে ঠিকাদারকে বেআইনি সুবিধা প্রদান: অনুরূপভাবে ‘Digitization and Automation of Substation Metering System’ (DASMS) প্রকল্প কেন্দ্রিক দুর্নীতিও তদন্তের দাবি রাখে। নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি টেন্ডার ডাকার পর ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ ‘EDMI Abbey TEC Totaltel JV’-এর সঙ্গে ২৬ কোটি টাকার বেশি অঙ্কের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির বাধ্যবাধকতা হিসেবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ডিপিডিসিকে ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংকের দুটি পারফরম্যান্স গ্যারান্টি প্রদান করে, যার ট্র্যাকিং নম্বর NCCB/GB/CR/BG/TT-119/2018 (তারিখ: ২১ মে ২০১৮) এবং NCCB/GB/CR/BG/TT-118/2018 (তারিখ: ২২ মে ২০১৮)। এসব ব্যাংক গ্যারান্টির সম্মিলিত মূল্য ছিল ৫ কোটি ২১ লাখ ৩৬৭ টাকা। চুক্তিভঙ্গের কারণে নিয়ম অনুযায়ী এই অর্থ বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাাগারে জমার বিধান থাকলেও, প্রধান প্রকৌশলী তারিকুল হকের হস্তক্ষেপে ব্যাংকের সেই ৫ কোটি ২১ লাখের বেশি টাকা ঠিকাদারকে অনিয়ম করে ফেরত দেওয়া হয়। ফলে ডিপিডিসি বিশাল অঙ্কের রাজস্ব হারায়। এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও অদৃশ্য শক্তির চাপে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।
সিন্ডিকেট রাজত্ব, বরখাস্তের ইতিহাস ও ক্ষমতার দাপট: আবেদনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন আওয়ামী সরকারের সময় ডিপিডিসির প্রভাবশালী তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে তারিকুল হকের একচ্ছত্র সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। এই বলয়টি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও দরপত্র নিয়ন্ত্রণের মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে সংস্থার প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরাও এই সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না। যদিও এসব অভিযোগ প্রমাণসাপেক্ষ, তবুও সরকারি সংস্থায় এমন প্রভাববলয় গড়ে ওঠা মারাত্মক প্রশাসনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের নামান্তর। তদুপরি, তারিকুল হকের বিরুদ্ধে অতীতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার রেকর্ড এবং দুদকের মামলায় চার্জশিটভুক্ত হওয়ার বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে নারীঘটিত অভিযোগ ও রহস্যজনক নিরাসক্তি: যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন তারিকুল হকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত নারীঘটিত এক কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গও আবেদনের মাধ্যমে সামনে এসেছে। সেখানে বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে সরাসরি অভিযোগ জানালে একজন সিনিয়র সহকারী সচিবের ওপর তদন্তের দায়িত্ব পড়ে। কিন্তু অভিযোগকারীদের দাবি, তৎকালীন ক্ষমতাধর সংসদ সদস্য আবদুস সবুরের রাজনৈতিক চাপ ব্যবহার করে তদন্ত প্রক্রিয়াটি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা কেন্দ্রিক তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি অনৈতিক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, যার প্রাথমিক সত্যতা অনুসন্ধানের কাজ চলছে এবং তা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।
আত্মপক্ষ সমর্থনে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষের অবস্থান: সব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ তারিকুল হক ডাচমাস (DASMS) প্রকল্পে পিজি ফেরত দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, “আমি ডিপিডিসির কোনো অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত নই। প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক একই দপ্তরে কাজ করার কারণে দাপ্তরিক প্রয়োজনে আলোচনা হতো, এর বাইরে কোনো ব্যক্তিগত ও অসাধু সখ্য ছিল না।” নারীঘটিত বিতর্ক নিয়ে তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, এ বিষযয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখের সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টার পরও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ডিপিডিসির শীর্ষপদ নিয়ে বিষেজ্ঞদের কঠোর হুঁশিয়ারি: ডিপিডিসির মতো স্পর্শকাতর রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থার শীর্ষ পদায়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম। তিনি অভিমত প্রকাশ করেন, জনস্বার্থ রক্ষায় এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে একজন সৎ, নিরপেক্ষ ও নৈতিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া অপরিহার্য। কোনো বিতর্কিত বা অসৎ ব্যক্তি যাতে এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে না পারেন, সে বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতৃত্ব বাছাই নিশ্চিত করাই বিদ্যুৎ খাতের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মূল শর্ত।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ টিআইবি-র: সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও বিতর্ক মুক্ত রাখার তাগিদ দিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষপদের নিয়োগপ্রক্রিয়া যদি জবাবদিহিমূলক এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে না হয়, তবে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার ওপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যায়। তিনি এই পদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও উপযুক্ততার মানদণ্ড প্রকাশ্যে আনার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেন যে, গোপনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চর্চা দুর্নীতি ও অনিয়মকেই নতুন করে উসকে দেয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















