সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

শিল্প সংস্কৃতিতে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, শিল্প সংস্কৃতির প্রকাশ ও বিকাশের উপরই একটি জাতির আত্মপরিচয় ফুটে ওঠে এবং শিল্প সংস্কৃতিতে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামেই বাংলাদেশের শিল্পীরা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন, যা বাংলার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শনিবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘১৯তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০২২’- এর সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন স্পিকার।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বক্তব্য দেন। এছাড়াও বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বরেণ্য চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর। এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চারুকলা প্রদর্শনীটি উৎসর্গ করায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন যে মানুষের মানবিক উন্নয়নের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল জাতি গঠনে শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, সকল দেশের সকল শিল্পীর রঙ-তুলিই সার্বজনীন আবেদন তৈরি করে। তাই শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে সমাজ, সংস্কৃতি, দেশ, ঋতু বৈচিত্র্যের পাশাপাশি প্রতিবাদ-প্রতিরোধের রূপও ফুটে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় তিনি এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্বের ১১৪টি দেশের বরেণ্য চারুশিল্পী, জুরিবোর্ডের সদস্য, শিল্পকলা একাডেমির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

শিল্প সংস্কৃতিতে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে

আপডেট সময় ১১:৩৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, শিল্প সংস্কৃতির প্রকাশ ও বিকাশের উপরই একটি জাতির আত্মপরিচয় ফুটে ওঠে এবং শিল্প সংস্কৃতিতে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামেই বাংলাদেশের শিল্পীরা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন, যা বাংলার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শনিবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘১৯তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০২২’- এর সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন স্পিকার।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বক্তব্য দেন। এছাড়াও বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বরেণ্য চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর। এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চারুকলা প্রদর্শনীটি উৎসর্গ করায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন যে মানুষের মানবিক উন্নয়নের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল জাতি গঠনে শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, সকল দেশের সকল শিল্পীর রঙ-তুলিই সার্বজনীন আবেদন তৈরি করে। তাই শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে সমাজ, সংস্কৃতি, দেশ, ঋতু বৈচিত্র্যের পাশাপাশি প্রতিবাদ-প্রতিরোধের রূপও ফুটে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় তিনি এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্বের ১১৪টি দেশের বরেণ্য চারুশিল্পী, জুরিবোর্ডের সদস্য, শিল্পকলা একাডেমির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।