ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুই কন্যাসন্তানকে রেখে স্ত্রী আনিসুর রহমান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রবাসী রিয়াজ। তাঁর দাবি, স্ত্রী যাওয়ার সময় জমানো টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন। তবে সম্পদের চেয়ে দুই মেয়েকে হত্যার হুমকির অভিযোগ নিয়েই বেশি উদ্বিগ্ন তিনি।
রিয়াজ জানান, পরিবারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে কাজ করছেন। সম্প্রতি জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রী দুই মেয়েকে রেখে আনিসুর রহমানের সঙ্গে চলে গেছেন। আনিসুর রহমান বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট চকডোষ এলাকার অহিদ মিয়ার ছেলে এবং বিবাহিত—এমন দাবি করেছেন রিয়াজ। তবে স্ত্রী কেন তাঁর সঙ্গে গেছেন বা তাঁদের সম্পর্কের প্রকৃতি কী, সে বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রিয়াজের অভিযোগ, স্ত্রী চলে যাওয়ার পর দুই মেয়েকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি বিদেশে থেকেও চরম আতঙ্কে রয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকারের ক্ষতি সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও সন্তানদের কোনো ক্ষতি হলে তা পূরণ করা যাবে না।
রিয়াজ বলেন, ‘পরিবারের জন্য বিদেশে থেকে কষ্ট করে টাকা উপার্জন করেছি। কিন্তু এখন টাকা-পয়সা বা স্বর্ণালংকার নয়, আমার দুই মেয়ের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি হুমকির উৎস শনাক্ত, ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দুই শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে। তবে রিয়াজের স্ত্রী ও আনিসুর রহমানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে স্ত্রী চলে যাওয়া, অর্থ-স্বর্ণ নিয়ে যাওয়ার দাবি এবং হত্যার হুমকির অভিযোগ—সবকিছুর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
রিয়াজ ফরাজী 






















