ম্যাচের শেষ দিকে অপ্রয়োজনীয় এক ভুলের বড় মূল্য দিতে হয়েছে মাইকেল অলিসেকে। তাঁর আচরণে ক্ষুব্ধ বায়ার্ন মিউনিখের কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি ও সতীর্থ হ্যারি কেইনও। এবার ফরাসি উইঙ্গারকে আর্থিক জরিমানা করা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে জার্মান ক্লাবটিতে।
মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগে নরওয়ের ক্লাব ভাইকিংয়ের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে বায়ার্ন। ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক জ্লাতকো ত্রিপিচের মুখে বল ছুড়ে মারেন অলিসে। এর কয়েক মুহূর্ত আগেই হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখানো হলে লাল কার্ড নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে।
ম্যাচের একপর্যায়ে ০-২ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল বায়ার্ন। হ্যারি কেইনের জোড়া গোল এবং লুইস দিয়াজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েও যায় দলটি। কিন্তু অলিসের লাল কার্ডের পর ১০ জনের বায়ার্ন শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে। ৯০তম মিনিটে সমতাসূচক গোল করে ভাইকিং। ফলে জয় হাতছাড়া হয় জার্মান জায়ান্টদের।
অলিসের আচরণে বিরক্ত কোম্পানি ম্যাচ শেষে তাঁর কাণ্ডকে ‘ভীষণ বোকামি’ বলে উল্লেখ করেন। কোচের মতে, এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় তাঁর চেয়ে বেশি বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন। কেইনও বলেছেন, নিজের ভুলের দায় অলিসেকেই নিতে হবে এবং এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
ফরাসি উইঙ্গারের এই আচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনা হয়েছে। স্পেনের মার্কা লিখেছে, সাধারণত শান্ত স্বভাবের অলিসে নরওয়েতে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। আরেক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম আস শিরোনাম করেছে, ‘অলিসে ঝামেলা তৈরি করছেন।’
বায়ার্নের ক্রীড়া পরিচালক ম্যাক্স এবারল অবশ্য অলিসের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ শাস্তির বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে পরে এ নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অলিসেকে জরিমানা করা হতে পারে কি না, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি এবারল।
ক্রীড়া প্রতিবেদক 
























