ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রাখতে হবে: ড. মঈন খান সওজের প্রকৌশলী শাহনুর রশিদকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বিরোধী দল: রিজভী পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন: পুলিশ সুপার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ময়লার বিল থেকে বছরে ৩১৭ কোটি টাকা আদায়, সিটি করপোরেশন পায় ১২ কোটি-বাকি টাকা যায় কোথায়? সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ কালিয়াকৈরে ইবনে সিনার কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযানে ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

গাজীপুরে কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ যুবলীগ নেতা ‘রাধুনী হাবিবের’ বিরুদ্ধে

রাজনীতি ও ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ বৈধ করার এক চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুরের আলোচিত যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান ওরফে রাধুনী হাবিবের বিরুদ্ধে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও বেআইনি টাকা মালিকদের অবৈধ টাকা নিজের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের মাধ্যমে কৌশলে কালো টাকা সাদা করার কাজ করছেন তিনি, এমন অভিযোগে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দিয়েছে জমা গাজীপুরের বাসন এলাকার বাসিন্দা মুস্তাফিজুর রহমান।
তিনি দুদক বরাবর লিখিত এই আবেদনে রাধুনী হাবিবের প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের সুনির্দিষ্ট হিসাব তুলে ধরেছেন । আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংক্ষিপ্ত সময়ে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছেন হাবিবুর রহমান। তাঁর উল্লেখযোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে মাজুখানে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের চারতলা বাড়ি, বোর্ড বাজারে আনুমানিক ৩ কোটি টাকা মূল্যের চারতলা বাড়ি এবং সোনিয়া গার্মেন্টস সংলগ্ন ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার টিনশেড বাড়ি। পাশাপাশি বোর্ড বাজারের বাংলার রাধুনী রেস্তোরাঁ সম্পত্তি ও জামানতসহ প্রায় ৪ কোটি টাকা, এবং লবঙ্গ রেস্তোরাঁ বর্তমানে সেটা অ্যারাবিয়ান রেস্তোরাঁ নামে রয়েছে, তার সম্পত্তি ও জামানতসহ প্রায় ২ কোটি টাকা তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

‎অভিযোগে বলা হয়, রেস্তোরাঁ ব্যবসায় বিগত ছয় বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বিক্রয়ের বিপরীতে অর্জিত কোটি কোটি টাকার হিসাব আয়কর বিভাগ ও সরকারের কাছে গোপন করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বাংলার রাধুনী রেস্তোরাঁর বাফেট ও পার্টি সেন্টার থেকে অর্জিত কোটি কোটি টাকার প্রকৃত আয় ও ভ্যাট গোপন করে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করার জালিয়াতি চালানো হয়েছে। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, রাধুনী হাবিব কেবল সরকারি কর ফাঁকিই দিচ্ছেন না, বরং বিভিন্ন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও মাদক কারবারিদের অবৈধ অর্থ নিজ প্রতিষ্ঠানে খাটিয়ে তা বৈধ করার প্রক্রিয়ায় জড়িত।
‎
‎গাজীপুরের সচেতন মানুষের প্রশ্ন, কোথায় রাধুনী হাবিবের এই খুঁটির জোর কোথায় ? দুদকে আবেদন জমা পড়ার পর সচেতন মহল দ্রুত ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (BFIU) মাধ্যমে তদন্ত সম্পন্ন করে হাবিবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
‎

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ যুবলীগ নেতা ‘রাধুনী হাবিবের’ বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ও ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ বৈধ করার এক চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুরের আলোচিত যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান ওরফে রাধুনী হাবিবের বিরুদ্ধে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও বেআইনি টাকা মালিকদের অবৈধ টাকা নিজের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের মাধ্যমে কৌশলে কালো টাকা সাদা করার কাজ করছেন তিনি, এমন অভিযোগে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দিয়েছে জমা গাজীপুরের বাসন এলাকার বাসিন্দা মুস্তাফিজুর রহমান।
তিনি দুদক বরাবর লিখিত এই আবেদনে রাধুনী হাবিবের প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের সুনির্দিষ্ট হিসাব তুলে ধরেছেন । আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংক্ষিপ্ত সময়ে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছেন হাবিবুর রহমান। তাঁর উল্লেখযোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে মাজুখানে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের চারতলা বাড়ি, বোর্ড বাজারে আনুমানিক ৩ কোটি টাকা মূল্যের চারতলা বাড়ি এবং সোনিয়া গার্মেন্টস সংলগ্ন ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার টিনশেড বাড়ি। পাশাপাশি বোর্ড বাজারের বাংলার রাধুনী রেস্তোরাঁ সম্পত্তি ও জামানতসহ প্রায় ৪ কোটি টাকা, এবং লবঙ্গ রেস্তোরাঁ বর্তমানে সেটা অ্যারাবিয়ান রেস্তোরাঁ নামে রয়েছে, তার সম্পত্তি ও জামানতসহ প্রায় ২ কোটি টাকা তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

‎অভিযোগে বলা হয়, রেস্তোরাঁ ব্যবসায় বিগত ছয় বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বিক্রয়ের বিপরীতে অর্জিত কোটি কোটি টাকার হিসাব আয়কর বিভাগ ও সরকারের কাছে গোপন করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বাংলার রাধুনী রেস্তোরাঁর বাফেট ও পার্টি সেন্টার থেকে অর্জিত কোটি কোটি টাকার প্রকৃত আয় ও ভ্যাট গোপন করে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করার জালিয়াতি চালানো হয়েছে। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, রাধুনী হাবিব কেবল সরকারি কর ফাঁকিই দিচ্ছেন না, বরং বিভিন্ন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও মাদক কারবারিদের অবৈধ অর্থ নিজ প্রতিষ্ঠানে খাটিয়ে তা বৈধ করার প্রক্রিয়ায় জড়িত।
‎
‎গাজীপুরের সচেতন মানুষের প্রশ্ন, কোথায় রাধুনী হাবিবের এই খুঁটির জোর কোথায় ? দুদকে আবেদন জমা পড়ার পর সচেতন মহল দ্রুত ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (BFIU) মাধ্যমে তদন্ত সম্পন্ন করে হাবিবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
‎