ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনায় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বাক্কো নির্বাচনে সভাপতি ফয়সল আলিম, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন ময়মনসিংহে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা (এইচএসসি) ২০২৬-এর ফলাফল ঘোষণা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ মিঠাপুকুরে পরিত্যক্ত বিএস কোয়ার্টার: মাদকের আখড়া ও অবৈধ দখলের স্বর্গরাজ্য কালীগঞ্জ হাটে ছয় মাসে অতিরিক্ত আদায় ৫ থেকে ৭ লাখ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ৫ হাজার! সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন, এলাকাজুড়ে শোকের মাতম আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আব্দুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ বড়লেখার দুর্গম পাহাড়ে আলো ছড়াচ্ছেন নবীন শিক্ষক নান্টু পাল

আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী

২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষার ফলাফলে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজার ৩০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২৯১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ জন। সে হিসাবে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৪৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের মাদরাসাগুলোর মধ্যে বিশেষ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আলিম পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় সারা দেশে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। জাতীয় গড় পাসের হারের তুলনায় দারুননাজাতের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ৫৯২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন এবারের ফলাফলে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

দারুননাজাতের এবারের সাফল্য কেবল সামগ্রিক ফলাফলের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শাখার ফলেও রয়েছে উজ্জ্বলতার স্বাক্ষর। চারটি শাখার মধ্যে দারুননাজাত তাখসিসি শাখা ও দারুননাজাত মাদরাসা কিতাব বিভাগে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তাখসিসি শাখায় ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯ জন, যা এ শাখার মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে, মাদরাসা কিতাব বিভাগের ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জনই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এ বিভাগে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার প্রায় ৮৫ শতাংশ। মহিলা শাখার ফলও সন্তোষজনক। এ শাখায় ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০৭ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলও প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের সামগ্রিক চিত্রকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে ২১৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে, অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৪ জন। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৭ জন। অন্যদিকে, সাধারণ বিভাগে ১ হাজার ৭৮ জন উত্তীর্ণ এবং ১৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। এ বিভাগে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৫০৫ জন শিক্ষার্থী।

দেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মাদরাসার ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলেও দারুননাজাতের সাফল্যের মাত্রা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার যাত্রাবাড়ী, টঙ্গী ও মহিলা শাখার সম্মিলিত ফলাফলে পাসের হার ৯৭ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ২৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার পাসের হার ৯৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ১৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সে তুলনায় দারুননাজাতের পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৪৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। অনুত্তীর্ণের হারও প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম, মাত্র ১ দশমিক ১৫ শতাংশ। বিপরীতে তামিরুল মিল্লাতের উল্লিখিত তিন শাখার সম্মিলিত অনুত্তীর্ণের হার ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার ২ দশমিক ৬০ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটির এ সাফল্যের পেছনে দীর্ঘদিনের শিক্ষাচর্চা, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন মাদরাসার প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা আ. খ. ম. আবু বকর সিদ্দীক। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, দলীয় রাজনীতিমুক্ত পরিবেশে সুন্নতে নববীর পূর্ণ অনুসরণ এবং আউলিয়ায়ে কেরামের অনুসৃত আদর্শকে ধারণ করে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

তিনি বলেন, দ্বীনি পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যবসায়, গভর্নিং বডির দক্ষ পরিচালনা, এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা, শিক্ষকদের কর্তব্যনিষ্ঠা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত—সব মিলিয়েই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

শিক্ষার সাফল্য কেবল জিপিএ-৫-এর সংখ্যায় পরিমাপ করা যায় না, এর পেছনে থাকে শিক্ষার্থীদের নিরলস সাধনা, শিক্ষকদের নিষ্ঠা, অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং একটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়াস। দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসার এবারের ফলাফল সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। জাতীয় গড়ের তুলনায় উচ্চ পাসের হার, বিপুলসংখ্যক জিপিএ-৫ এবং শাখাভিত্তিক সাফল্য—সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের মাদরাসা শিক্ষাঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনায় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার

আলিমে সাফল্যের শীর্ষে দারুননাজাত, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৬:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষার ফলাফলে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজার ৩০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২৯১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ জন। সে হিসাবে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৪৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের মাদরাসাগুলোর মধ্যে বিশেষ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আলিম পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় সারা দেশে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। জাতীয় গড় পাসের হারের তুলনায় দারুননাজাতের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ৫৯২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন এবারের ফলাফলে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

দারুননাজাতের এবারের সাফল্য কেবল সামগ্রিক ফলাফলের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শাখার ফলেও রয়েছে উজ্জ্বলতার স্বাক্ষর। চারটি শাখার মধ্যে দারুননাজাত তাখসিসি শাখা ও দারুননাজাত মাদরাসা কিতাব বিভাগে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তাখসিসি শাখায় ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯ জন, যা এ শাখার মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে, মাদরাসা কিতাব বিভাগের ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জনই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এ বিভাগে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার প্রায় ৮৫ শতাংশ। মহিলা শাখার ফলও সন্তোষজনক। এ শাখায় ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০৭ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলও প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের সামগ্রিক চিত্রকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে ২১৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে, অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৪ জন। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৭ জন। অন্যদিকে, সাধারণ বিভাগে ১ হাজার ৭৮ জন উত্তীর্ণ এবং ১৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। এ বিভাগে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৫০৫ জন শিক্ষার্থী।

দেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মাদরাসার ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলেও দারুননাজাতের সাফল্যের মাত্রা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার যাত্রাবাড়ী, টঙ্গী ও মহিলা শাখার সম্মিলিত ফলাফলে পাসের হার ৯৭ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ২৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার পাসের হার ৯৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ১৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সে তুলনায় দারুননাজাতের পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৪৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। অনুত্তীর্ণের হারও প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম, মাত্র ১ দশমিক ১৫ শতাংশ। বিপরীতে তামিরুল মিল্লাতের উল্লিখিত তিন শাখার সম্মিলিত অনুত্তীর্ণের হার ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার ২ দশমিক ৬০ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটির এ সাফল্যের পেছনে দীর্ঘদিনের শিক্ষাচর্চা, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন মাদরাসার প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা আ. খ. ম. আবু বকর সিদ্দীক। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, দলীয় রাজনীতিমুক্ত পরিবেশে সুন্নতে নববীর পূর্ণ অনুসরণ এবং আউলিয়ায়ে কেরামের অনুসৃত আদর্শকে ধারণ করে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

তিনি বলেন, দ্বীনি পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যবসায়, গভর্নিং বডির দক্ষ পরিচালনা, এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা, শিক্ষকদের কর্তব্যনিষ্ঠা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত—সব মিলিয়েই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

শিক্ষার সাফল্য কেবল জিপিএ-৫-এর সংখ্যায় পরিমাপ করা যায় না, এর পেছনে থাকে শিক্ষার্থীদের নিরলস সাধনা, শিক্ষকদের নিষ্ঠা, অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং একটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়াস। দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসার এবারের ফলাফল সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। জাতীয় গড়ের তুলনায় উচ্চ পাসের হার, বিপুলসংখ্যক জিপিএ-৫ এবং শাখাভিত্তিক সাফল্য—সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের মাদরাসা শিক্ষাঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।