ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘জুলাইয়ের টেন্ডার কি একাই নিয়েছেন?’— বিরোধী দলকে প্রশ্ন আন্দালিব পার্থের ‘প্রস্তর যুগে’ আটকে আছেন ট্রাম্প : ইরান সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন সহমর্মিতা কক্সবাজারে নকল বিদেশি মদ তৈরির কারখানা, আটক ১ লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল: সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০, শহরে থমথমে পরিস্থিতি ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ বাস কাউন্টার সরাতে হবে : ডিএমপি ভারতে পাচারের সময় শিশুসহ ৮ জন উদ্ধার মহেশখালীতে প্রথম দিনে ৪,২৩০ শিশুকে হাম টিকা, জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে জোর প্রচারণা পীরগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ক্যাশলেস ব্যাংকিং সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সীমান্তেবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ইদানিং চোরাকারবারিরা তৎপর হয়ে উঠেছে ভারতীয় ০৪টি মহিষ আটক।

সরকার শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে পারলে আমরা একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবো। সরকার দায়িত্বশীলভাবে কাজ শুরু করেছে। দেশে  টিকার কোনো ঘাটতি থাকবে না। হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে ।  আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থাও এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে। যেখানে টিকার ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দ্রুত টিকা ঘটতি পূরণে কাজ চলছে। এই কর্মসূচি সফল করতে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হাম ও রুমেলা  টিকাদান কর্মসূচির আজ  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা প্রশাসক মোঃ নুরুল করিম ভূঁইয়া, সিভিল সার্জনসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিবৃন্দ।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ২৮ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনব্যাপী এ কর্মসূচি জেলার সদর, টঙ্গী, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ ও পুবাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র, যেখানে ইতোমধ্যে অভিভাবকদের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এদিকে, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৯ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং এর মধ্যে ৪৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, সময়োপযোগী এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাম ও রুবেলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনে শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে। দেশের মানুষ টাকা  শিশুদের টিকাদানে  এখন সচেতন হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাইয়ের টেন্ডার কি একাই নিয়েছেন?’— বিরোধী দলকে প্রশ্ন আন্দালিব পার্থের

সরকার শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত

আপডেট সময় ০৩:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে পারলে আমরা একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবো। সরকার দায়িত্বশীলভাবে কাজ শুরু করেছে। দেশে  টিকার কোনো ঘাটতি থাকবে না। হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে ।  আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থাও এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে। যেখানে টিকার ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দ্রুত টিকা ঘটতি পূরণে কাজ চলছে। এই কর্মসূচি সফল করতে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে হাম ও রুমেলা  টিকাদান কর্মসূচির আজ  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা প্রশাসক মোঃ নুরুল করিম ভূঁইয়া, সিভিল সার্জনসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিবৃন্দ।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ২৮ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনব্যাপী এ কর্মসূচি জেলার সদর, টঙ্গী, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ ও পুবাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র, যেখানে ইতোমধ্যে অভিভাবকদের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এদিকে, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৯ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং এর মধ্যে ৪৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, সময়োপযোগী এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাম ও রুবেলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনে শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে। দেশের মানুষ টাকা  শিশুদের টিকাদানে  এখন সচেতন হয়েছে।