ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘ব্যাটিং বিভাগে দায়িত্ব নিতে পারেনি দল’: তামিম বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সার্বিয়ার শ্রমবাজার খুলতে সরকারের উদ্যোগ চায় সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশে প্রায় অর্ধেক নারীর বিয়ে ১৮ বছরের আগেই: ইউনিসেফ ডাকাতি-ছিনতাইয়ের মামলা থেকে শতকোটি টাকার মালিক, ইজি ফ্যাশনের তৌহিদকে ঘিরে নানা অভিযোগ রংপুর-রাজশাহী ঘুরে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রিজার্ভ বাড়লেও আইএমএফের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, বিদেশি ঋণে আর কত দিন? হুথি হামলা প্রতিরোধে সৌদিতে যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য রেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিপর্যয় থেকে টানলেন বাভুমা আকিজ ফুডের ধামরাই কারখানায় পণ্য খালাসে বাধা, ২০ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ লালপুরে ভ্যান চোর চক্রের চার সদস্য আটক, ৩৭ হাজার টাকা উদ্ধার

আকিজ ফুডের ধামরাই কারখানায় পণ্য খালাসে বাধা, ২০ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় পণ্য লোড-আনলোড (বোঝাই ও খালাস) কার্যক্রমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা ও বকশিশ আদায় করতে না পারায় শ্রমিকদের একটি অংশকে উসকানি দিয়ে এ অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে।

এ ঘটনার নেপথ্যে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় দুই নেতার প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান। এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ বিষয়ে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ।

কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারখানার পণ্য লোড-আনলোডের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স এম. এম. এন্টারপ্রাইজ’-এর কিছু শ্রমিকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যবাহী ট্রাকের চালকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বকশিশ ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠছিল। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি কারখানা কর্তৃপক্ষ অননুমোদিতভাবে টাকা আদায়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এর জেরে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা প্রথমে কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কাজে ফিরলেও এক-তৃতীয়াংশ লোকবল নিয়ে ধীরগতিতে কাজ শুরু করেন। এতে কারখানার স্বাভাবিক পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং প্রায় ২০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ নতুন ভেন্ডর (ঠিকাদার) নিয়োগ দিলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের কাজ বন্ধ করতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এর জেরে সোমবার বিকেলে ওই ভেন্ডরের শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নেমে আসেন। এ সময় তাঁরা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, কাজ চালু রাখার জন্য নতুন ভেন্ডরের কয়েকজন শ্রমিক কাজ করতে গেলে সোমবার দুপুরে তাঁদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এ বিষয়েও নতুন ভেন্ডর কর্তৃপক্ষ ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ওই অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কাদের নামের এক শ্রমিক সর্দারকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এ ঘটনার নেপথ্যে থেকে ইন্ধন জোগাচ্ছেন মেসার্স এম. এম. এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মোজাম্মেল হক ও স্থানীয় কুশুন্দিয়া এলাকার ইউপি সদস্য মো. ঈমান আলী। এই ব্যক্তিরা নতুন ভেন্ডরকে সরিয়ে দিয়ে পুনরায় নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে এ কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা মো. মামুনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নতুন ভেন্ডরের কর্মীদের কারখানা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন এবং নিজের লোকজন দিয়ে কাজ চালু রাখার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

কারখানা কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন ভেন্ডরকে বাদ দেওয়ার শর্তেই কেবল তাদের শ্রমিকেরা পুরোদমে কাজ করতে রাজি আছেন।

সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানা প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি, শ্রমিক বা চালকদের ওপর শারীরিক নিগ্রহের মতো অনভিপ্রেত ঘটনা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার পরিপন্থী। একটি সুনির্দিষ্ট চক্রের অযৌক্তিক কর্মবিরতি ও ধীরগতির কারণে কারখানার উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। আমরা কারখানার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর্মরত প্রত্যেকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছি। একই সঙ্গে উৎপাদন সচল রাখতে আইনানুগ পন্থায় বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কর্তৃপক্ষের একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। একটি স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ব্যাটিং বিভাগে দায়িত্ব নিতে পারেনি দল’: তামিম

আকিজ ফুডের ধামরাই কারখানায় পণ্য খালাসে বাধা, ২০ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় পণ্য লোড-আনলোড (বোঝাই ও খালাস) কার্যক্রমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা ও বকশিশ আদায় করতে না পারায় শ্রমিকদের একটি অংশকে উসকানি দিয়ে এ অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে।

এ ঘটনার নেপথ্যে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় দুই নেতার প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান। এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ বিষয়ে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ।

কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারখানার পণ্য লোড-আনলোডের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স এম. এম. এন্টারপ্রাইজ’-এর কিছু শ্রমিকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যবাহী ট্রাকের চালকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বকশিশ ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠছিল। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি কারখানা কর্তৃপক্ষ অননুমোদিতভাবে টাকা আদায়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এর জেরে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা প্রথমে কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কাজে ফিরলেও এক-তৃতীয়াংশ লোকবল নিয়ে ধীরগতিতে কাজ শুরু করেন। এতে কারখানার স্বাভাবিক পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং প্রায় ২০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ নতুন ভেন্ডর (ঠিকাদার) নিয়োগ দিলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের কাজ বন্ধ করতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এর জেরে সোমবার বিকেলে ওই ভেন্ডরের শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নেমে আসেন। এ সময় তাঁরা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, কাজ চালু রাখার জন্য নতুন ভেন্ডরের কয়েকজন শ্রমিক কাজ করতে গেলে সোমবার দুপুরে তাঁদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এ বিষয়েও নতুন ভেন্ডর কর্তৃপক্ষ ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ওই অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কাদের নামের এক শ্রমিক সর্দারকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এ ঘটনার নেপথ্যে থেকে ইন্ধন জোগাচ্ছেন মেসার্স এম. এম. এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মোজাম্মেল হক ও স্থানীয় কুশুন্দিয়া এলাকার ইউপি সদস্য মো. ঈমান আলী। এই ব্যক্তিরা নতুন ভেন্ডরকে সরিয়ে দিয়ে পুনরায় নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে এ কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা মো. মামুনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নতুন ভেন্ডরের কর্মীদের কারখানা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন এবং নিজের লোকজন দিয়ে কাজ চালু রাখার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

কারখানা কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন ভেন্ডরকে বাদ দেওয়ার শর্তেই কেবল তাদের শ্রমিকেরা পুরোদমে কাজ করতে রাজি আছেন।

সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানা প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি, শ্রমিক বা চালকদের ওপর শারীরিক নিগ্রহের মতো অনভিপ্রেত ঘটনা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার পরিপন্থী। একটি সুনির্দিষ্ট চক্রের অযৌক্তিক কর্মবিরতি ও ধীরগতির কারণে কারখানার উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। আমরা কারখানার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর্মরত প্রত্যেকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছি। একই সঙ্গে উৎপাদন সচল রাখতে আইনানুগ পন্থায় বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কর্তৃপক্ষের একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। একটি স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।