ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এ মাসেই বাংলাদেশের জন্য ঋণ অনুমোদন করতে পারে আইএমএফ

আসছে ৩০ জানুয়ারির বৈঠকেই বাংলাদেশের জন্য সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদ। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ এ আশা প্রকাশ করেছেন।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ শেষে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এর আগে রোববার (১৫ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু বিনিয়োগে বাংলাদেশের চাহিদা পূরণে সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের পাশাপাশি আমদানি নির্ভর জলবায়ু বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোও আইএমএফের ও রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) লক্ষ্য।

সব ঠিক থাকলে ৪২ মাসের চুক্তিতে সরকারের নেওয়া ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে’ সহায়তা হিসেবে আইএমএফের এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) ও এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি থেকে ৩২০ কোটি ডলার ঋণ পাবে বাংলাদেশ। আর রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় পাবে বাকি ১৩০ কোটি ডলার। প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী ২০২৬ সালে শেষ কিস্তি হাতে পাবে বাংলাদেশ। সুদের হার হবে ২.২ শতাংশ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ মাসেই বাংলাদেশের জন্য ঋণ অনুমোদন করতে পারে আইএমএফ

আপডেট সময় ১২:০৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

আসছে ৩০ জানুয়ারির বৈঠকেই বাংলাদেশের জন্য সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদ। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ এ আশা প্রকাশ করেছেন।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ শেষে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এর আগে রোববার (১৫ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু বিনিয়োগে বাংলাদেশের চাহিদা পূরণে সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের পাশাপাশি আমদানি নির্ভর জলবায়ু বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোও আইএমএফের ও রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) লক্ষ্য।

সব ঠিক থাকলে ৪২ মাসের চুক্তিতে সরকারের নেওয়া ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে’ সহায়তা হিসেবে আইএমএফের এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) ও এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি থেকে ৩২০ কোটি ডলার ঋণ পাবে বাংলাদেশ। আর রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় পাবে বাকি ১৩০ কোটি ডলার। প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী ২০২৬ সালে শেষ কিস্তি হাতে পাবে বাংলাদেশ। সুদের হার হবে ২.২ শতাংশ।