ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অনিবন্ধিত অনলাইন ও নিউজ পেজের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর সফর হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক ২০২৬ পেলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জের নাহিদ উজ্জামান আত্রাইয়ে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ পিস বুপ্রেনরফিনসহ আটক ১ জাসদ কার্যালয় ঘিরে যুবদলের অবস্থান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী: জিএম কাদের ফরিদপুরে হত্যা মামলার তদন্তপ্রাপ্ত আসামি ঝিনাইদহ থেকে গ্রেপ্তার নেপালে সম্মাননা স্মারক পেলেন মঠবাড়িয়ার সন্তান সাংবাদিক শামসুদ্দোহা প্রিন্স ক্যালিফোর্নিয়ায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষা সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরলেন শামা ওবায়েদ মাদকবিরোধী ভূমিকার কুচক্রী মহলের নিশানায় ইঞ্জিনিয়ার শেখ রেজওয়ান নাশকতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে: গয়েশ্বর

জাসদ কার্যালয় ঘিরে যুবদলের অবস্থান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী: জিএম কাদের

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে ২৬ সেপ্টেম্বর যুবদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ঘেরাও করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার প্রতিকার করতে হবে।

জিএম কাদের বলেন, ২৬ সেপ্টেম্বর জাসদ কার্যালয়ে একটি সভা চলাকালে যুবদলের নেতাকর্মীরা কার্যালয়টি ঘিরে অবস্থান নেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী ২৭৮ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়। পরে ২৭ জনকে কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।

জাসদ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, সভাটি একটি দলীয় গতানুগতিক কর্মসূচির অংশ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিয়ে করা হয়েছিল।

একটি বৈধ রাজনৈতিক দলের সভায় সরকারি দলের সহিংস আক্রমণ ও পরবর্তীতে পুলিশি অভিযান পরিকল্পিতভাবে দলটির শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে বলে সন্দেহ করার অবকাশ আছে।

সে কারণে এ বিষয়টিকে গণতন্ত্র চর্চার ব্যত্যয় ও অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা যায়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে শুধুমাত্র তারাই এ ধরনের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখেন।

জিএম কাদের একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনিবন্ধিত অনলাইন ও নিউজ পেজের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাসদ কার্যালয় ঘিরে যুবদলের অবস্থান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী: জিএম কাদের

আপডেট সময় ০৩:১৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে ২৬ সেপ্টেম্বর যুবদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ঘেরাও করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার প্রতিকার করতে হবে।

জিএম কাদের বলেন, ২৬ সেপ্টেম্বর জাসদ কার্যালয়ে একটি সভা চলাকালে যুবদলের নেতাকর্মীরা কার্যালয়টি ঘিরে অবস্থান নেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী ২৭৮ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়। পরে ২৭ জনকে কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।

জাসদ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, সভাটি একটি দলীয় গতানুগতিক কর্মসূচির অংশ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নিয়ে করা হয়েছিল।

একটি বৈধ রাজনৈতিক দলের সভায় সরকারি দলের সহিংস আক্রমণ ও পরবর্তীতে পুলিশি অভিযান পরিকল্পিতভাবে দলটির শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে বলে সন্দেহ করার অবকাশ আছে।

সে কারণে এ বিষয়টিকে গণতন্ত্র চর্চার ব্যত্যয় ও অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা যায়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে শুধুমাত্র তারাই এ ধরনের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখেন।

জিএম কাদের একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।